সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
কনের আসনে ভাবি, ৫ হাজার টাকা জরিমানা ।

কনের আসনে ভাবি, ৫ হাজার টাকা জরিমানা ।

নাটোরের গুরুদাসপুরে জাঁকজমকভাবে চলছিল বিয়ের অনুষ্ঠান। আত্মীয় ও স্বজনদের আনন্দ যেন ধরছিল না। কিন্তু সে আনন্দে পানি ঢেলে দিল প্রশাসন।শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের যোগেন্দ্রনগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।এদিকে খবর পেয়ে বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠানে হাজির হলেন গুরুদাসপুর সহকারী কমিশনার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান।

প্রশাসনের গাড়ি দেখে মুহূর্তের মধ্যেই বদলে গেলো কনে। শুধু তাই নয় যে ইমাম কবুল পড়াবেন তিনি এসিল্যান্ডকে দেখেই ভো দৌড়। কনের জায়গায় কনের ভাবিকে বসিয়ে শুরু হয় নাটকীয় অভিনয়। ওই কনের ভাবীকে কনে বলে পরিচয় দিলে তাকে এবং কনের ভাইকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসা হয় উপজেলায়।জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, কনে বিউটিকে পালিয়ে দিয়ে তার ভাবি শ্রাবনী কনে সেজে কনের জায়গায় বসেছিলেন।

জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের যোগেন্দ্রনগর গ্রামে দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১৬ বছরের এক ছাত্রীর বিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জানিয়ে ফোন করা হয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার তমাল হোসেনের কাছে। পরে তার খবরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান ওই বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে কনেকে না পেয়ে কনে সেজে বসে থাকা কনের ভাবি ও তার ভাইকে আটক করে নিয়ে আসে।

পরে তাদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।এদিকে নাটোরের গুরুদাসপুরে বাল্যবিয়ের অনুষ্ঠান থেকে মিম (১৩) ও মানিক নামে বর-কনে আটক করেছে সহকারী কমিশনার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খান।মিম ওই গ্রামের মিলন প্রামানিকের মেয়ে। সে কাছিকাটা স্কুল এ্যান্ড কলেজ থেকে ২০১৯ সালে জেএসসি পরীক্ষা দেবে বলে জানা গেছে।জানা গেছে, শুক্রবার রাত আটটার দিকে ৯৯৯ নম্বরের মাধ্যমে তথ্য পেয়ে মশিন্দা ইউনিয়নের রানী গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।

ওই সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে সবাই পালাতে সক্ষম হলেও বর-কনেকে আটক করা হয়। ওই সময় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা নিলুফার ইয়াসমিন ও এস আই লেবু মিয়াসহ কয়জন পুলিশ সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

খোকসায় প্রেম করে বিয়ের ৩ দিনের মাথায় পাপিয়া খাতুন নামের এক নবগৃহবধূ গলায় ফাঁ স দিয়ে আত্মহ’ত্যা করেছেন। গত বৃহস্পতিবার রাতে বাবার বাড়িতে ওড়না দিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁ’স নেন তিনি। পাপিয়া খোকসা সরকারি ডিগ্রি কলেজের অনার্স তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন আ’ত্মগোপন করেছে।

পাপিয়ার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার মির্জাপুরের রাজ্জাক বিশ্বাসের ছেলে ও খোকসা সরকারি ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থীর শামীম রেজার সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেম চলছিল পাপিয়ার। গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে পাপিয়ার বাবার বাড়ি উপজেলার হিলালপুর গ্রামে শামীমের সঙ্গে তার বিয়ে হয়। কিন্তু এ বিয়ে মেনে নেয়নি শামীমের পরিবার। বৃহস্পতিবার বিকেলে পাপিয়াকে রেখে নিজ বাড়িতে যান শামীম। এরপর গভীর রাতেও ফিরে না আসায় দু’জনের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে রাতেই ওড়না দিয়ে ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস নেন পাপিয়া।

সকালে পরিবারের লোকেরা ডাকাডাকি করে সাড়া না পেয়ে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে পাপিয়ার নিথর দেহ ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখেন। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ গিয়ে লা’শ উদ্ধার করে। পাপিয়ার বাবা ওমর আলী জানান, তার মেয়েকে রেখে শামীম পালিয়ে বাড়ি চলে যাওয়ায় পাপিয়া আত্মহ’ত্যা করেছে।এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য শামীমের মোবাইল ফোনে কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। মির্জাপুরে তাদের বাড়িতে গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি। ঘরের দরজায় তালা লাগিয়ে সবাই আ’ত্মগোপনে গেছেন বলে প্রতিবেশীরা জানিয়েছে। খোকশা থানার এসআই বুলবুল আহমেদ বলেন, এ ব্যাপারে অপমৃ’ত্যুর মামলা হয়েছে। লা’শ ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ম’র্গে পাঠানো হয়েছে।

আরো জানুন… সিলেটের বিয়ানিবাজারের মাথিউরা ইউনিয়নে খালাকে নিয়ে উধাও হয়ে গেছেন লিটন আহমেদ (২৭) নামের এক তরুণ। লিটন মাথিউরা ইউনিয়নের পুরুষপাল গ্রামের খছরু মিয়ার ছেলে।

গত বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, লিটন যাকে নিয়ে পালিয়ে যায় সেই তরুণী লিটনের মায়ের আপন চাচাতো বোন। গত ২৭ সেপ্টেম্বর তার বিয়ের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু ২৬ সেপ্টেম্বর রাতেই গায়ে হলুদ শেষে তাকে নিয়ে উধাও হয়ে যান লিটন। ঘটনার চারদিন পেরিয়ে গেলেও উধাও হওয়া যুগলের এখনও খোঁজ মিলেনি। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

এদিকে জানা যায়, লিটনের মা মরিয়ম বেগম ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত ওয়ার্ডের সদস্য। শিশু বয়সে লিটনের মায়ের বিয়ে বিচ্ছেদ হয়। তখন থেকে সে তার মায়ের সাথে নানাবাড়ি থাকতো। অনেক কষ্ট করে মা লিটনসহ তার ভাইবোনদের বড় করে তোলেন। ঘটনার পর থেকে বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন তার মা মরিয়ম বেগম।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]