অপারেশন ছাড়াই একসঙ্গে তিন সন্তান জন্ম দিলেন গৃহবধূ ।

অপারেশন ছাড়াই একসঙ্গে তিন সন্তান জন্ম দিলেন গৃহবধূ ।

অপারেশন ছাড়াই একসঙ্গে তিন সন্তান জন্ম দিয়েছেন ববিতা নামে এক গৃহবধূ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে জয়পুরহাট শহরের মডার্ন জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে।

মঙ্গলবার সকালে ওই গৃহবধূ স্বাভাবিকভাবে তিন সন্তানের জন্ম দেন। তিন সন্তানের মধ্যে দুইজন ছেলে ও একজন মেয়ে। উৎসুক মানুষ নবজাতকদের এক নজর দেখার জন্য ক্লিনিকে ভিড় করছেন। গৃহবধূ ববিতা পারভীন নওগাঁর ধামইরহাট উপজেলার ইসবপুর চকচান্দিরা গ্রামের সামিউল ইসলাম বাবুর স্ত্রী।

সামিউল ইসলাম বাবু বলেন, তিন সন্তানসহ মা বর্তমানে সুস্থ রয়েছে। আমার আনন্দের শেষ নেই। আল্লাহ সফলভাবে আমাকে তিন সন্তানের মুখ দেখিয়েছেন। আপনারা আমার সন্তানসহ পরিবারের সবার জন্য দোয়া করবেন।

মডার্ন জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চিকিৎসক আনোয়ার হোসেন বলেন, মঙ্গলবার সকাল ৮টার দিকে ওই গৃহবধূকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সকাল ১০টার দিকে সফলভাবে কোনো অপারেশন ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে তিন সন্তানের জন্ম দেন গৃহবধূ ববিতা পারভীন। তারা সবাই সুস্থ আছে।

আরো পড়ুন… পুরুষের সম্পূর্ণ সহবাস ছাড়াই স্পার্ম ব্যাঙ্ক থেকে শুক্রাণু নিয়ে বিয়ে ছাড়াই মা হযেছেন বাঙালী ডাক্তার শিউলি। অবশ্য এজন্য তার লড়াইও কম করতে হয় নাই।শিউলির মা হওয়ার পর থেকে আশ’ঙ্কা করা হচ্ছে বিবাহ প্রথা বেশি দিন টিকে থাকবে না। সন্তান জন্ম দানে পুরুষের ভূমিকা গৌণ তা প্রমাণ করলেন ওই নারী। এখন থেকে আর নারী নি’র্যাতন হবে না । এখন দেখার বিষয় বাঙালি নারীরা এ পন্থা অবলম্বন করে কি না? বাঙালী ডাক্তার প্রমাণ করলেন , বাঙালীরাই পথ দেখাবে সচেতনতার ও বিজ্ঞানের নানা কী’র্তির। তারা আলোর দিশা। অন্ধকার অচলায়তন ভেঙে শিখা চিরন্তন।ডা. শিউলি মুখোপাধ্যায় । নিজেকে নিয়ে গেলেন অনন্য উচ্চতায়।কলকাতায় ‘একক মাতৃত্ব’ নিয়ে সচেতনতা সৃষ্টিতে দীর্ঘদিন কাজ করছেন তিনি। বন্ধ্যাত্ব নিরসন তার যেন উপাসনা। শত নারীর মুখে মাতৃত্বের হাসি ফোটানো। । বিভিন্ন নারীকে তিনি মাতৃত্বের স্বাদ গ্রহণের সুযোগও করে দেন সেবার ভিত্তিতে ন্যূনতম খরচে। এবার নিজেই সেই পথে হাঁটলেন।

ডা. শিউলি মুখোপাধ্যায় কলকাতার বাসিন্দা। দেড় বছর আগে তিনি একক মাতৃত্বের পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেন। তার একাকিত্ব ঘোঁচাতে ও অন্যদের উৎসাহিত করতে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন বলে গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন। সেই ভাবনা থেকেই অবিবাহিত শিউলি এখন এক পুত্র সন্তানের মা।৩৯ বছরের শিউলিদেবী ছেলের নাম রেখেছেন ‘রণ’। তবে ছেলের জন্মের পরেই এক তিক্ত অ’ভিজ্ঞতা হয়েছে শিউলির। তিনি বলেন, ‘ছেলের জন্মের কাগজপত্রে বাবার নামের জায়গায় কী’ লিখবেন সেটা বুঝে উঠতে পারছিলেন না।’ তিনি জানান, শেষে আ’দালতে এফিডেভিট করে এবং সিঙ্গল মাদারের ক্ষেত্রে কলকাতা পৌরসভার দেয়া একটি শি’শুর জন্মের কাগজপত্রের কপি ও সুপ্রিম কোর্টের রায়ের কাগজপত্র পৌরসভায় জমা দেয়ার পরেই নিজের সন্তানের কাগজপত্র তৈরি হয়।শি’শু বয়স থেকেই রণকে সিঙ্গেল পেরেন্ট বা সিঙ্গল মাদারের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা বোঝাতে চান শিউলি। শনিবার নিজের বেসরকারি হাসপাতালে বসে তিনি বলেন, ‘ছোট থেকেই ওকে বুঝিয়ে দিলে বড় হয়ে আর মনে কোনও সংশয় থাকবে না।’

প্রায় ১১ বছর আগে স্ত্রী’-রোগ চিকিৎসক হিসাবে কাজ শুরু করার পরে তার হাতেই জন্ম হয়েছে অসংখ্য শি’শুর। তবে সিজারিয়ান করে ছেলের জন্মের পরে প্রথম তাকে কোলে নেওয়ার অনুভূতি একেবারে অন্যরকম বলেই জানান তিনি। শিউলিদেবী জানান, এমডি পড়ার সময় থেকেই বাড়ি থেকে তাকে বিয়ের জন্য চাপ দেয়া শুরু হয়। কিন্তু বিয়ে বিষয়টি ছিল তার অ’পছন্দের। শিউলি বলেন, ‘বয়স বাড়ার সঙ্গে ক্রমশ একাকী’ত্বও বাড়ছিল। অল্পতেই রেগে যাচ্ছিলাম। তখনই এই সিদ্ধান্ত নিলাম।’ এর পরেই বাবা-মায়ের সঙ্গে আলোচনা করে পাকাপাকি ভাবে সিঙ্গেল পেরেন্ট হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেন তিনি। নিজের হাসপাতালের স্পার্ম ব্যাঙ্ক থেকে শুক্রাণু নিয়ে প্রবেশ করানো হয় তার শরীরে। হায়দরাবাদ ও মালদহের দুই মহিলাও তার চিকিৎসাতে সিঙ্গেল মাদার হতে চলেছেন।খবর আনন্দবাজার পত্রিকার।

আরো পড়ুন… যে কোনো পরিবারের মেজ সন্তানকে যদি জিজ্ঞেস করা হয়, বাবা-মা কাকে বেশি স্নেহ করেন, তার উত্তর হবে বড় নয়তো ছোট জনকে। আর এর কারণ হলো পরিবারের মেজ সন্তানরা নিজেদেরকে অবহেলিত এবং একা মনে করেন। কিন্তু ইউনিভার্সিটি অব এডিনবার্গের একটি অ্যানালাইসিস গ্রুপ এবং ইউনিভার্সিটি অব সিডনির সাম্প্রতিক একটি গবেষণা জানিয়েছে ভিন্ন কথা। ৫০০০ মানুষের উপর জরিপ চালিয়ে পাওয়া তথ্য মতে, মেজ সন্তানরা ব্যক্তিগত এবং কর্ম জীবনে বেশি সফলতা লাভ করেন।

মেজ সন্তানদের বেশি বুদ্ধিমান এবং সফল হওয়ার পেছনে অবশ্য বেশ কিছু কারণও আছে। বড় সন্তান অনেক বেশি মনোযোগ পায় বাবা-মায়ের। আর ছোট সন্তান পায় সহানুভূতি। এর মাঝে টিকে থাকতে হয় মেজ সন্তানের। তাই ছোট বেলা থেকেই তারা বেশি ধৈর্যশীল, সহনশীল ও ডিপ্লোম্যাটিক হয়। টিমে মিলেমিশে কাজ করার বিষয়টি মেজ সন্তান অন্যদের চাইতে বেশ ভালো পারে। বড় সন্তানটি যখন জন্ম নেয়, তখন সব কিছুই তার একার থাকে। কিন্তু মেজ সন্তানের ছোট বেলা থেকেই সব ভাগাভাগি করে নিতে হয়। এরপর ছোট সন্তানের জন্মের পরে তার সঙ্গেও নিজের সবকিছু শেয়ার করতে হয়। মিলেমিশে থাকার গুনটা তাই মেজ সন্তানের মাঝেই বেশি থাকে যা পরবর্তীতে কর্মক্ষেত্রে সফলতা নিয়ে আসে।

ইগো’র সমস্যা মেজ সন্তানের মাঝে কম থাকে। পরিবারের মেজ সন্তান হওয়ার কারণে খুব বেশি মনোযোগ পাননা তারা। আর তাই অহেতুক ইগো বা অভিমান করার সমস্যাগুলো কাটিয়ে নিতে পারেন মেজ সন্তানরা। অল্পেই সন্তুষ্ট হওয়ার মানসিকতার কারণে ব্যক্তিগত জীবনেও মেজ সন্তানরা সফল। বন্ধু হিসেবেও মেজ সন্তানরা দারুণ। পরিবারে মনোযোগ না পেয়ে বাইরের জগতের প্রতি বেশি আকর্ষণ থাকে তাদের। সাধারণত তারা বাইরে খুবই বন্ধুবৎসল হয়। ঘরের বাইরেই আনন্দ খুঁজে নিতে পারে তারা। ফলে তাদের অনেক ভালো বন্ধু থাকে এবং নিজেরাও বন্ধু হিসেবে খুবই ভালো হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme