শরীরের যেসব অঙ্গ বড় হলেই নারী ভাগ্যবতী ।

শরীরের যেসব অঙ্গ বড় হলেই নারী ভাগ্যবতী ।

প্রকৃতি আর পুরুষের মিলনে সৃষ্টি হয় নতুন জীবনের। আর এই প্রকৃতি হলো নারী। সৃষ্টির ক্ষমতা রাখে একজন নারী। নারীরা না থাকলে পৃথিবীতে প্রাণের সৃষ্টি হতো না। তবুও অনেকে কন্যা সন্তানকে জন্ম দিতে চায় না। এখনো অনেকে কন্যা সন্তান জন্ম দেয়াকে অ’ভিশাপ বলে মনে করে। আবার অনেক জায়গায় এর উল্টোটাও হয়। ন্যা সন্তান পছন্দ করেন আর নাই করেন নারী না থাকলে এই পৃথিবীতে মানুষের অস্তিত্ব মুছে যাবে।

আপনাদের জানাবো কোনো ধরণের নারীরা তাদের পরিবার ও স্বামীর জন্য সৌভাগ্যশালী হন। শাস্ত্রমতে, নারীদের নির্দিষ্ট কয়েকটি অঙ্গ বড় হলে তা পরিবারে সুখ-সমৃদ্ধি নিয়ে আসে। লম্বা নাক: লম্বা টিকালো নাক সৌভাগ্যবতীর লক্ষণ। এসব নারীরা সকল সমস্যার সমাধান ঠাণ্ডা মাথায় করতে সক্ষম। লম্বা চুল: যেসব মেয়েদের মাথায় লম্বা চুল রয়েছে তাদের ভাগ্যবতী বলে মনে করা হয়।

বড় চোখ: যেসব মেয়েদের চোখ বড় তারা রূপের সাথে ধন সম্পত্তির অধিকারী হয়। এরা খুব ভালো সংসারী হয় এবং স্বামীদের অ’ত্যন্ত ভালোবাসে। লম্বা আঙ্গুল: লম্বা আঙ্গুল সৌভাগ্যবতীর লক্ষণ বলে মনে করা হয়। এসব মেয়েরা বাজে খরচা না করে টাকা জমানোর চেষ্টা করে। লম্বা গলা: এই ধরনের মেয়েরা হয় কাজে কর্মে নিপুণা। এই সব মেয়েরা যে বাড়িতে যায় সেখানকার পরিবেশ আনন্দময় হয়ে ওঠে।

বৃটিশদের যৌ’নতা বিষয়ক সা’ম্প্রতিক এক জ’রিপে উঠে এসেছে যে, ত’রুণদের প্রধান আফসোসের বিষয় য’থায’থ বয়সের অনেক আগেই প্রথম যৌ’নমিলন স’ম্পন্ন করা। জ’রিপে অংশ নেওয়া কিশোর ও ত’রুণদের এক তৃতীয়াংশের বেশি না’রী এবং এক চতুর্থাংশের বেশি পুরুষ মনে করেন যে তারা প্রথম যখন যৌ’ন স’ঙ্গ’ম করেন সেটি ‘সঠিক সময়’ ছিল না।

আ’ইন অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে যৌ’নমি’লনের স’ম্মতি প্রদানের জন্য কোনো ব্যক্তিকে অন্তত ১৬ বছর ব’য়সী হতে হয়। যুক্তরাজ্যের মানুষের যৌ’ন আচরণ এবং জীবনধারা নিয়ে সা’ম্প্রতিক এক জ’রিপের ফলাফল প’র্যালোচনা করে ধারণা করা হচ্ছে যে ঐ ব’য়সে অনেকেই যৌ’নমি’লনের জন্য প্রস্তুত থাকে না। ‘ন্যাটস্যাল সার্ভে’ নামে পরিচিত এই জ’রিপটি প্রতি দশকেই পরিচালনা করা হয়ে থাকে।

লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিকাল মেডিসিনের গ’বেষকরা ২০১০ থেকে ২০১২ সালের ম’ধ্যে জ’রিপে অংশ নেওয়া ৩ হাজার ত’রুণ-ত’রুণীর দেয়া ত’থ্য ব্য’বহার করেছেন এই জ’রিপে। জ’রিপের ফলাফলঃ অংশগ্র’হণকা’রীদের দেওয়া উত্তর থেকে জা’না যায়, প্রায় ৪০% না’রী এবং ২৬% পুরুষ মনে করেন যে তাদের প্রথম যৌ’নমি’লন ‘সঠিক সময়ে হয় নি’।

এদের অধিকাংশই মনে করেন যে, কৌমার্য বা কু’মা’রী’ত্ব প’রিত্যা’গ করার আগে তাদের আরো অপেক্ষা করা উচিত ছিল। তবে স্বল্পসংখ্যক উত্তরদাতা প্রথম যৌ’ন স’ঙ্গ’ম আরো আগে সংঘটনের প’ক্ষ নেন। অধিকাংশই ১৮ বছর ব’য়স হওয়ার আগেই প্রথমবার যৌ’নমি’লনের স্বাদ নিয়েছেন – যাদের প্রায় অর্ধেক নিজেদের ষোড়শ বর্ষের শেষদিকে যৌ’ন স’ঙ্গ’ম করেছেন।

এক তৃতীয়াংশের প্রথমবার ছিল তাদের বয়স ১৬ বছর হওয়ার আগেই। ইচ্ছা ও প্র’স্তু’তিঃ জ’রিপে যৌ’নমি’লনের প্র’স্তু’তি’র বিষয়টিরও ধারণা পাওয়ার চে’ষ্টা করা হয়েছে। অর্থাৎ একজন ব্য’ক্তি সজ্ঞানে এবং স্বে’চ্ছায় প্রথমবার যৌ’ন স’ঙ্গ’ম করার যৌ’ক্তি’ক সি’দ্ধা’ন্তে স’ম্ম’ত হতে স’ক্ষ’ম কিনা – তা যাচাই করার চে’ষ্টা করা হয়েছে। উ’দাহরণস্ব’রুপ,

স’ম্ম’তি দেয়ার সময় কোনো ধরণের মা’দকের প্র’ভাবে না থাকা বা স’ঙ্গী, বন্ধুবান্ধবদের চাপে পড়ে স’ম্মতি না দেয়ার মতো বিষয়ের দিকে নজর দেয়া হয়েছে। জ’রিপে অংশ নেয়া না’রীদের প্রায় অ’র্ধেক এবং পুরুষদের প্রায় ৪০% এই ক্ষেত্রে অ’কার্যকর হয়। না’রীদের প্রতি পাঁচজনে একজন এবং পুরুষদের পুরুষদের প্রতি ১০ জনে ৪ জনই মনে করেন প্রথম মি’লনের সময় তাদের স’ঙ্গী সমান আ’গ্র’হী ছিল না।

অর্থাৎ তারা মনে করেন তাদের স’ঙ্গীরা অনেকটা চাপে পড়েই প্রথম মিলনে স’ম্মতি দিয়েছিলেন। ‘ন্যাটস্যাল সার্ভে’র প্র’তিষ্ঠাতা কায়ে উইলিংস মনে করেন কোনো ব্য’ক্তি যৌ’নমি’লনের জন্য প্র’স্তু’ত কিনা তা ব’য়সের মানদ’ণ্ডে যা’চাই করা উচিত নয়। “প্রত্যেক ত’রুণই আলাদা – কেউ ১৫ বছর বয়সেও যৌ’নমি’লনের জন্য প্র’স্তু’ত হয়, আবার অনেক ১৮ বছর ব’য়সীও প্র’স্তু’ত না থাকতে পারেন”, বলেন মি. উইলিংস।

সহ-গবেষক মেলিসা পামার বলেন, “আমাদের পাওয়া তর্থ বি’শ্লেষণ যা’চাই করে ধা’র’ণা করা যায় যে, প্রথম যৌ’নমি’লনের স’ম্মতি দেয়ার ক্ষেত্রে উঠতি ব’য়সী ত’রুণদের চেয়ে ত’রুণীরা অপেক্ষাকৃ’ত বেশি চাপের মধ্যে থাকে।” তিনি বলেন ত’রুণ-ত’রুণীরা যেন প্রথম যৌ’নমি’লনের ক্ষেত্রে নিজেদের মধ্যে আলোচনার মা’ধ্য’মে ইতিবাচক ও নিরাপদ যৌ’ন স’ঙ্গমের নি’শ্চয়তা পায়,

সেদিকে লক্ষ্য রেখে স্কুলগুলোর যৌ’নতা বিষয়ক পাঠ্যসূচি সাজানো প্রয়োজন। কখন সঠিক সময়? আপনি যদি মনে করেন যে আপনার যৌ’ন স’ঙ্গ’মে’র স’ম্ভাবনা রয়েছে, তাহলে আগে নিজেকে এই প্রশ্নগুলো করুন। আমি কি সঠিক কাজ করতে যাচ্ছি? আমি কি আমার স’ঙ্গীকে ভালোবাসি? আমার স’ঙ্গীও আমাকে সমান পরিমাণ ভালোবাসে?

যৌ’ন সংক্রা’ম’ক রো’গ প্র’তিরো’ধে’র উদ্দেশ্যে আমি কি স’ঙ্গীর সাথে সুর’ক্ষার বিষয়ে আলোচনা করেছি? আলোচনা কি য’থায’থ ছিল? যৌ’ন মি’লনের ক্ষেত্রে হঠাৎ মত পরিবর্তন হলে যে কোনো সময় কি আমি ‘না’ বলতে পারবো? সেই সি’দ্ধা’ন্তে আমি ও আমার স’ঙ্গী দুজনেই কি স’ন্তু’ষ্ট থাকবো? এই সব প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে হয়তো আপনি যৌ’নমি’লনের জন্য প্র’স্তু’ত।

কিন্তু নিচের কোনো প্রশ্নের উত্তর যদি হ্যাঁ হয়, তাহলে আপনি প্র’স্তু’ত নাও হতে পারেন: আমি কি আমার স’ঙ্গী বা ব’ন্ধুবা’ন্ধবের কাছ থেকে কোনো ধ’রণের চাপ অ’নুভব করছি? যৌ’নমি’লনের পরে কী আমার ম’ধ্যে কোনো ধ’রণের আ’ক্ষে’প জন্ম নিতে পারে? আমি কি আমার বন্ধুদের সাথে তাল মিলাতে যৌ’ন স’ঙ্গ’ম করার কথা চিন্তা করছি? আ’মি কি আ’মার স’ঙ্গীর সাথে স’ম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে যৌ’নমি’লনে আগ্রহী হচ্ছি?

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme