সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
রাব্বি ভাই তুই কেমন আছিসঃ আবরারের দাদা ।

রাব্বি ভাই তুই কেমন আছিসঃ আবরারের দাদা ।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ রাব্বির দাদা কবর ছুঁয়ে চারপাশ ঘোরেন আর বলতে থাকেন, রাব্বি ভাই, রাব্বি ভাই তুই কেমন আছিস।

শুক্রবার বাদ জুমা আবরারের কবরের সামনে রায়ডাঙ্গা জামে মসজিদে কুলখানির আয়োজন করে আবরারের পরিবার। কুলখানি শেষে খুড়িয়ে খুড়িয়ে মসজিদের সামনে আবরারের কবরের কাছে ছুটে যান তার দাদা আব্দুল গফুর।

কুলখানিতে রাজনৈতিক কোনো নেতা উপস্থিত না থাকলেও রায়ডাঙ্গাবাসীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করে। এ সময় আবরারের পিতা বরকতুল্লাহ, ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজ, দাদা আব্দুল গফুর ৫ চাচাসহ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আবরার ফাহাদের গ্রাম রায়ডাঙ্গা এক সময়ের বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। এই গ্রামে আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে পরিচিত দু-একটি বাড়ির মধ্যে একটি আবরারের দাদা আব্দুল গফুরের বাড়ি অন্যতম।

আওয়ামী লীগের প্রথম দিকে এবং দুঃসময়ে গফুরের বাড়ি ছিল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের যোগাযোগের স্থান। বঙ্গবন্ধুর সহযোগী কুমারখালীর সাবেক এমপি মরহুম কিবরিয়া এই বাড়িতে অনেকবার মিটিং করেছেন।

অনেকে ব্যঙ্গ করে বলেন, শেখ হাসিনার রাজনীতিতে আসার অনেক আগে থেকেই বিশ্বাস বাড়ির মানুষেরা আওয়ামী লীগের সমর্থক ছিলেন। বিপদে আপদে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ভরসার স্থান ছিল এই বাড়িটি। আব্দুল গফুরের সেই তেজ আজ আর নেই। বয়সের ভারে নুইয়ে পড়েছেন। ঠিকমত হাঁটতে ও কথা বলতে পারেন না। সেই প্রিয় দলের ছাত্র সংগঠনের হাতে তার প্রিয় সম্পদকে হারিয়ে শেষ বয়সেও নিজেকে মেনে নিতে পারছেন না তিনি।

কুলখানি শেষে খুড়িয়ে খুড়িয়ে মসজিদের সামনে আবরারের কবরের কাছে গিয়ে হাও মাও করে কাঁদতে কাঁদতে তিনি বলেন, আমার নাতি রাব্বিকে (আবরার ফাহাদের পারিবারিক নাম) তারা পিটিয়ে মেরেছে। কি কষ্ট না পেয়েছে সে।

যদি অসুখে মা’রা যেত তাহলে স্বাভাবিক, কিন্তু একটা লোককে যদি পিটিয়ে মা’রা হয় তাহলে কি কষ্ট হয়। আল্লাহ যেন তার আত্মাকে জান্নাতবাসী করেন। আবরারের বাবা বরকতুল্লাহ বলেন, আমার ছেলের জন্য সবাই দোয়া করবেন।

আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী করে। আমার ছেলে কোনো দিন কারো স’ঙ্গে খারাপ ব্যবহার তো দূরের কথা, জোরে কথা বলেনি। নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করত। পরে তার এক প্রাইভেট শিক্ষকের সঙ্গে সে নামাজ ও তাবলীগে মনোযোগী হয়। আর তার স’ঙ্গেই এমনটি হলো।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]