সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
৮-১০ বছর পর দেখবেন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চায় ।

৮-১০ বছর পর দেখবেন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চায় ।

নিজ দেশ নিয়ে যারা হতাশ, তাদের উদ্দেশ্যে কিছু প্রশ্ন ছোড়ে দিয়েছেন বাংলা নাটকের অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। তিনি বলছেন, দেশে একদল মানুষ আছে, কোনো একটা ঘটনা ঘটলেই স্ট্যাটাস মারে, ‘এই দেশে আর থাকতে চাই না’, ‘এই দেশের ভবিষ্যৎ নাই’ ইত্যাদি, ইত্যাদি…।সম্প্রতি নিজের ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে তিনি দেশের মানুষের প্রতি প্রশ্ন রাখেন, যেন সব দেশের দোষ, দেশ শিখিয়ে দিয়েছে তুমি বদ হও, চুরি বা’টপারি করো, খু’ন খারাপি করো! আর দুনিয়ার কোনো দেশে খারাপ কোনো ঘটনা ঘটে না?

এজন্য জানতে তিনি গুগলে সার্চ করতে বলেছেন। তিনি লিখেছেন, একটু গুগল করে বিভিন্ন দেশের অপরাধের হার একটু দেখবেন তো! দুই-চারটা ভালো কাজ করার চেষ্টার কথা উল্লেখ করে অভিনেত্রী আরও লিখেছেন, ‘যাই হোক, আইইএলটিএস-এ ৮ উঠিয়ে তারপর স্ট্যাটাস দিয়েন এই দেশে থাকতে চান না! তার আগে শুধু শুধু দেশকে দোষ না দিয়ে দুই-চারটা ভালো কাজ করার চেষ্টা করেন!’

সন্তানদের নৈতিক শিক্ষা দেয়ার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করে তিনি লিখেছেন, ‘২টা বাচ্চার পড়াশোনার দায়িত্ব নেন, ২টা গাছ লাগান, বাসার চারপাশ পরিষ্কার রাখেন, ছেলে-মেয়েদের নৈতিক শিক্ষা দেন…। ৮-১০ বছর পর দেখবেন মানুষ বাংলাদেশের নাগরিকত্ব চায়, সেক্ষেত্রে অবশ্য আমরা গরিব হলেও ফকির না, আমরা অন্য দেশের মানুষকে নাগরিকত্ব দেই না!’ উৎসঃ jagonews24

বর্তমান সময়ে ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। যদিও তিনি এখন আর ছোট পর্দায় সীমাবদ্ধ নন, বড় পর্দায়ও যাতায়াত শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে তার করা দেবীতে মুগ্ধ হয়েছেন ভক্তরা। সম্প্রতি মাসুদ রানা শোতে বিচারক হয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন তিনি। যদিও এ বিষয়ে যুক্তিও দেখিয়েছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি তার একটি ভিডিও ভাইরাল হতে দেখা গেছে। যেখানে তিনি তার ভক্তদের উদ্দেশ্যে কঠিন ভাষায় কিছু কথা বলেছেন। তার একটি ছবিতে কিছু বাজে মন্তব্যের জন্য তিনি এ ভিডিওটি করেন বলে জানান।

এ সময় ভিডিওতে তিনি বলেন, ‘একটি ছবি আপলোড করেছিলাম ফেসবুক পেজে। সেখানে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। কিছু মন্তব্য দেখে আমি সত্যি অবাক। আমার এডমিন সে এসব ডিলেট করছিল, কিন্তু আমি না করলাম। আমি আসলে দেখতে চাই, মানুষ কতটুকু নিচে নামতে পারে।’ তিনি আরো বলেন, ‘একটা ফুলহাতা জামা পরা সারা শরীর ঢাকা মেয়ের ছবি দেখার পরও যদি আপনাদের বিশেষ অঙ্গ দাঁড়িয়ে যায়, তাহলে এ ঈমান নিয়ে আপনারা পুলসিরাত কীভাবে পার করবেন?’

এ সময় তিনি সেসব ভক্তদের বলেন, ‘আপনারা এককাজ করেন ফেসবুকে যত মেয়েদের ফলো করছেন, সবাইকে আনফলো করে দেন। মডেলদের তো ভুলেও ফলো করবেন না। বাজে মন্তব্য করবেন না। কে বুকে ওড়না দিল, কে দিল না সেটা নিয়ে আপনাদের এত মাথাব্যথা কেন?’

আরো পড়ুন… ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় জুটি শাকিব খান-অপু বিশ্বাস। এক সময় প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তাদের মধ্যে। প্রেম থেকে বিয়ে। বিয়ের পর তাদের কোল আলো করে আসে সন্তান আব্রাম খান জয়। কিন্তু ভাটা পড়ে শাকিব-অপুর সম্পর্কে। আলাদা হয়ে যান দুজনে। সেই থেকে মা অপু বিশ্বাসের কাছেই বড় হচ্ছেন ছেলে আব্রাম। তবে বিভিন্ন উৎসব-পার্বণে আব্রামকে সময় দেন শাকিব।

শাকিবের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার সময় অপু বিশ্বাস সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেন বলে মিডিয়ায় সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। অপু বিশ্বাস নাম পরিবর্তন করে ‘অপু ইসলাম’ নাম ধারণ করেছিলেন বলেও জানা যায়। তবে সম্প্রতি অপু বিশ্বাস জানান তিনি ধর্ম ত্যাগ করেননি। আগের ধর্মেই আছেন।

বাবা মুসলমান, মা হিন্দু। এমতাবস্থায় শাকিব-অপুর সন্তান আব্রামের ধর্ম কী? এমন প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, ‘আমার ছেলে যেহেতু আমার সঙ্গে আছে, সে আমার মতো করেই বড় হচ্ছে। সে তার বাবার সঙ্গে কখনও ঈদ করেনি। ভবিষ্যতের কথা তো বলতে পারব না।’ অপু বিশ্বাস ইঙ্গিত দিলেন আব্রাম তার ইচ্ছানুযায়ী ধর্ম বেছে নিতে পারবে। বড় হয়ে সেই সিদ্ধান্ত নেবে বাবার ধর্ম অনুসরণ করবে নাকি মায়ের!

‘আমি একজন সনাতন ধর্মের মেয়ে ছিলাম। কিন্তু শাকিব খানকে বিয়ে করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছি। এখন ডিভোর্সের পর আমার যদি অপশন থাকতো তাহলে হয়তো আমি আবার সনাতন ধর্মে ফিরে যেতাম। এখন আমার সন্তান, সেই আমার এখন সবচেয়ে বড় অপশন। তাই আমি আমার ছেলের জন্য ইসলাম ধর্মই পালন করবো।’ বিচ্ছেদের পরও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমগুলোতে এমনই কথা বলেছিলেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস।

তবে ইদানিং অপু বিশ্বাসের ‘ধর্ম’ পালন নিয়ে নানা ধরনের কথা উঠেছে বিভিন্ন মহলে। তবে বিষয়টি বরাবরই এড়িয়ে গেছেন এই চিত্রনায়িকা। এবার ধর্ম প্রসঙ্গ নিয়ে দৈনিক আমাদের সময় অনলাইন-এর সঙ্গে কথা বলেছেন অপু। তিনি বলেন, ‘সব ধর্মের প্রতি আমার শ্রদ্ধা রয়েছে। তাদের সঙ্গে থাকতে গিয়ে আমি চেয়েছিলাম সারা জীবন অবশ্যই তাদের সম্মান দিয়ে যাব। যেহেতু অল্প সময়ের মধ্যে অনেক কিছু (বিয়ে-বিয়ে বিচ্ছেদ) হয়ে গেছে, তার জন্য আমাকে তো আর কাগজ কলমে তারা কিছু করেননি, সে প্রমাণও তাদের কাছে নাই।

আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করেছিলাম (ইসলাম ধর্মের কথা), আমি এখনও করি। কিন্তু আমার বাবা-মার সঙ্গে থেকে তো আমি ওটা করতে পারি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘সামনে আমার একটা ভালো পরিকল্পনা আছে পারিবারিকভাবে। এতদিন নিজের পরিকল্পনায় চলেছি, এবার বাড়ির কথামতো চলতে হবে। কাগজে-কলমে, মনে প্রাণে বা গরুর মাংস খেয়ে বা হজ্ব করে আমি নিজে মুসলিম হইনি।

একজনকে ভালোবেসে মুসলিম ধর্মকে সম্মান দেখিয়েছি, আজও দেখাই। সব ধর্মের প্রতি আমার সম্মান ও শ্রদ্ধা আছে।’পাশাপাশি অপু আরও জানান, ‘আমার যখন শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ে হয়েছে তখন আমি এক ঝলক কাবিননামা দেখে পরে আর তার কোনো হদিস পাইনি। আদালতের মাধ্যমে যেভাবে ধর্মান্তর করা হয় আমার বেলায় সে রকম কিছুই হয়নি। ঈদ এবং ইসলাম ধর্মের প্রতি আমার যথেষ্ট সম্মান রয়েছে। কিন্তু আমার কখনো ঈদ উদযাপন করা হয়নি।

কোরবানি ঈদ থেকে শুরু করে কোনো ঈদে কোনোদিন কিংবা এখনও আমি গো-মাংস স্পর্শ করিনি। আমার বাসার কাজের লোকদের জন্য আমি খাসি কোরবানির ব্যবস্থা করি।’ কোরআন শিক্ষার বিষয় নিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘আমি কোরআন শিখেছি, এখনও জানি, আমি পড়তেও পাড়ি। কিন্তু আমার তো (ইসলাম ধর্ম পরিবর্তন) কাগজে-কলমে হয়নি।’সবশেষে তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, আপনি কি হিন্দু ধর্মেই থাকছেন? উত্তরে অপু বিশ্বাস বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি ওই ধর্মেই (হিন্দু ধর্ম) আছি। আমি পূজা করবো এবার, দূর্গাপূজা করবো এবার। আমি বরাবরই করে আসছি।’

উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের ১৮ এপ্রিল শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের বিয়ে হয়। এরপর ২০১৬ সালে ১০ এপ্রিল একটি টেলিভিশন চ্যানেলে ছয় মাস বয়সের ছেলে আব্রাম খান জয়কে সঙ্গে নিয়ে বিয়ে ও সন্তানের ব্যাপারে প্রথম মুখ খোলেন অপু। ওই সময়ই তিনি জানান, শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার সময় অপু বিশ্বাস সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম গ্রহণ করেন। তখন অপু বিশ্বাস নাম পরিবর্তন করে অপু ইসলাম নাম ধারণ করেন বলেও জানা যায়।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]