সর্বশেষ আপডেট
লাইভ শোতে ২ সৌদি সমকামি তরুণীর ভালোবাসা প্রকাশ! হঠাৎ মোটা হওয়ার কারণ জানালেন বুবলী ঝুড়িতে পাওয়া গেল কন্যা শি’শু, নাম দেওয়া হল ‘একুশে’ জরুরী আবহাওয়া বিজ্ঞপ্তিঃ সোমবার থেকে বৃষ্টি, চলবে তিনদিন! সুন্দরীর বিয়ের ফাঁদ, অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, এরপর বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য… বাসে বাবার বয়সী ব্যক্তির যৌ’ন হয়’রানি, কেঁদে বিচার চাইলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী আরব আমিরাতে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশি প্রবাসী আ’ক্রা’ন্ত যুক্তরাষ্ট্রে কোরআন ছুঁয়ে শপথ নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা গর্ভবতী হওয়া নিয়ে এবার মুখ খুললেন নায়িকা বুবলী, জেনে নিন নায়িকার স্বীকারুক্তি… কুমিল্লায় কয়েক হাজার কোটি টাকা নিয়ে শতাধিক কোম্পানি উধাও
এই মাছ খেলে হতে পারে বন্ধ্যাত্ব-ক্যানসার

এই মাছ খেলে হতে পারে বন্ধ্যাত্ব-ক্যানসার

র’ক্তশূ’ন্যতা কিংবা অসুখে ভু’গলে সাধারণত রো’গীদের জিওল মাছ খেতে বলা হয়েছে। কিন্তু গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই মাছ এখন সম্পূর্ণ নিরা’পদ নয়। জিওল মাছ পেটে গেলে এখন হিতে বিপরীত হতে পারে। শিং, মাগুর, শোল অথবা তেলাপিয়ার মতো জিওল মাছ সাধারনত খাল-বিল-ঝিল-ডোবা-এঁদো পুকুর এমনকী ধানখেতে চাষ করা যায়। গবেষকরা বলছেন, এতেই ঘটছে বি’পত্তি। এই জলাশয়গুলোতে শিল্পের বর্জ্য পদার্থ এসে বেশি মেশে।

ফলে ওই দূ’ষিত জলে মাছ চাষ হলে শ’রীরে মা’র’ণ রো’গ থাবা বসানোর সম্ভাবা প্র’বল। এক গবেষণাতে জানা গিয়েছে, দূ’ষিত জলে চাষ করা জিওল মাছ খেলে ডাই অ’ক্সিনা কম’পাউন্ড আমাদের শ’রীরে প্রবেশ করে। ফলে ব’ন্ধ্যা’ত্বের সম’স্যা দেখা যায়। এমনকি এই মাছ ইমিউনিটি সিস্টেম দূর্বল করে, ত্বক ও লি’ভারে সমস্যা দেখা দেয়। এমনকি ক্যান’সারেরও সম্ভাবনা থাকে।

কলকাতাতে এই সমস্যা বেশি দেখা গিয়েছে বলে জানিয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা। প্লাস্টিক এবং তেলের কারখানা থেকে দূ’ষণ বেশী ছড়াচ্ছে বলে মত তাদের। গবেষনায় দেখা দিয়েছে, সুন্দরবন এলাকায় বিদ্যাধরী নদীতে এই দূষণ সবথেকে বেশী। এই নদীতে চাষ হওয়া মাছও ভ’য়’ঙ্কর বিপ’দজ্জ’নক। তবে দূষ’ণহী’ন জলে যদি জিওল মাছ চাষ হয় তাহলে সেই মাছের পু’ষ্টিগুন নিয়ে দ্বি’ধাগ্র’স্থ হওয়ার কোনও কারণ নেই।

আরো পড়ুন… মাত্র ৫ মিনিটে পেটের মেদ কমাতে যা করবেন, জানালেন ডা: জাহাঙ্গীর কবির। মাত্র পাঁচ মিনিটেই কমবে পেটের মেদ। বলা চলে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে পেটের মেদ কমানো সম্ভব। তবে সেটা কখন, কিভাবে করবেন আসুন জেনে নিই। হিট এক্সেসাইজ কখন করবেন? ব্যয়ামটি করতে হয় সকাল বেলা। সবচেয়ে ভালো সময় সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে। যখন ন্যাচারালই শরীরে স্টোরেজটা বেশি থাকে। ফিট এক্সেসাইজ করার সময় শরীরে স্টোরেজ রিলিজ হয়। আর এই স্টোরেজ যে শরীরের জন্য খারাপ তা নয়,

এটা শরীরের জন্য ভালো। এই স্টোরেজ কি পরিমাণ রিলিজ হচ্ছে? কতক্ষণ রিলিজ হচ্ছে? কি পরিমাণ শরীরে থাকছে সেটা জানা জরুরি। যেহেতু ন্যাচারালই সকালে শরীরে স্টোরেজ বেশি থাকে তাই ব্যয়ামটা সকালে করলে বেশি সুবিধা পাওয়া যাবে। হিট এক্সেসাইজ করলে অনেকগুলো সুবিধা আছে। একটা হলো- যেটা মাসেলকে পির্জাভ করবে কিন্তু ফ্যাট বান করে। শরীরে খুবই দরকারি গ্রোর্থ হরমোন।

যেটা বাচ্চাদের প্রচুর পরিমাণ থাকে, যার কারণে বাচ্চারা ক্লান্ত হয় না। তারা প্রচুর দুষ্টমি করে কিন্তু ক্লান্ত হয় না। আর বয়সের সঙ্গে সঙ্গে এটা আস্তে আস্তে কমে যায়। এই কারণে এটাকে যদি আমরা বুস্টআপ করি তাহলে এটা আমাদের চর্বি গলাতে সহায়তা করে। তবে মাসেলটাকে পির্জাভ করে। হিট এক্সেসাইজ করলে কোয়ালিটি স্লিপটা অনেক ভালো হয়। খালি পেটে ঘুমাতে যান। মানে ৭টা ৮টার মধ্যে ঘুমাতে যান।

এরপর সকালে যখন খালি পেটে হিট এক্সেসাইজ করতে যান তাহলে শরীরে ইনসুলিনের মাত্রাটা কম থাকবে। আর শরীরে ইনসুলিন কম থাকলে ফ্যাট কমাতে ভালো হয়। তখন ইনসুলিনের সাহায্য ছাড়াই গ্লোকোজটা রক্ত থেকে সরাসরি কোষে ঢুকতে পারে। তবে লিভারের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ভিন্ন। কিভাবে করবেন? প্রথমে ওয়ার্মআপ এক্সেসাইজ করুন। কারণ একটা অনেক হাই ইনটেনসিটিতে করতে হয়।

এটা রার্নিং মেশিনে এবং সাইকেলে করতে পারেন। অথবা দৌড়ানো যেতে পারে। তবে দৌড়ানোর আগে জগিং করে নিতে হবে। শরীরটাকে ভালো করে ওয়ার্মআপ করে নিতে হবে। এরপর যত জোরে পারেন দৌড় দিবেন। মনে করতে পারেন পাগলা কুকুর দৌড়ানি দিয়েছে। মাত্র ২০ সেকেন্ডে দৌড়ানোর পর ১০ সেকেন্ড রেস্ট নিতে হবে। আবার ২০ সেকেন্ডে দৌড় দেয়ার পর ১০ সেকেন্ড রেস্ট নিতে হবে। এভাবে ৩ থেকে ৫ মিনিট ব্যয়াম করতে হবে। তবে সময় কম বেশি হতে পারে। এভাবে শরীরে গ্রোর্থ হরমোন বেড়ে যাবে। কিন্তু এই গ্রোর্থ হরমোন শরীরে ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় থাকে না।পেটের চর্বি, প্রেসার, রক্তনালীর চর্বি এবং ডায়াবেটিক একইভাবে কমানো সম্ভব।
(ফ্যামিলি মেডিসিন, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা এবং শ্বাস- রোগ বিশেষজ্ঞ)

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme