সর্বশেষ আপডেট
পবিত্র কোরআনের হাফেজের মুখে লাথি মেরেছিল বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি । মা’রতে মা’রতে ঘে’মে যায় অনিক, পা ধরে অ’নুনয় করেছিলো আবরার । যৌ’নপল্লীতে যাওয়া পুরুষদের গোপন তথ্য ফাঁ’স । গাছে ঝুলন্ত শিশুর পেটে বিদ্ধ দুটি ছুরিতে দুজনের নাম । দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো থাকলে বিনা মূল্যে হজ্জ পালনের সুযোগ দিতামঃ ইমরান খান । হাজারো ভক্তের হৃদয় ভেঙে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সাবিলা নূর । বিসিএস সিলেবাস, যার শুরু আছে কিন্তু শেষ বলে কিছু নেই । লাক্স সুন্দরী এখন স্বামীসহ বিসিএস ক্যাডার । আবরার ফাহাদকে নিয়ে ভারতীয় তরুণীর যে হৃ*দয়*স্পর্শী স্ট্যাটাস ভা*ইরাল । চোখে নেই আলো, কুরআনের আলোয় আলোকিত ওরা তিন হাফেজ ।
গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যান্সারের উপাদান, কী করবেন?

গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যান্সারের উপাদান, কী করবেন?

গ্যাস্ট্রিক ও পেটের পেটের পীড়ার নানা উপসর্গের চিকিৎসায় ব্যবহৃত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যান্সারের উপাদান পাওয়া গেছে। জীবনযাত্রার নানান ক্ষতিকর দিকের একটি হল বুক জ্বালাপোড়া ও অম্লভাব বা ‘অ্যাসিডিটি’।

চিকিৎসা-বিজ্ঞানের সঙ্গানুসারে স্বাস্থবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়, পাকস্থলিতে থাকা ‘গ্যাস্ট্রিক’ গ্রন্থিগুলো থেকে অতিরিক্ত অ্যাসিড নিঃসৃত হলে এই অম্লভাব দেখা দেয়। আর এর কারণে বুকের নিচের অংশে হতে পারে জ্বালাপোড়া।

বুক জ্বালাপোড়া কমানোর একটি ওষুধ হল ‘অ্যান্টাসিড’। এই ওষুধ প্রায় সবার ঘরেই থাকে।আবার অনেক সময় অনেকে তা সঙ্গে রাখেন। আর সামান্য অস্বস্তি হলেই ওষুধ খেয়ে ফেলেন। আর এখানেই বিপত্তি। গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে ক্যান্সারের ঝুঁকি গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ব্যবহৃত রেনিটিডিন গ্রুপের ওষুধে ক্যান্সারের উপাদান পাওয়া গেছে। তাই কয়েকটি কোম্পানি তাদের রেনিটিডিন জাতীয় ওষুধ প্রত্যাহার করেছে। আন্তর্জাতিক ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘ইউএস এফডিএ’ এই গ্রুপের ওষুধে ‘এন-নাইট্রোসোডিমিথাইলামিন (এনডিএমএ)’ নামক এক উপাদানের অস্তিত্ব খুঁজে পায়।

‘ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার (আইএআরসি)’ এই উপাদানকে মানুষের দেহে ক্যান্সারের জন্য সম্ভবত দায়ী বলে দাবী করে। বাজার থেকে এই ওষুধ নিষিদ্ধ করা না হলেও চিকিৎসক ও রোগী দুপক্ষকেই এই ওষুধের পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সতর্ক করা হচ্ছে। কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের ওষুধ নিয়ন্ত্রক সংস্থার উদ্ধৃতি দিয়ে সিবিসি ডট সিএ’তে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, রেনিডিন গ্রুপের ওষুধে স্বল্প মাত্রায় ‘এনডিএমএ’য়ের উপস্থিতি রয়েছে। তাই গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ সেবনের আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরমার্শ নেওয়া উচিত। অবশেষে ক্যান্সারের টিকা আবিষ্কৃত হয়েছে। এই টিকা শরীরের যেকোনো অংশে ছড়িয়ে থাকা ক্যান্সারের জীবাণু ধ্বংস করবে বলে দাবি করছেন গবেষকেরা।

তবে ইতিহাস সৃষ্টিকারী এই টিকা এখনও পরীক্ষামূলক অবস্থায় রয়েছে। আর প্রথমবারের মত এক রোগীর শরীরে এই টিকা প্রয়োগ করার পর ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া গেছে বলে দাবী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

লন্ডনের বেকেনহ্যাম এলাকার বাসিন্দা কেলি পটার (৩৫) নামের এক নারীর শরীরে প্রথম ওই টিকা প্রয়োগ করা হয়েছিল। জরায়ুর ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন ওই নারী। তার শরীরে যখন ক্যান্সারের টিকা প্রয়োগ করা হয়েছিল সে সময় তার ক্যান্সার চতুর্থ পর্যায়ে ছিল।

তার লিভার এবং ফুসফুসের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছিল ক্যান্সারের জীবাণু। টিকা দেওয়ার পর তার শরীরে ক্যান্সারের ব্যাপ্তি এখন অনেকটা স্থিতিশীল রয়েছে। একইসঙ্গে লিভার ও ফুসফুসের মধ্যে জীবাণু ছড়িয়ে পড়াও বন্ধ হয়েছে। আগের চেয়ে এখন অনেক ভালো আছেন বলে জানিয়েছেন কেলি।

ক্যান্সার শরীর থেকে পুরোপুরি নির্মূল করতে এই টিকার সঙ্গে কম মাত্রার কেমোথেরাপি দেওয়ার পরাম’র্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞ জেমস স্পাইসার। এই টিকা শরীরে প্রবেশ করলে তা ভাল কোষ গুলোকে অক্ষুণ্ণ রেখে ক্যান্সারের ক্ষতিকর কোষগুলোকে খুঁজে বের করে ধ্বংস করতে সক্ষম

আরো জানুন… অহরহ অনেকের মুখে শুনে থাকবেন হঠাৎ করেই নাকি প্রেসার ওঠানামা করছে। জেনে রাখা ভালো এটি মোটেও কোনো ভালো লক্ষণ নয়। একজন মানুষ যদি শারীরিকভাবে সুস্থ থাকেন তাহলে অবশ্যই তার প্রেসার, পালস ও ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থাকতে হবে। যেসব লক্ষণে বুঝবেন প্রেসার ওঠানামা করছে সাধারণত প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা ও স্বাভাবিক শ্বাসপ্রশ্বাস নিতেও কষ্ট হয়।

অতিরিক্ত ঘাম, ডায়রিয়া বা অত্যধিক বমি হওয়া, দেহের ভেতরে কোনো কারণে রক্তক্ষরণ হলে যেমন: রক্তবমি, পায়খানার সঙ্গে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে, শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত বা দুর্ঘটনার ফলে রক্তপাত ঘটলে এবং অপুষ্টিজনিত কারণেও লো ব্লাড প্রেসার দেখা দিতে পারে। আবার গর্ভবতী মায়েদের গর্ভের প্রথম ৬ মাস হরমোনের প্রভাবে লো প্রেসার হতে পারে। এ সময় মাথা ঘোরানো বা মাথা হালকা অনুভূত হওয়া, মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বসা বা শোয়া থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতা, চোখে

অন্ধকার দেখা, ঘন ঘন শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়া, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, খুব বেশি তৃষ্ণা অনুভূত হওয়া, অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদকম্পন, নাড় বা পালসের গতি বেড়ে যায়। হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কী করবেন? শাকসবজি, ফল ও শস্যদানা হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কিছু খাবার আপনি খেতে পারেন। বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদি।এসব

খাবারে বেশ উপকার পাবেন। কম চর্বিযুক্ত খাবার হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই। টুকরো করে আধাকাপ ফল যাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা রয়েছে তারা ফল খেতে পারেন।টুকরো টুকরো করে কাটা আধাকাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধাকাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং।

ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো। শাকসবজি ৪ থেকে ৫ সার্ভিং শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধাকাপ রান্না করা শাক। দানা শস্য ৭ থেকে ৮ সার্ভিং দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য। বিচি জাতীয় খাবার বিচি জাতীয় খাবার প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক

সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি। হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন? ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ মানবদেহে রক্ত সঞ্চালনে চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে। মানবদেহে রক্তচাপের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে। তার ওপর ভিত্তি করেই উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার ও নিম্ন রক্তচাপ বা লো ব্লাড প্রেসার পরিমাপ করা হয়। উচ্চ রক্তচাপের মতোই নিম্ন রক্তচাপও কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লো ব্লাড প্রেসারের আরেক নাম

হাইপোটেনশন। চিকিৎসকের মতে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের রক্তচাপ থাকে ১২০-৮০। অন্যদিকে রক্তচাপ যদি ৯০-৬০ বা এর আশপাশে থাকে তাহলে লো ব্লাড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়। প্রেসার যদি অতিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে সঠিকভাবে রক্ত প্রবাহিত হতে পারে না তখন এ রোগ দেখা দেয়। আবার অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লাড প্রেসার হতে পারে। আসুন জেনে নেই হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন। লবণ-পানি লবণ রক্তচাপ

বাড়ায়। কারণ এতে সোডিয়াম আছে। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের চিনি বর্জন করাই ভালো। কফি-হট চকলেট হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। স্ট্রং কফি, হট চকোলেট, কমল পানীয়সহ যে কোনো ক্যাফেইনসমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। আর যারা অনেক দিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন, তারা সকালে ভারি

নাশতার পর এক কাপ কফি খেতে পারেন। বিটের রস বিটের রস হাই ও লো প্রেসার দুটোর জন্য সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন। বাদাম লো প্রেসার হলে পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটা প্রেসার বাড়াতে সহায়তা করে। পুদিনা ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লাড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে পুদিনা পাতা। এর পাতা বেটে নিয়ে এর

সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন। যষ্টিমধু আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর পান করুন। এছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন। স্যালাইন শরীরে পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে নিম্ন রক্তচাপ হলে শুধু খাবার স্যালাইন মুখে খেলেই প্রেসার বেড়ে যায়। লো ব্লাড প্রাসারে খাবার স্যালাইন সবচেয়ে উপযোগী এবং তাৎক্ষণিক ফলদায়ক।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]