সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
অসুস্থ মাকে মাজারে ফেলে পালালো সন্তানরা ।

অসুস্থ মাকে মাজারে ফেলে পালালো সন্তানরা ।

যে মা নিজের গর্ভে ধারণ করে সন্তানদের পৃথিবীর আলোর মুখ দেখিয়েছেন, সেই অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে সিরাজগঞ্জে এক মাজারের সামনে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়েছে সন্তানরা।

শুক্রবার (১১ অক্টোবর) সকালে মামুন বিশ্বাস নামে এক মানবতার ফেরিওয়ালা ওই অসুস্থ বৃদ্ধা মাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুলন্নেসা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।

এর আগে, গত ৫ অক্টোবর সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার হাবিবুল্লানগর বাদলবাড়ি মাজারের কাছে রাস্তায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তার সন্তানরা।

মানবতার ফেরিওয়ালা মামুন বিশ্বাস বলেন, একটানা পাঁচদিন ওই বৃদ্ধা মা অসুস্থ অবস্থায় মাজারের সামনের রাস্তায় মাটিতে পড়ে ছিলো। এতে করে তিনি খেতে না পেরে গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে এলাকার পরিচিত যুবক ইমন, সুজন ও লোকমানের সহায়তায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করা হয়।

পরে ওই মাকে এ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের পাঁচতলার মহিলা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, অসুস্থ মা তার নাম-পরিচয় বলতে পারছেন না। তবে তিনি শুধু বলতে পারছেন গাড়িতে করে তার সন্তানরা তাকে মাজারের সামনের রাস্তায় ফেলে চলে গেছে।

সুজন বলেন, পৃথিবীতে কোন সন্তান যেন মায়ের প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা না করে। যদি কোন কুলাঙ্গার সন্তান এমন ঘটনা ঘটায় তাকে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুলন্নেসা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. রোকন উদ্দিন বলেন, বৃদ্ধার শরীরের অবস্থা বর্তমানে ভাল আছে। তবে তিনি মানসিকভাবে খুবই ভেঙে পড়েছেন।

অন্যরা যা পড়ছে… শুক্রবার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন ভারতীয় অ্যানিমেশনের জনক হিসেবে পরিচিত রাম মোহন। তিনি বাংলাদেশে জনপ্রিয় শিশুতোষ কার্টুন ‘মীনা’র অন্যতম পরিচালক। রাম মোহনের বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর। তার মৃ’ত্যুর খবর প্রকাশ করেছে অ্যানিমেশন এক্সপ্রেসের ওয়েবসাইট। তবে সেখানে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি।

রাম মোহন ১৯৩১ সালে জন্মগ্রহণ করেন। মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন তিনি। ১৯৫৬ সালে ভারত সরকারের চলচ্চিত্র বিভাগের কার্টুন ফিল্ম ইউনিটে যোগ দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন রাম মোহন।

১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন মুম্বাই-ভিত্তিক অ্যানিমেশন কোম্পানি গ্রাফিতি মাল্টিমিডিয়া। এই প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান ও চিফ ক্রিয়েটিভ অফিসার ছিলেন তিনি। ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন গ্রাফিতি স্কুল অব অ্যানিমেশন।

রাম মোহন ছোট ও বড় দৈর্ঘ্যের অনেকগুলো অ্যানিমেশন ছবি ও সিরিজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বি আর চোপড়ার ‘পতি পত্নী আউর ওহ’, সত্যজিৎ রায়ের ‘সাতরঞ্জ কে খিলাড়ি’, মৃণাল সেনের ‘ভুবন সোম’সহ বেশ কিছু চলচ্চিত্রে অ্যানিমেশনের কাজ করেন তিনি।

১৯৯১ থেকে ২০০১ সালের মধ্যে ‘মীনা’ কার্টুনের ষোলোটি পর্ব পরিচালনা করেন রাম মোহন। এই প্রজেক্টের সঙ্গে যুক্ত ছিল ইউনিসেফ ও বাংলাদেশের টুনবাংলা। এই সিরিজের জন্য ১৯৯৬ সালে কমিউনিকেশন আর্টস গিল্ডের দেওয়া হল অব ফেইম অ্যাওয়ার্ডে আজীবন সম্মাননা লাভ করেন।

‘মীনা’ কার্টুন মূলত বাংলায় নির্মিত টিভি শো। যা ইংরেজি, হিন্দি, উর্দু, নেপালি, পশতু, ফারসি ও পর্তুগিজ ভাষাতেও প্রচার হয়। এর মাধ্যমে অনেক দেশে ছড়িয়ে পড়ে রাম মোহনের নাম। রাম মোহন তিনবার ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন। এ ছাড়া দেশটির চতুর্থ বেসামরিক সম্মাননা পদ্ম শ্রী লাভ করেন।

এদিকে রাম মোহনের মৃ’ত্যুতে ভারতের অ্যানিমেশন জগতে শো’কের ছায়া নেমে এসেছে। এই শিল্পের অনেকেই ইতিমধ্যে শোক প্রকাশ করেছেন। স্মরণ করেছেন রাম মোহনের অবদান।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]