সর্বশেষ আপডেট
মা হারানো শিশুটির দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন উপমন্ত্রী শামীম । #জরুরী_আবহাওয়া_বার্তাঃ তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, তীব্র শীতের আভাস মা হারানো শিশুটির দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন উপমন্ত্রী শামীম নাদিয়ার মা-বাবার খোঁজ মিলছেই না আপনার একটি শেয়ারে হয়ত নাদিয়া ফিরে পাবে ওর বাবা মাকে । এমপি নিজেও কাঁদলেন, প্রধানমন্ত্রীকেও কাঁদালেন । গা’জা থেকে রকেট বৃষ্টি শুরু, আত’ঙ্কে দিশেহারা ইস’রাইল । ইরফান পাঠানের স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রীদের থেকেও সুন্দরী, ছবিসহ । যে কাজ করায় প্রশংসায় ভাসছেন ওসি মেহেদী হাসান… ফাঁ’সির মঞ্চের কাছাকাছি ১২ আ’সামি । আবরার হ,ত্যা মামলার চার্জশিট জমা, যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মনিরের জবানব’ন্দিতে আবরার হ’ত্যায় নতুন মোড় ।

মনিরের জবানব’ন্দিতে আবরার হ’ত্যায় নতুন মোড় ।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হ’ত্যা মা’মলার এজাহারভুক্ত আ’সামি মনিরুজ্জামান মনির গ্রে’প্তারের পর মঙ্গলবার আ’দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছেন। এতে করে মোড় নিয়েছে আবার অন্যদিকে।১৬৪ ধারায় দেয়া জবানব’ন্দিতে মনির জানায়, আবরারকে কক্ষ থেকে ডেকে এনে সে চড়-থাপ্পর মে’রেছে। আর সবচেয়ে বেশি পি’টিয়েছে ছাত্রলীগ নেতা অনিক ও সকাল।

ত’দন্ত কর্মক’র্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. সারাফুজ্জামান আনছারী আ’সামি মনিরুজ্জামান মনিরের এ স্বীকারোক্তি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আ’দালত।জবানব’ন্দিতে মনির বলেন, ‘১৫তম ব্যাচের বড় ভাইরা ডাকতে বলেছিলেন। অনিক, রবি ও রাসেলের নির্দেশে আমি আবরারকে তার রুম থেকে ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে যাই।

সেখানে অনিক ও রবিন ছাড়াও আরও অনেকে উপস্থিত ছিল। আবরারের মোবাইল ফোন, ল্যাপটপে থাকা তথ্য দেখে আবরারকে শিবির হিসেবে সন্দেহ করা হয়। এরপর আবরারের কাছ থেকে হলে আরও কারা কারা শিবিরের ঘনিষ্ঠ জানতে চাওয়া হয়।’ ‘এ সময় প্রথমে চুপ থাকলে তাকে প্রথমে হুমকি-ধমকি দেয়া হয়। এরপর তাকে যে যার মতো চড়-থাপ্পড় মা’রে।

এক পর্যায়ে অনিক স্টাম্প দিয়ে আবরারকে পে’টাতে থাকে। ওই সময় আমিও আবরারকে চড়-থাপ্পড় মা’রতে থাকি।’মনির স্বীকারোক্তিতে আরও বলেন, ‘সকাল, জিসান, তানিম, সাদাত, মোরশেদ বিভিন্ন সময় ওই কক্ষে আসে এবং আবরারকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে পে’টায়।’ ‘মোয়াজ, বিটু, তোহা, বিল্লাহ ও মোজাহিদও ঘুরে-ফিরে এসে আবরারকে পে’টায়। একপর্যায়ে আবরার নিস্তেজ হয়ে পড়ে। কয়েকবার বমিও করে।

একপর্যায়ে আবরারকে ধ’রাধরি করে তানিম, মেয়াজ, জেমি সিঁড়ির দিকে নিয়ে যায়। পেছনে মোরশেদ, মুজাহিদ, তোহা, বিল্লাহ, মাজেদও ছিল। পরে ডাক্তার ডা’কা হয়। ডাক্তার এসে বলেন, আবরার মা’রা গেছে।’ এদিকে আবরার হ’ত্যার ঘটনায় এজাহারভুক্তহ আরো একজনকে গ্রে’প্তার করেছে পু’লিশ। তার নাম এএসএম নাজমু’স সাদাত। তিনি বুয়েটের যন্ত্রকৌশল বিভাগের ১৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক ছিলেন।

গতকাল ভোরে দিনাজপুরের বিরামপুর উপজে’লার কাটলা ইউনিয়ন সংলগ্ন সততা সার্বিক গ্রাম উন্নয়ন সমবায় সমিতির অফিস থেকে তাকে গ্রে’প্তার করা হয়। স্থানীয় পু’লিশের সহায়তায় ঢাকার ডিবি পু’লিশ তাকে গ্রে’প্তার করে। গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত সাদাতসহ এই ঘটনায় ২০ জনকে গ্রে’প্তার করল ডিবি। এর মধ্যে ১৬ জন এজাহারভুক্ত আ’সামি। এজাহারভুক্ত তিন জন এখনো গ্রে’প্তার হয়নি।

রা সবাই প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আবরার হ’ত্যাকা’ণ্ডে জ’ড়িত রয়েছেন বলে প্রাথমিক ত’দন্তে তথ্য পাওয়া গেছে।এরা হলেন- মো. জিসান, মো. মোর্শেদ ও মো. তানিম। গ্রে’প্তারকৃতদের মধ্যে ছয় জনকে এখন জিজ্ঞাসাবাদ করছে ডিবি। মনিরুজ্জামানসহ আবরার হ’ত্যা মা’মলায় এ পর্যন্ত ছয় জন আ’দালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানব’ন্দি দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, গত ৬ অক্টোবর রাত ৮টার পর ২০১১ নম্বর কক্ষে আবরারকে আনার পর তাকে শিবির বলে সন্দেহ করে স্টাম্প দিয়ে সবাই মিলে পে’টায়। মুজাহিদ ও কয়েকজন স্কিপিং দড়ি দিয়েও পে’টান। সেখানেই তার মৃ’ত্যু হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme