সৌদি থেকে প্রবাসী তরুণীর আকুতি ‘আমারে বাঁচাও তোমরা’

সৌদি থেকে প্রবাসী তরুণীর আকুতি ‘আমারে বাঁচাও তোমরা’

বাংলাদেশি এক নারীর সৌদি আরব থেকে ফেসবুক লাইভে নি’র্যাতিনের বর্ণনা দিয়ে বাঁচার আকুতির লাইভ ভিডিও সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে ওই নারী বলছেন, আমি মনে হয় আর বাঁচবো না, আমি মনে হয় ম’রেই যাব। আমি এখানে খুবই কষ্টে আছি। আমি চোখে কিছু দেখতে পাচ্ছি না। আমি জানি না এখান থেকে কী করে রক্ষা পাব।

তিনি বলেন, আমার আগের বাসায় অনেক নি’র্যাতন করেছে। ১৫ দিন এক ঘরে আটকে রেখে নি’র্যাতন করেছে, কিছু খেতে দেয়নি। ওখান থেকে আরেক জায়গায় পাঠিয়েছে সেখানেও নি’র্যাতন করা হচ্ছে। আমারকে গরম তেল দিয়ে হাত পু’ড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। আমাকে বেঁধে মা’রধর করা হয়েছে। আমাকে বাঁচাও। আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও।

না হলে আমি ম’রেই যাব। তিনি আরও বলেন, ‘আমি বাংলাদেশের অফিসে আক্তারের কাছে ফোন দিয়েছিলাম। সে আমার সাথে উল্টা-পাল্টা খারাপ কথা কই। আমি হাবিবের কাছে ফোন দিয়েছিলাম, সেও উল্টা-পাল্টা খারাপ কথা কই। আমি তাদের কাছে সাহায্য চাইছি। কিন্তু তারা আমাকে সাহায্য করছে না। আমি চুরি করে টয়লেট থেকে কথা বলছি। আমাকে নিয়ে যাও, আমাকে বাঁচাও নয়তো আমি ম’রে যাব।’ ভিডিওতে এক ব্যক্তি লিখেছেন, ওই নারীর নাম নাজমা বেগম। তিনি গত ২ সেপ্টেম্বর নি’র্যাতনের মুখে সৌদি আরবে মা’রা যান। গত ২৪ অক্টোবর তার লা’শ এসেছে।

যেইসব হারামজাদা কুত্তারবাচ্চারা এই মেয়েদের যন্ত্রণা ও মৃত্যুর জন্য দায়ী তাদের কখনো যেন বিচার না হয়। কারণ গরীব মানুষ, মানুষ না, এরা প্লাস্টিক, এরা পলিথিন, এদের নিয়া যা খুশি করা যায়। এদেশের যেসব ফকিন্নি মহিলা আছে, যারা নিজ পরিবারের অভাবের দৈত্য হত্যার স্বপ্ন নিয়া মধ্যপ্রাচ্যে পাড়ি জমায়, সেইসব ফকিন্নিদের নোংরা ও কমদামী চোখ, চামড়া, বুক, পাছা,,,, ওই দেশের মহান ধনী আমিরদের ধনী ধোনের শান্তির জন্য ব্যবহৃত হয়, তাতেই আমরা পরম পুলকিত!! জয় সৌদি আরবের জয়!! জয় সৌদিয়ানদের জয়!! জয় এদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জয়!! জয় রাষ্ট্রদূতদের জয়!!! জয় এদেশের আদম ব্যবসায়ী কুত্তারবাচ্চাদের জয়!!!! সবার জয় হোক। ফকিন্নিরা পরাজিত হতে হতে মরে যাক। যেভাবে এই নাজমা মেয়েটা বাচার চেষ্টা করতে করতে মরে গেছে, সেভাবে।"ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট দুতার্তে বদরাগী স্বৈরশাসক। কিন্তু এক ফিলিপিনো গৃহকর্মীকে হত্যা করে এক মাস লাশ ফ্রিজে রেখে দেওয়ার সচিত্র খবর প্রকাশ পেলে দুতার্তে এক বৈঠকেই কুয়েতে গৃহকর্মী পাঠানো বন্ধ করেন। অথচ নির্যাতনে নিহত নাজমা বেগমের লাশ এক মাস পড়ে থাকল সৌদি মর্গে; আমরা সয়ে নিলাম। আমাদের প্রবাসী আয় দরকার, কিন্তু যেসব মানুষ এই আয় করেন তাঁদের প্রতি রইলাম নিদায়। তাঁদের কর্মজীবন নিরাপদ করার জন্য চেষ্টাচরিত্র করব না, ২ নম্বরি আদম ব্যবসায়ীদের দমাব না—এটাই কি ওই নীরবতার সিদ্ধান্ত?" – প্রথম আলো* এই ভিডিও নাজমার কিনা তা সিউর না। তবে ভিডিওর কান্নাটা কিন্তু মিথ্যা না। হয়ত নাজমার মতই কেউ।

Posted by Lulu Ammansura on Sunday, October 27, 2019

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]