সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
ঢাবিতে চান্স পাওয়া জমজ দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন ডিসি ।

ঢাবিতে চান্স পাওয়া জমজ দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন ডিসি ।

ঢাবিতে চান্স পাওয়া জমজ দুই বোনের দায়িত্ব নিলেন ডিসি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চান্স পেয়ে খুলনা বাগেরহাট জেলার দুশ্চিন্তায় ছিল দিনমজুর বাবার যমজ দুই মেয়ে। অবশেষে দুই বোনের পড়ালেখার দায়িত্ব নিলেন ডিসি- সুমাইয়া মাধ্যমিকে ৪.৮৬ উচ্চ মাধ্যমিক গোল্ডেন A+ সুরাইয়া মাধ্যমিকে ৪.৯১ উচ্চ মাধ্যমিক গোল্ডেন A+ বানিজ্য বিভাগ থেকে।

বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার নাসির উদ্দিন মেধাবী ওই দুই শিক্ষার্থীকে দুটি মুঠোফোন প্রদান করেন। ডিসি উদ্যোক্তাদের খুব ভালো লাগলো। অনেক দোয়া ও শুভকামনা রইল এই দুই বোনের জন্য।

সাদিয়া আক্তার সুরাইয়া ও নাদিরা ফারজানা সুমাইয়া- তারা দুজনে যমজ দুই বোন। লেখাপড়ায় তারা দু’বোনই সাফল্যের প্রমাণ রেখেছেন। মাধ্যমিকে ‘এ প্লাস’ এবং উচ্চ মাধ্যমিকে ‘গোল্ডেন এ প্লাস’ পেয়েছেন। উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করে প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার জন্য ভর্তি পরীক্ষায় সুযোগ পেয়েছেন তারা দু’বোনই।

বাগেরহাট জেলা সদরের পৌরসভার হরিণখানা গ্রামের দিনমজুর বাবা মহিদুল হাওলাদার আর গৃহিণী মা শাহিদা বেগমের যমজ এ সন্তান প্রাচ্যের অক্সফোর্ডে পড়ার সুযোগ পেলেও ভর্তিসহ পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য তাদের নেই। উচ্চ শিক্ষার সুযোগ মিললেও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে সেই স্বপ্ন পূরণের। এগিয়ে যাওয়ার এই পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে অর্থনৈতিক সমস্যা।২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (গ ইউনিট) বাণিজ্য অনুষদে সুমাইয়ার মেধাক্রম ৮৪৬ এবং সুরাইয়ার মেধাক্রম ১১৬৩।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের ভর্তির শেষ দিন ৩১ অক্টোবর। সাদিয়া আক্তার সুরাইয়া জানান, আমরা চান্স পেয়েছি। তবে ভর্তি নিয়ে এবং পরের খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি। বৃত্তির জন্য আবেদন করেছি, তবে এখনো গ্রহণ করা হয়নি। এছাড়া ভর্তির টাকা ম্যানেজ হয়েছে কিনা তাও জানি না। ৩১ তারিখের মধ্যে আমাদের ভর্তি হতে হবে।ওই দুই বোন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছিলেন, তাদের পিতা একজন দরিদ্র দিনমজুর, মা গৃহিনী। বড় কোন ভাই নেই। পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত টিউশনি করিয়ে পড়াশুনার খরচ জোগাড় করেছি।

উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় দুই বোন‌ই জিপিএ-৫ (গোল্ডেন A+) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন। তাদের দুই বোনেরই স্বপ্ন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করার। ভর্তি যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির শেষ তারিখ ৩১ অক্টোবর। বর্তমানে ভর্তির জন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন, তা জোগাড় করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। এছাড়া পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে দুই বোনের পড়াশোনার খরচ চালিয়ে যাওয়াও প্রায় অসম্ভব। এজন্য তারা বৃত্তির আবেদন করেছেন।মা শাহিদা বেগম জানান, অর্থনৈতিক দৈন্যদশার মধ্যে দুই মেয়েকে পড়ালেখা করিয়েছি। ওরা পড়ালেখা করতে চায়। ওরা সুযোগ পেয়েছে আমারও ইচ্ছা পড়ালেখা চালিয়ে যাক।

তবে আমার যে সামর্থ্য তাতে দুইজনকে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো অনেক কষ্ট। তারপরও চেষ্টা করছি সকলের সাহায্য নিয়ে যদি দুজনকে ভর্তি করতে পারি। তাহলে পড়াশোনা চালিয়ে নিতে পারবে ওরা। তিনি আরও বলেন, দুই বোনকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি করার জন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে সে পরিমাণ টাকা আমরা জোগাড় করতে পারছি না। এ কারণে পরিবারের সবাই চিন্তায় আছি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]