সর্বশেষ আপডেট
পবিত্র কোরআনের হাফেজের মুখে লাথি মেরেছিল বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি । মা’রতে মা’রতে ঘে’মে যায় অনিক, পা ধরে অ’নুনয় করেছিলো আবরার । যৌ’নপল্লীতে যাওয়া পুরুষদের গোপন তথ্য ফাঁ’স । গাছে ঝুলন্ত শিশুর পেটে বিদ্ধ দুটি ছুরিতে দুজনের নাম । দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো থাকলে বিনা মূল্যে হজ্জ পালনের সুযোগ দিতামঃ ইমরান খান । হাজারো ভক্তের হৃদয় ভেঙে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সাবিলা নূর । বিসিএস সিলেবাস, যার শুরু আছে কিন্তু শেষ বলে কিছু নেই । লাক্স সুন্দরী এখন স্বামীসহ বিসিএস ক্যাডার । আবরার ফাহাদকে নিয়ে ভারতীয় তরুণীর যে হৃ*দয়*স্পর্শী স্ট্যাটাস ভা*ইরাল । চোখে নেই আলো, কুরআনের আলোয় আলোকিত ওরা তিন হাফেজ ।
৬ ঘণ্টা ধরে নি’র্যা’ত’ন, এটা পরিকল্পিত হ*ত্যা*কা*ণ্ডঃ আবরারের বাবা ।

৬ ঘণ্টা ধরে নি’র্যা’ত’ন, এটা পরিকল্পিত হ*ত্যা*কা*ণ্ডঃ আবরারের বাবা ।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পরিকল্পিতভাবে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ্। আজ (মঙ্গলবার) সকালে তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। যে ছেলেটা বিকেল ৫টায় ঢাকায় পৌঁছাল,

তাকে ৮টার দিকে নির্যাতন করার জন্য ডেকে নিয়ে গেল। ছয় ঘণ্টা ধরে নির্যাতন চালাল, এটা অবশ্যই পরিকল্পিত।’ এদিকে আবরারের চাচা বলেন, ‘এ ঘটনায় কোনো নেতার ইন্ধন রয়েছে। কেননা দু-একজন নয়,

সেখানে ১৫ জনেরও বেশি ছেলে হত্যায় অংশ নিয়েছে। পরিকল্পিত ছাড়া এতজন কাউকে মারতে পারে না। হাইকমান্ডের নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড হয়েছে।’ সকাল পৌনে ৮টার দিকে আবরারের মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি কুষ্টিয়ার রায়ডাঙ্গা গ্রামে পৌঁছালে হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।

সেখানে হাজারও মানুষ জড়ো হন। প্রতিবেশী-স্বজনদের সঙ্গে পুলিশ সদস্যদেরও কাঁদতে দেখা যায়। এর আগে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে আবরারের মরদেহ কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই সড়কের বাড়িতে নিয়ে আসা হয়।

সেখানে সকাল সাড়ে ৬টায় তার দ্বিতীয় জানাজা হয়। বেলা ১০টার পর আবরারের তৃতীয় জানাজা হবে। এরপর দুপুরে গ্রামের গোরস্থানে দাফন করা হবে। উল্লেখ্য, রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবরারকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা

মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। আবরার হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে শনাক্ত করে বুয়েটের ৯ জন ছাত্রলীগ নেতাকে পুলিশ আটক করেছে।

এ ঘটনায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী চকবাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আসামি করা হয়েছে ১৯ জনকে। এছাড়া বুয়েট ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সহ-সভাপতিসহ কমিটির ১১ জন নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের হত্যাকাণ্ডের ঘটনার প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে তাদের বহিষ্কার করা হয়।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নির্যাতনে নিহত বুয়েটের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৬টায় কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডস্থ আল-হেরা জামে মসজিদে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে বুয়েটের কেন্দ্রীয় মসজিদের সামনে আবরার ফাহাদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে মরদেহবাহী গাড়িতে করে আবরার ফাহাদের মরদেহ তার নিজ গ্রাম কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গায় আনা হয়।

আবরারের ছোট ভাই ফাইয়াজ জানিয়েছেন, সকাল ১০টায় ৩য় জানাজা শেষে কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা কবরস্থানে আবরারের মরদেহ দাফন করা হবে।

উল্লেখ্য, রোববার (৬ অক্টোবর) দিবাগত মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবরারকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের তৃতীয় জানাজা শেষে তাকে গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার রায়ডাঙ্গা গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) সকাল ১০ টায় জানাজা শেষে তার দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়।

এর আগে, ভোর সাড়ে ৫ টায় আবরারকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সটি কুষ্টিয়া শহরের পিটিআই রোডে তার বাসার সামনে পৌঁছায়। এ সময় কান্নায় ভেঙে পড়েন তার বাবা-মাসহ আত্মীয়স্বজন। আবরারের মৃত্যুতে এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। এমন মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না কেউ।

এরপর সকাল ৮ টার দিকে শহরের পিটিআই রোডের বাসার সামনে আবরারের দ্বিতীয় জানাজা হয়। এতে স্বজন ও প্রতিবেশীসহ এলাকার নানা শ্রেণি-পেশার অসংখ্য মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে আবরারের মরদেহ গ্রামের বাড়ি কুমারখালী উপজেলার রায়ডাঙ্গা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।

উল্লেখ্য, রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। ওইদিন রাত ৩ টার দিকে শের-ই-বাংলা হলের প্রথম ও দ্বিতীয় তলার সিঁড়ির মধ্যবর্তী জায়গায় আবরারের নিথর দেহ পাওয়া যায়। তার শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহ্ন ছিল। আবরার ফাহাদ বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১ এর ছাত্র ছিলেন।

অকালেই তুলে ফেলা হল একটি পাপড়ি। যে পাপড়ি থেকে হয়তো ফুল হয়ে সুগন্ধ ছড়াতো সারাদেশে। কিন্তু সে সুযোগ দেয়া হল না বুয়েটের তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের মেধাবী (১৭তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে। নিষ্ঠুররা পিঠিয়ে হত্যা করেছে তাকে।

জানা গেছে, আবরার ফাহাদ বুয়েটের শের-ই–বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। সেই কক্ষে সবাই থাকলেও এখন নেই আবরার। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কক্ষের ভেতর পরে আছে আবরারের ব্যবহৃত জিনিসপত্র। এরমধ্যে ফাহাদ লেখা ট্রাংকটাও আছে। কক্ষের ভেতর পড়ার টেবিলস সবকিছু থাকলেও শুধু নেই আবরার ফাহাদ।

প্রতিদিন যে কক্ষে বই বিয়ে ব্যস্ত থাকতেন আবরার সে কক্ষ আজ নিশ্চুপ। আবরারের বিদায়ে যেন কক্ষের ভেতরেও শোকের মাতম। এদিকে, মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামের নিজ বাসার সামনে আবরারের তৃতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় রায়ডাঙ্গা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

কুষ্টিয়ার আফসার উদ্দিন গার্লস ফাজিল মাদরাসার ভাইস প্রিন্সিপাল রেজাউল করিম এই জানাজা পড়ান। এতে সহস্রাধিক মানুষ অংশ নেন। সবাইকে কাঁদিয়ে দুনিয়া ছেড়ে বিদায় নিলেন আবরার। তার এ অকালে চলে যাওয়ার শোক সইবেন কিভাবে তারা প্রিয়জনরা?

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছে, দলীয় পরিচয়ে অপকর্ম, দুর্নীতি ও স’ন্ত্রাসের সঙ্গে জড়িত থাকলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না, ভবিষ্যতেও হবে না। আজ ৮ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১টায় ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ বৃহত্তম প্রাচীন রাজনৈতিক দল। ক্ষমতাসীন দলে সবসময়ই কিছু আগাছা-পরগাছা ঢুকে পড়ে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, এদের এসব অপকর্মের বিরুদ্ধে দলীয় অবস্থান কী?

এ বিষয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কঠোর অবস্থান নিয়েছেন। অপকর্ম করলে সাংগঠনিকভাবে ও আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, হবে।’ এ সময় বিএনপি আমলের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি আজ বড় বড় কথা বলে। তাদের আমলে এ ধরনের অনেক ঘটনা ঘটেছে।

কিন্তু, তৎকালীন সরকার তাদের বিষয়ে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে, এমন উদাহরণ নেই। এ সময় বর্তমানে ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে কাদের বলেন, ‘ছাত্রলীগ শুধু খারাপ কাজ করছে না, অনেক ভালো কাজও করছে। গুটিকয়েক সদস্যের অপকর্মের দায়ে সমস্ত ছাত্রলীগকে দোষ দেওয়া যাবে না। এ দেশের ইতিহাসে ছাত্রলীগের অবদান রয়েছে।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হ’ত্যার বিষয়ে তদন্ত চলছে জানিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘তদন্তে যারাই অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। আইন নিজস্ব গতিতে চলবে।’ সোমবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাদের এ কথা বলেন।

বুয়েটের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে (২১) পি’টিয়ে হ’ত্যা করা হয়েছে। রোববার দিনগত রাত ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই-বাংলা হল থেকে আবরারের লা’শ উদ্ধার করে পুলিশ। সহপাঠীরা জানিয়েছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আবরার লেখালেখি করতেন। এ কারণে তাকে হ’ত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।বুয়েটে একজন শিক্ষার্থীকে পি’টিয়ে হ’ত্যা করা হয়েছে -এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেখুন এটা আমি শুনেছি, এটা আমি জানি।

একটু আগে পুলিশের আইজির সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তিনি জিজ্ঞাসা করেছেন। আমি তাকে বলেছি, আপনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিষয়টা আলাপ করতে পারেন।’ মন্ত্রী বলেন, ‘আমি যতটুকু বুঝি, এখানে ভিন্নমতের জন্য একজন মানুষকে মে’রে ফেলার কোনো অধিকার কারও নেই। কাজেই এখানে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। তদন্ত চলছে, তদন্তে যারাই অপরাধী বলে সাব্যস্ত হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে, পারসোনালি আমি বলেছি- এখানে আমার কোনো ভিন্ন মত নেই।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘অপরাধী যেই হোক, আইন নিজস্ব গতিতে চলবে। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে দেশ বিক্রিও তো বলে ফেলছে বিএনপি, তাই বলে বিএনপি নেতাদের কী আমরা মে’রে ফেলব? কোনো আবেগ ও হুজুগে কারা (আবরার ফাহাদকে হ’ত্যা) করেছে, তাদের অবশ্যই খুঁজে বের করতে হবে এবং সেই তদন্ত চলছে।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শেরে বাংলা হলের দ্বিতীয়তলা থেকে আবরার ফাহাদ (২১) নামে এক ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।

রোববার (৬ অক্টোবর) দিনগত রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে সাধারণ ছাত্র ও বুয়েট কর্তৃপক্ষ ফাহাদের মরদেহ সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন।

বুয়েটের ডা. মাসুক এলাহী বাংলানিউজকে বলেন, অন্য ছাত্রদের মাধ্যমে খবর পেয়ে শেরে বাংলা হলের প্রথমতলা ও দ্বিতীয়তলার মাঝামাঝি জায়গায় ফাহাদের নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখি। তার শরীরে অনেকগুলো আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে।

ডা. মাসুক জানান, রাত্রিকালীন ডিউটিতে ছিলেন তিনি। খবর পেয়ে শেরে বাংলা হলে গিয়ে ফাহাদকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে নিজে পরীক্ষা করে দেখেন, সে মারা গেছে। পরে, বুয়েট কর্তৃপক্ষ ও পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোহরাব হোসেন ফাহাদের মৃত্যুর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]