সর্বশেষ আপডেট
সৌদি আরবে আবারও বিপাকে প্রবাসীরা

সৌদি আরবে আবারও বিপাকে প্রবাসীরা

সৌদি আরব সরকারের ধরপা;কড়ে বিপাকে পড়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশে ফিরতে হয়েছে আরও ৭০ বাংলাদেশিকে। রোববার (২১ অক্টোবর) দিনগত রাতে সৌদি এয়ারলাইন্সের (এসভি ৮০৪) বিমানযোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা। বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

ফেরত আসা কুমিল্লার আবুল হোসেন, আলমগীর হোসেন, নওগাঁর রাইসুল ইসলাম, হবিগঞ্জের তরিত মিয়া, নাটোরের রিদয় হোসেন, নারায়ণগঞ্জের মো. জসীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আজিজুর, জামালপুরের আব্দুল খালেকসহ অনেকে অভিযোগ আকামার মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও মিথ্যা অভিযোগে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

দেশে ফেরা কর্মীরা অভিযোগ করেন, তারা সৌদি আরবে বৈধভাবে ছিলেন এবং আকামার মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও সৌদি পুলিশ তাদের ধরে দেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তারা বলেন, কর্মস্থলে যাওয়ার পথে, মসজিদে নামাজ পড়াতে যাওয়ার সময়, কর্মস্থলে কর্মরত থাকা অবস্থায়, বাজার করতে বের হলে পথে থেকে ধরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

আকামা দেখানোর পরও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না তারা। নিয়োগকর্তা বা কফিল কোনো দায় দায়িত্ব নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন দেশে ফেরা কর্মীরা। তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ৯ মাসে সৌদিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ট্রাভেল পাস নিয়ে ৩৬ হাজার ৭৫৩ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।

তাদের মধ্যে শুধুমাত্র সৌদি আরব থেকেই ১৬ হাজার বাংলাদেশি কর্মী দেশে ফিরেছেন। দেশে ফেরা কর্মীদের বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়।

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬ হাজার বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাধারণ ফ্রি ভিসার নামে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়ে ফেরত আসছেন। অনেকে খরচের টাকাও তুলতে পারছেন না।

সমস্যা সমাধানে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর উচিত কাজ নিশ্চিত করে পরে তাদের পাঠানো। যারা আত্মীয় স্বজনের মাধ্যমে যাচ্ছেন তাদেরও সতর্ক ও সচেতন হওয়া উচিত।

আরো পড়ুন… সৌদি আরব সরকারের ধরপাকড়ে বিপাকে পড়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশে ফিরতে হয়েছে আরও ৭০ বাংলাদেশিকে। রোববার (২১ অক্টোবর) দিনগত রাতে সৌদি এয়ারলাইন্সের (এসভি ৮০৪) বিমানযোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।

বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।ফেরত আসা কুমিল্লার আবুল হোসেন, আলমগীর হোসেন, নওগাঁর রাইসুল ইসলাম, হবিগঞ্জের তরিত মিয়া, নাটোরের রিদয় হোসেন, নারায়ণগঞ্জের মো. জসীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আজিজুর, জামালপুরের আব্দুল খালেকসহ অনেকে অভিযোগ আকামার মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও মি*থ্যা অভিযোগে

তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দেশে ফেরা কর্মীরা অভিযোগ করেন, তারা সৌদি আরবে বৈধভাবে ছিলেন এবং আকামার মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও সৌদি পুলিশ তাদের ধরে দেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তারা বলেন, কর্মস্থলে যাওয়ার পথে, মসজিদে নামাজ পড়াতে যাওয়ার সময়, কর্মস্থলে কর্মরত থাকা অবস্থায়, বাজার করতে বের হলে পথে থেকে ধরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

আকামা দেখানোর পরও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না তারা। নিয়োগকর্তা বা কফিল কোনো দায় দায়িত্ব নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন দেশে ফেরা কর্মীরা।তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ৯ মাসে সৌদিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ট্রাভেল পাস নিয়ে ৩৬

হাজার ৭৫৩ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে শুধুমাত্র সৌদি আরব থেকেই ১৬ হাজার বাংলাদেশি কর্মী দেশে ফিরেছেন। দেশে ফেরা কর্মীদের বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়।

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬ হাজার বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাধারণ ফ্রি ভিসার নামে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়ে

ফেরত আসছেন। অনেকে খরচের টাকাও তুলতে পারছেন না। সমস্যা সমাধানে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর উচিত কাজ নিশ্চিত করে পরে তাদের পাঠানো। যারা আত্মীয় স্বজনের মাধ্যমে যাচ্ছেন তাদেরও সতর্ক ও সচেতন হওয়া উচিত।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]