সর্বশেষ আপডেট
প্রেমিককে পেতে কনকনে শীতে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসলো ১৪ বছরের কিশোরী । আমাদের নিয়ে আযহারী হুজুর ছাড়া আর কেউ এমন কথা বলেনিঃ হিজড়া প্রধান । প্রভাকে বিয়ে করলেন ইন্তেখাব দিনার । বিয়েতে সৌদি নারীদের পছন্দের শী’র্ষে বাংলাদেশি পুরু’ষরা । আজ ১৯/০১/২০২০ তারিখ, দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত । দেহ ব্যবসা করতে করতে যেভাবে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হলেন আলিয়া । শারীরিক সম্পর্কে মোটা পুরুষেরা বেশি সক্রিয়, বলছে গবেষণা । ওয়াজে তারেক মনোয়ারের বক্তব্য নিয়ে ফেসবুকে তুমুল আলোচনা । পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে গিয়ে যেভাবে খু’ন করা হল গৃহবধূকে । ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে হচ্ছেনা এসএসসি পরীক্ষা ।
রুম্পার কবরের সামনে বসে কাঁদছেন পুলিশ কর্মকর্তা বাবা ।

রুম্পার কবরের সামনে বসে কাঁদছেন পুলিশ কর্মকর্তা বাবা ।

রাজধানী ঢাকার স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির নি’হত শিক্ষার্থী রুবাইয়াত শারমিন রুম্পার গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের সদর উপজে’লার বিজয়নগরে চলছে শোকের মাতম।মেয়ের কবরের সামনেই বসে অঝোরে কাঁদছেন পু’লিশ কর্মক’র্তা বাবা মো. রুককুন উদ্দিন।রুম্পার মৃ’ত্যুকে হ’ত্যাকা’ণ্ড দাবি করে জ’ড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তির দাবি জানান স্বজনরা।

মেয়ের শোকে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন মা নাহিদা আক্তার পারুল। স্বজনরা তাকে সান্ত্বনা দিয়েও কা’ন্না থামাতে পারছেন না। দুদিন ধরে কিছুই খাননি। শারীরিকভাবে অ’সুস্থও হয়ে পড়েন।তিনি বারবার চি’ৎকার করে বলেন, জরুরি কাজের কথা বলে গেলো, ফিরলো লা’শ হয়ে। আমা’র মেয়েকে কতো ক’ষ্ট দিয়ে ওরা মে’রেছে। ম’রার সময় মেয়েটা কতবার জানি, মা-মা বলে চি’ৎকার করেছে।

তিনি আরও বলেন, ইউনিভার্সটিতে ছাত্রছাত্রীদের শিফট আলাদা হওয়ায় দুদিন ধরে মেয়ের মনও খা’রাপ ছিল। তার সঙ্গে কারো বিরোধ ছিল কি, না তা বলতে পারছি না। নাহিদা আক্তার পারুল বলেন, বুধবার সকালে ডিম ভাজি করে নিজ হাতে খাইয়ে দিয়েছি। এটাই যে শেষ খাওয়া কে জানতো? সন্ধ্যায় তার চাচাতো ভাই শুভর নিকট ব্যাগ-মোবাইল দিয়ে চলে যায়।

বাসার দ্বিতীয় তলাও রুম্পা উঠেনি। এমন কী’ জরুরি কাজ ছিল? যার জন্য এতো দ্রুত ছুটে যায়। দিন-রাত অ’পেক্ষায় ছিলাম- এইতো মেয়ে ফিরবে-ফিরে আসবে। এলো লা’শ হয়ে; আমা’র মেয়েকে কেন মে’রে ফেললো, আমি বিচার চাই, বিচার চাই। গত বুধবার রাতে রাজধানীর ইনার সার্কুলার রোড থেকে রুম্পার লা’শ উ’দ্ধার করে পু’লিশ।

এরপর ময়নাত’দন্ত শেষে শুক্রবার ভোর ৫টায় রুম্পার লা’শ গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের বিজয়নগরে নিয়ে আসা হয়। সেখানে বেলা ১০টায় জানাজা শেষে পারিবারিক গোরস্থানে দাদী রুবিলা খাতুনের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।শুক্রবার বিকালে বিজয়নগর গ্রামে গিয়ে দেখা যায় রুম্পার বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

মেয়ের কবরের সামনেই বসে অঝোরে কাঁদছেন পু’লিশ কর্মক’র্তা বাবা মো. রুককুন উদ্দিন। স্বজনরা তাকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন। কা’ন্নাজ’ড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, যার যায় সেই বুঝে। আমি মেয়ে হারাইনি, আমি আমা’র সর্বস্ব হা*রিয়েছি। কত ক’ষ্ট করে মেয়েকে লালন-পালন করে বড় করেছি। সামনে কত সুন্দর ভবিষ্যৎ পড়েছিল তার।

অথচ তার আগেই মেয়েকে পৃথিবী থেকে চলে যেতে হলো।রুম্পার ফুফু চামেলী খাতুন জানান, কারো সঙ্গে স’ম্পর্ক ছিল কিনা, জানি না। এভাবে একটা মেয়েকে মে’রে ফেলবে? আম’রা হ’ত্যাকারীদের ফাঁ’সি চাই।রুম্পার বাবা মো. রুককুন উদ্দিন হবিগঞ্জ জে’লার পু’লিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক হিসাবে কর্ম’রত। মা নাহিদা আক্তার পারুল গৃহিণী।

এক ভাই ও এক বোনের রুম্পা সবার বড়। রুম্পা ২০১৪ সালে রাজারবাগ পু’লিশ লাইনস্ স্কুল থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি, ২০১৬ সালে ভিকারুন্নিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজ থেকে জিপিএ-৫ এইচএসসি উত্তীর্ণ হন।রুম্পা স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। আর ছোট ভাই আশরাফুল আলম রাজধানীর ঢাকার ন্যাশনাল আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজে উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত।

রাজধানী ঢাকার শান্তিবাগে একটি ফ্ল্যাটে মায়ের সঙ্গে থেকে পড়াশোনা করতেন রুম্পা ও তার ছোট ভাই। পড়াশোনার পাশাপাশি রুম্পা টিউশনি করাতেন।গত বুধবার টিউশনি শেষে বাসায় ফেরার পর রুম্পা। এরপর বাইরে কাজ আছে বলে আবার বাসা থেকে বের হন। কিন্তু এরপর রাতে আর বাসায় ফিরেননি। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তার সন্ধান পাননি।বৃহস্পতিবার রুম্পার মা-সহ স্বজনরা রমনা থা*নায় গিয়ে লা’শের ছবি দেখে তাকে শ*নাক্ত করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme