শরীরের তিল বলে দেবে আপনি সম্পদশালী হবেন কি-না ।

শরীরের তিল বলে দেবে আপনি সম্পদশালী হবেন কি-না ।

ঘুরে বেড়াতে সবাই ভালোবাসে। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন অর্থ। আপনার অর্থ এবং ভ্রমণ আছে কি না তা এখনই জেনে নিতে পারেন। আপনার শরীরে তিলের স্থানই বলে দেবে আপনি সম্পদশালী হবেন কি-না। আমাদের আজকের এই প্রতিবেদন থেকে জেনে নি এই সম্পর্কিত বিস্তারিত- ১) ডান দিকের গালে- এর অর্থ বিয়ের পর আপনি অত্যন্ত সম্পদশালী হবেন। ২) ঠোঁটের উপরে- খুব অল্প বয়সেই অর্থবান হয় এরা। এছাড়া খুব জেদী হয় এরা। ৩) নাকের উপর তিল- নাকের ডানদিকে তিল থাকলে বুঝতে হবে সেই ব্যক্তি অবশ্যই ধনী হবেন। কিন্তু অপেক্ষা করতে হবে। ৩০ বছরের পর প্রচুর ভ্রমণের সুযোগ আসবে। এছাড়া সাফল্য এদের হাতের মুঠোতে। ৪)পায়ের পাতার নিচে- এরা ভ্রমণ ভাগ্য নিয়েই জন্মান। এমনকি বিদেশ ভ্রমণও এদের ভাগ্যে আছে। ৫) কোমরে- কোমরে তিল থাকলে আপনাকে ধনী হওয়া থেকে কেউ আটকাতে পারবে না। ৬) কপালের মাঝে- ত্রিনয়নের স্থানে তিল থাকা মানে আপনি জীবনে খুবই স্থিতিশীল এবং সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। অর্থ সবসময় থাকবে। ৭) ডান হাতের তালুতে- অর্থ এবং সাফল্য আপনার ছায়াসঙ্গী হয়ে থাকবে। উপরের দিকে তিলটি থাকলে সাফল্য এবং অর্থ আসবে। আর নীচের দিকে থাকলে আপনার সময় লাগবে। অনেক খেটে আপনাকে অর্থ ও সাফল্য অর্জন করতে হবে।

৮) থুতনিতে- এরা খুবই ভাগ্যবান, অর্থবান। কিন্তু এরা একেবারেই সামাজিক নয়, যেটুকু দরকার সেটুকুর জন্যই এরা সামাজিকতা বজায় রাখে। নিজেদের কমফর্ট জোনে রাখতে পছন্দ করে। ৯) নাভিতে- এরও মানে আপনি খুবই ধনী হবেন। কিন্তু সঙ্গে এরা খুবই পেটুক মানুষ হয়ে থাকে। ১০) বুকে- এরা শান্তিপ্রিয় হয় এবং অর্থ সবসময়ি হাতে থাকে। ১১) কান বা কানের পাশে- বিশেষত ডান গাল ও কানের সংযোগ স্থলে তিল থাকলে কেউ আপনাকে ধনী হয়ে ওঠা থেকে আটকাতে পারবে না। ১২) কনিষ্ঠ আঙ্গুলে- এরা ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসে এবং বিদেশ ভ্রমণ পর্যন্ত করে। এখন প্রায়ই পুরুষত্বহীনতা তথা পুরুষের অক্ষমতার কথা শোনা যায়। আর এতে উঠতি বয়সের যুবকরা রীতিমতো হতাশ। ফলে অভিভাবকরাও বেশ দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন। পুরুষত্বহীনতা : প্রকৃত অর্থে এটি পুরুষের যৌনকার্যে অক্ষমতাকেই বুঝায়। শ্রেণীবিভাগ : মূলত পুরুষত্বহীনতাকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়- * ইরেকশন ফেইলিউর : অর্থাৎ পুরুষ লিঙ্গের উত্থানে ব্যর্থতা। * পেরিট্রেশন ফেইলিউর : অর্থাৎ লিঙ্গের যোনিদ্বারছেদনে ব্যর্থতা। * প্রি-ম্যাচিউর ইজাকুলেশন : অর্থাৎ সহবাসে দ্রুত বীর্যস্খলন, তথা স্থায়ীত্বের অভাব। কারণসমূহ : প্রধান প্রধান কারণগুলো হলো-

* বয়সের পার্থক্য, পার্টনারকে অপছন্দ (দেহ-সৌষ্ঠব, ত্বক ও মুখশ্রী) * দুশ্চিন্তা, টেনশন ও অবসাদ * ডায়াবেটিস * যৌনবাহিত রোগ (সিফিলিস, গণোরিয়া) * রক্তে সেক্স-হরমোনের ভারসাম্যহীনতা * যৌনাসন * সেক্স-এডুকেশনের অভাব। দেখা যায়- উঠতি বয়সের যুবকরা হাতুড়ে ডাক্তারের খপ্পরে পড়ে বা স্বেচ্ছায় বিভিন্ন হরমোন ইনজেকশন নেয় অথবা ভুয়া ওষুধ সেবন করে। এটি মোটেই কাম্য নয়। কারণ, এর পার্শ্বক্রিয়ায় শেষপর্যন্ত সত্যিকারভাবে পুরুষত্বহীনতার সম্ভাবনা দেখা দেয়-যা থেকে পরবর্তীতে আরোগ্য লাভ করা অসম্ভব ওঠে। ডা. একেএম মাহমুদুল হক খায়ের ত্বক যৌন সেক্স ও এলার্জি বিশেষজ্ঞ এবং কসমেটিক সার্জন। সিনিয়র কনসালটেন্ট (এক্স), বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা। ফোন : ০১৯৯০০০০১৯১। আয়ুর্বেদ, উনানী এবং প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে চায়নিজ মেডিসিনে ব্যবহৃত প্রাকৃতিক উপাদানটির নাম হলো তোকমার বীজ বা তোকমা (Basil Seeds). তোকমা হলো Ocimum Sanctum ঘরানার উদ্ভিজ উপাদান।

যা বিভিন্ন ধরণের পানীয় ও মিষ্টি জাতীয় খাদ্যে ব্যবহার করা হয়ে থাকে। দেখতে একেবারেই সাদামাটা এই উপাদানটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, আয়রন, আঁশ এবং শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালোরি। সুস্বাস্থ্যের জন্য এবং বিভিন্ন ধরণের শারীরিক সমস্যা দূর করার জন্যে তোকমা খুব ভালো কার্যকরী একটি উপাদান। অনেকেই নিয়মিত তোকমার শরবত পান করে থাকেন। তবে যারা এখনও তোকমা গ্রহণ করা শুরু করেননি, তারাও দ্রুত কিনে ফেলুন তোকমা। কারণ, এই একটি মাত্র উপাদানের অগণ্য গুণাগুণ কোনো ভাবে এড়িয়ে যাওয়া উচিৎ হবে না আপনার। তোকমা খেলে কি উপকার হয়,আসুন জেনে নেই- পরিপাক ক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে: তোকমার বীজ পানিতে ভিজিয়ে রাখা হলে সেটা ফুলে, বড় হয়ে তার শরীরের বাইরের আবরণে জেলী জাতীয় পদার্থ তৈরি করে। এটাই খাদ্য পরিপাকে সাহায্য করে থাকে। এছাড়াও, তোকমাতে থাকা প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আঁশ, খাদ্যকে দ্রুত পরিপাক হতে সাহায্য করে থাকে। কোষ্ঠ্যকাঠিন্য, ডায়রিয়া অথবা আমাশয়ের মতো পেটের সমস্যাতে তোকমার বীজ খুবই উপকারী। এছাড়াও তোকমা বীজের তেল গ্যাস্টিক আলসার সমস্যার জন্যে উপকারী একটি উপাদান।

ওজন কমাতে সাহায্য করে: প্রোটিন, আঁশ, বিভিন্ন ধরণের ভিটামিন এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায় তোকমার বীজে। তোকমা গ্রহণের ফলে ক্ষুধাভাব কমে যায় অনেকটা। যার ফলাফল স্বরূপ ওজন চলে আসে নিয়ন্ত্রণের মাঝে। যেহেতু তোকমাতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য আঁশ, যা পেট ভরা ভাব তৈরি করে থাকে। এর ফলে অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের প্রতি ইচ্ছা তৈরি হয় না। সকালে অথবা বিকালের নাস্তায় তোকমা খাওয়ার ফলে শরীর তার প্রয়োজনীয় ক্যালোরি পায়। যার ফলে পেট ভরা থাকে এবং শরীরে শক্তি সঞ্চিত হয়। এছাড়াও, নাস্তা হিসেবে তোকমা খাওয়ার ফলে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে ওঠে। ঠাণ্ডা-কাশির সমস্যা দূর করতে: পার্সিয়ান হার্বাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা প্রায় একশ বছর ধরে একদম সাধারণ ঠাণ্ডা-কাশির সমস্যা থেকে শুরু করে শ্বাসকষ্টের মতো গুরুত্বর সমস্যার ক্ষেত্রেও তোকমা ব্যবহার করে আসছেন। তোকমা বীজে রয়েছে অ্যান্টি-স্পাজমোডিক (Antispasmodic) প্রভাব। যা উক্ত সমস্যার দূর করতে কার্যকরী। তোকমাতে থাকে অ্যান্টি-ফাইরেটিক (Antipyretic) জ্বর কমাতে সাহায্য করে থাকে। তোকমাতে রয়েছে কেমোপ্রিভেন্টিভ উপাদান সমূহ: তোকমা বীজে রয়েছে উচ্চ মাত্রায় লাইনলিক অ্যাসিড এবং ফ্যাটি অ্যাসিড সমূহ। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্যক্রম কেমোপ্রভেন্টিভ (Chemo preventive) হিসেবে কাজ করা। টিউমারযুক্ত ইঁদুরদের উপরে একটি গবেষণায় করা হয়। যেটা থেকে দেখা যায়, তোকমা গ্রহনাকারী ইঁদুর তুলনা মুলকভাবে বেশী দিন বেঁচে থাকে এবং তাদের টিউমারের বৃদ্ধির গতি কমে যায় অনেকখানি। প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে: তোকমা বীজে থাকা প্রদাহ-বিরোধী উপাদান সমূহ যেকোন ধরণের প্রদাহ কমাতে কাজ করে। শরীর কোন আংশ ফুলে যাওয়া অথবা ব্যথাভাব দেখা দেওয়ার ক্ষেত্রেও এটা কাজ করে থাকে। আয়ুর্বেদ থেকে জানা যায় যে, আর্থ্রাইটিসের সমস্যার জন্য শরীরের বিভিন্ন অংশ ফুলে গেলে সেটা কমিয়ে আনতেও তোকমা দারুণ কার্যকরী।

হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য এবং দুশ্চিন্তা কমাতে কাজ করে: তোকমাতে থাকা অ্যান্টি-হাইপারলিপিডেমিক (Antihyperlipidemic) কার্যক্রম কোলেস্টেরল এর সমস্যা কমিয়ে থাকে। তোকমা বীজের তেল লক্ষণীয়ভাবে হাই লিপিড প্রোফাইল এর মাত্রা কমাতে সাহায্য করে থাকে।যার ফলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে। এছাড়াও আয়ুর্বেদে দুশ্চিন্তা কমাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে তোকমা। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: তোকমা বীজে রয়েছে উচ্চমাত্রার ফ্ল্যাভনয়েড এবং ফেনোলিক উপাদান সমূহ। একইসাথে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান সমূহ থাকার ফলে তোকমা গ্রহণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বৃদ্ধি পায়। একইসাথে, ফ্রি-রেডিক্যাল ড্যামেজ থেকে রক্ষা করতেও বেশ উপকারী তোকমা। মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে: প্রদাহ-বিরোধী উপাদান সমূহ থাকার ফলে মুখের ভেতরের প্রদাহ, ইনফেকশন, আলসারসহ বিভিন্ন ধরণের সমস্যায় তোকমা দারুণ কাজ করে থাকে। তোকমাতে থাকা অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ফাংগাল উপাদান সমূহ থাকার ফলে মুখের ভেতর একদম ফ্রশ থাকে। বিশেষ করে মুখের ভেতর কোন ইনফেকশন, দাঁতের ক্ষয় রোগ (ক্যাভিটিজ) এবং মুখের দুর্গন্ধ তৈরি হতে পারে না। তোকমা গ্রহণে কিছু নিয়ম ও সতর্কতা: তোকমা বীজ কীভাবে গ্রহণ করা উচিৎ এবং কাদের গ্রহণ করা উচিৎ সেটা অনেকেই সঠিকভাবে জানেন না। সকলের এটা সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখা প্রয়োজন। কারণ, ভুল উপায়ে তোকমা গ্রহণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তোকমা খাওয়ার পূর্বে তোকমা বীজ পানিতে ভালোভাবে ভিজিয়ে রাখতে হবে। বীজগুলো একদম বড় হয়ে ফুলে উঠলে এরপর সেটা খাওয়া যাবে।শিশুদের তোকমা বীজ খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। যেহেতু এটা বেশ পিচ্ছিল হয়ে যায় ভেজানোর পর। গর্ভবতী নারীদের ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তোকমা গ্রহণ করা উচিৎ। প্রতিদিন তোকমা বীজ খেতে চাইলে এক চা চামচ গ্রহণ করাই যথেষ্ট।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme