সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
কোলে সন্তান নিয়ে স্ত্রী, বেরিয়ে এলো নুরের চাঞ্চল্যকর তথ্য ।

কোলে সন্তান নিয়ে স্ত্রী, বেরিয়ে এলো নুরের চাঞ্চল্যকর তথ্য ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ছবিতে দেখা যায় ডাকসু’র ভিপি ও বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্যতম যুগ্ম আহবায়ক নুরুল হক নূরের পাশে একটি শিশুকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন এক নারী। কে এই শিশু? কে এই নারী? খোঁজ নিতে গিয়ে জানা যায় এক রোমাঞ্চকর তথ্য।

অনুসন্ধানে জানা যায়, এই নারী হচ্ছেন ভিপি নূরের স্ত্রী। নাম মারিয়া আক্তার লুনা, চাকরী করছেন পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা উপজেলার মধ্য চর বিশ্বাস সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

পটুয়াখালীর চর বিশ্বাসে গিয়ে জানা যায়, ২০১৬ সালে চর বিশ্বাস ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হাতেম আলীর মেয়ে এই মারিয়াকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন ভিপি নুর। নুরের স্ত্রী মারিয়া বিয়ের পূর্বে হোম ইকোনমিকস কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চাকুরী পেয়ে তিনি পটুয়াখালীতে ফিরে যান। আরো জানা যায়, চলতি বছরের ২১ মার্চ রাজধানীর ধানমন্ডির গ্রীন লাইফ হাসপাতালে মারিয়া একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন।

বাংলাদেশের বেশিরভাগ ছাত্রসংগঠনে বিবাহিতদের দায়িত্বশীল পদে রাখা হয় না তবে নুরের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদে এমন কোনো নিয়ম নেই বেলেই জানা গেছে। ডাকসুর গঠনতন্ত্রেও এমন কিছু বলা নেই। তবে বিবাহিত কেউ নৈতিকভাবে ডাকসুতে থাকতে পারেন না বলেই বলছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। এদিকে এ বিষয়ে জানার জন্য ভিপি নুরকে একাধিকবার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি।

আরো খবর… রাজধানীর ফকিরেরপুল এলাকায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতার ওয়ান্ডারার্স ক্লাবে অভিযান চালিয়েছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। এ সময় ফ‌কি‌রাপুলে ক্লা‌বের ভেত‌রে ব‌সে দুই তরুণী তা‌দের পাহারায় থাকা এক নারীকে আটক করা হয়।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় ফ‌কি‌রাপুলে ক্লা‌বে এই অভিযান চালানো হয়। র‌্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সারওয়ার আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় র‌্যাবকে উদ্দেশ্য করে ওই দুই তরুণী বলেন, স্যার, আমা‌দের থ্রি-পিসটা পর‌তে দেন। এখা‌নে পে‌টের তা‌গি‌দে চাক‌রি ক‌রি। ও‌য়েস্টার্ন ড্রেস না পর‌লে চাকরি থাক‌বে না। এখা‌নে সব জায়গায় সি‌সি ক্যা‌মেরা লাগা‌নো। খারাপ কা‌জের কোনো সু‌যোগ নেই। এখা‌নে জুয়ার বো‌র্ডে চাক‌রি করাটাই কি অপরাধ?

জানা যায়, দুই তরুণীর একজন নি‌জে‌কে রি‌সেপশনিস্ট ও আরেকজন জুয়ার বো‌র্ডের কার্ড সরবরাহকা‌রী পরিচয় দেন। রি‌সেপশনিস্টের বেতন ২১ হাজার আর কার্ড বিতরণকা‌রীর ১০ হাজার। দৈ‌নিক ১২ ঘণ্টা চাক‌রি। গত দেড় মাস যাবত চাক‌রি কর‌ছেন ব‌লে জানান।

তারা জানান, তারা মোট ৬ জন পালাক্র‌মে ডিউ‌ ট্কি‌রেন। তা‌দের স্বামী এখা‌নে চাক‌রির কথা জা‌নেন। তবে প‌রিবা‌রের অন্যরা জা‌নেন না। তারা বারবার‌ নি‌জে‌দের নিরপরাধ দা‌বি ক‌রেন।

প্রসঙ্গত, রাজধানীর ফকিরাপুল এলাকায় ইয়ংমেন্স ক্লাবের নিষিদ্ধ জুয়ার ক্যাসিনোতে অভিযান শুরু করে র‌্যাব। অভিযানে নেতৃত্ব দেন র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম। র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলম বলেন, অভিযানের সময় ভেতরে থাকা এবং ক্যাসিনোতে জুয়া খেলা অবস্থায় ১৪২ জনকে আটক করা হয়েছে। আমাদের কাছে অভিযোগ আছে, এই ক্লাবে আট মাস ধরে অবৈধ আসর বসছিল। এ সময় আমরা দেখি, ক্লাবের নিচতলায় যন্ত্রের মাধ্যমে জুয়া খেলা (ক্যাসিনো) চলছে। এছাড়া জুয়া খেলার ফাঁকে ফাঁকে মদ পান হচ্ছে।

তিনি জানান, যারা এই ক্লাবে এসেছেন তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। আটক ব্যক্তিদের মদ পানের লাইসেন্স নেই। এমনকি ইয়াংমেন্স ক্লাবেরও মদ বিক্রির লাইসেন্স নেই। এ সময় জুয়া খেলার ২৪ লাখ টাকাও জব্দ করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]