সর্বশেষ আপডেট
পবিত্র কোরআনের হাফেজের মুখে লাথি মেরেছিল বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি । মা’রতে মা’রতে ঘে’মে যায় অনিক, পা ধরে অ’নুনয় করেছিলো আবরার । যৌ’নপল্লীতে যাওয়া পুরুষদের গোপন তথ্য ফাঁ’স । গাছে ঝুলন্ত শিশুর পেটে বিদ্ধ দুটি ছুরিতে দুজনের নাম । দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো থাকলে বিনা মূল্যে হজ্জ পালনের সুযোগ দিতামঃ ইমরান খান । হাজারো ভক্তের হৃদয় ভেঙে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সাবিলা নূর । বিসিএস সিলেবাস, যার শুরু আছে কিন্তু শেষ বলে কিছু নেই । লাক্স সুন্দরী এখন স্বামীসহ বিসিএস ক্যাডার । আবরার ফাহাদকে নিয়ে ভারতীয় তরুণীর যে হৃ*দয়*স্পর্শী স্ট্যাটাস ভা*ইরাল । চোখে নেই আলো, কুরআনের আলোয় আলোকিত ওরা তিন হাফেজ ।
সকাল বেলা স’হ’বা’স করলে যে উপকারিতা পাওয়া যায় ।

সকাল বেলা স’হ’বা’স করলে যে উপকারিতা পাওয়া যায় ।

দিনের শুরুতেই সহবাসের কথা শুনে অবাক হচ্ছেন? হ্যাঁ, ঠিকই শুনেছেন ভোরবেলার সহবাস আপনাকে বহু কঠিন ব্যাধি থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারে, রিসার্চ অন্তত তাই বলছে। সকাল বেলার শারিরীক মিলন মন এবং শরীর দুই ভাল রাখে। খবর শুনে ভ্রুঁ কোঁচকাচ্ছেন নিশ্চয়ই?

গবেষণার মাধ্যমেই উঠে এসেছে এমন তথ্য। লন্ডনের বেলফাস্টের টুইন্স ইউনির্ভাসিটির এক গবেষণায় এই তথ্য প্রমাণিত। গবেষণায় জানা গেছে, সপ্তাহে অন্তত তিনদিন যদি ভোরবেলা সহবাস করা যায় তবে হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা অর্ধেক করে দেয়। আর যদি এটি ঠিকমতো করা যায় তবে উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যাও দূর হতে পারে। বৈজ্ঞানিক পরীক্ষায় জানা গেছে সপ্তাহে দুইদিন যদি ভোরবেলা সহবাস করা যায় তবে শরীর অ্যান্টিবডি গঠিত হয়।

সকালের শারিরীকমিলন আর্থারাইটিস ও মাইগ্রেনের মত রোগ সাড়িয়ে তুলতে পারে৷ আরও জানা গেছে যারা ডায়াবেটিসের রোগী তাদের পক্ষে সকালে সহবাস অত্যন্ত উপযোগী। সকালে আধঘন্টা সহবাস করলে ৩০০ ক্যালোরি এনার্জী খরচ হয় যা ডায়াবেটিস কমাতে সাহায্য করে।

এই পরীক্ষাটি করার জন্য ৩০০ জন মহিলাকের নিযুক্ত করা হয় যাদের সঙ্গীরা সহবাসের সময় কন্ডোম ব্যবহার করেননা। তারা জানিয়েছেন এর ফলে তাদের মনে কোন মানসিক অবসাদ নেই৷ এছাড়াও হাড়ের গঠন মজবুত করতেও সকালের শারিরীকমিলন বিশেষ ভূমিকা পালন করে।

সকালের এই মানসিক সুখের কারণে চুল ও ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ে কারণ এই সময় ইস্ট্রোজেন ও অন্যান্য হরমোনের ক্ষরণ এইসময় বেশি পরিমাণে হয়। তবে গবেষকেরা জানিয়েছেন, প্রতিদিনের শারিরীকমিলন শরীরের কার্যক্ষমতা হ্রাস করতে পারে।

চুমু এমনই এক অনুভূতির প্রকাশ, অনেক বেশি ভালো না বাসলে যা সম্ভব না। প্রিয়জনের চোখে চোখ রেখে যেমন পড়ে ফেলা সম্ভব হাজার পাতার উপন্যাসসম অনুভূতি, তেমনই একটি চুমু দিয়েও অনেককিছু বোঝানো সম্ভব। সম্পর্ক সুন্দর রাখতে চুমু তুলনাহীন।

এদিকে বিজ্ঞান বলছে, চোখে চোখ রেখে চুমু খাওয়ার গুণ অনেক। সোয়াইন ফ্লুয়ের সম্ভাবনা কমে যায়। শুধু এটুকুই নয়। ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমুতে ডুবে গেলে অনেক রকম রোগ অসুখ থেকে দূরে থাকা যায়। জেনে নিন-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে: চুমু খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। জন্মগত চোখের সমস্যা দূর হয়। এছাড়াও আরও বেশ কিছু জন্মগত জটিল রোগও সেরে যায়। ঠোঁটের সংস্পর্শে সাইটোমেগালোভাইরাস শরীরের নানা উপকার করে। তাই বলা হচ্ছে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় এই অভ্যাস রাখলে হবু সন্তানের জিনগত কোনো ত্রুটি থাকে না।

ক্যালোরি খরচ: পাঁচ মিনিট টানা চুমু খেতে হবে। তবেই ঝরবে ক্যালোরি। এবং তা মোটামুটি ১০ মিনিট ট্রেডমিলে ছোটার সমান। সম্পর্ক গভীর করে: চুমু যেকোনো সম্পর্ককে আরও গভীরে যেতে সাহায্য করে। ঠোঁট, চিবুক, জিভে জিভ ঠেকিয়ে গভীর চুমুতে শরীরে হরমোনের তারতম্য হয়।

ফলে আপনি আপনার প্রিয়জনের একটা গন্ধ পান। সেখান থেকেই তৈরি হয় গভীর বন্ধন। এমনটাই কিন্তু বিজ্ঞানই বলছে। এছাড়াও মন তরতাজা থাকে। স্ট্রেস দূর করে: আমাদের দৈনন্দিন জীবনে না চাইতেই সৃষ্টি হয় নানা ধরনের চাপ। বাড়ি কিংবা অফিস সব জায়গাতেই নানা সমস্যায় ভুগতে হয়।

সেক্ষেত্রে একটু চুমু খেলে শরীর থেকে ফিল গুড হরমোন নির্গত হয়। যা আপনাকে স্ট্রেস ফ্রি রাখবে। এমনকি তা আপনাকে রোমান্টিকও করে তুলবে। মুখের পেশি শক্ত থাকে: যারা দীর্ঘদিন ধরে চুমু নিয়মিত চুমু তাদের মুখের চামড়া দীর্ঘদিন টানটান থাকে। চিবুক শক্ত থাকে। গবেষণা বলছে চুমু খাওয়ার সময় মুখের ৩০টি পেশি একসঙ্গে সক্রিয় থাকে।

ঘুমের ঘোরে আমরা অনেক স্বপ্ন দেখি। কোনোটা মনে থাকে, কোনোটা থাকে না। কোনোটা আবার স্বাভাবিক মনে হয়, কোনোটা মনে হয় উদ্ভট। কখনো কখনো স্বপ্নে যে কারো সঙ্গে শারী’রিক স’ম্পর্কও হয়ে থাকে। অনেক সময় এমন মানুষের সঙ্গে স’ম্পর্ক হয়, যা কল্পনাও করি না।

ফলে ঘুম ভাঙার পর দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই। নিজে নিজে বলি, কী সব স্বপ্ন দেখলাম, কেন দেখলাম! আসলে স্বপ্নে এমন শারী’রিক স’ম্পর্কের মধ্যে অবচেতন মনের অন্য কোনো ভাবনা থাকে। তাই আসুন, স্বপ্নে শারী’রিক স’ম্পর্কের লুকোনো কিছু অর্থ জেনে নেই-

অপছন্দের ব্যক্তি: স্বপ্নে দেখা ব্যক্তির সঙ্গে বাস্তবে যদি মনোমালিন্য থাকে, তাহলে অবচেতন মন আপনাকে সেই সমস্যা মিটিয়ে নেওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। তবে বাস্তবে কতটুকু সম্ভব; তা পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।

যদি বাস্তবে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ঝামেলা মিটিয়ে নেওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে বিষয়টি থেকে মন তুলে নেওয়ার চেষ্টা করুন। প্রাক্তনকে দেখা: প্রাক্তন প্রেমিক-প্রেমিকা এলে এবং তার সঙ্গে ঘনি’ষ্ঠ অবস্থায় দেখলে তার মানে এই নয় যে, অবচেতনে আপনি তাকে কামনা করছেন।

প্রাক্তনকে স্বপ্ন দেখার মানে আপনি পুরোনো প্রেমের উ’ত্তেজনা, আবেগ মিস করছেন। তাই বর্তমান সম্পর্কে সেই আবেগ ফিরিয়ে আনুন। আর নতুন সম্পর্ক না থাকলে এমন কিছু করুন, যাতে মানসিক তৃপ্তি পাবেন।

অপরিচিত ব্যক্তি: অনেকেই অপরিচিত কাউকে স্বপ্ন দেখেন। এর মানে এই নয় যে, বাস্তবে তেমন কেউ আপনার জন্য অপেক্ষায় আছেন। একজন সম্পূর্ণ অপরিচিতের সঙ্গে রাত কাটানোর জন্য যে সাহস, মনোভাব ও আত্মবিশ্বাস দরকার, তা বাস্তব জীবনের প্রতি ক্ষেত্রে আনার ইঙ্গিত দেয় এ স্বপ্ন।

সেলেব্রিটি দেখা: কোনো সেলেব্রিটিকে স্বপ্নে ঘনি’ষ্ঠ অবস্থায় দেখা মানে নিজের জীবনেও এমন সফলতা কামনা করছেন। তবে যদি তাকে এমনিতেও খুবই ভালো লাগে এবং দিনের বেশিরভাগ সময় তাকে নিয়ে চিন্তা করে কাটান, তাহলে স্বপ্নে তিনি আসতেই পারেন!

সহকর্মীকে দেখা: সহকর্মীকে স্বপ্নে দেখা মানেই বাস্তবে তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে চাওয়া নয়। তার পদ অনুসারে স্বপ্নের অর্থ কিন্তু পাল্টে যায়। সহকর্মী সিনিয়র বা বস হলে, অবচেতন মনে নিজেকে ওই পদে দেখতে চান। সহকর্মী সম পদের হলে আপনাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব বা টানাপড়েন আছে। এছাড়া জুনিয়রকে দেখলে মনে করবেন, ওই জুনিয়রের ওপর আপনি অনেকটা নির্ভরশীল।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]