সর্বশেষ আপডেট
বাবরি মসজিদ ও মুসলমানদের পক্ষে লিখলেন ভারতীয় হিন্দু লেখিকা । যুক্তরাজ্যে নিজ ঘরের পাশ থেকে এক বাংলাদেশির লাশ উদ্ধার । আবিষ্কৃত হলো ‘কৃত্রিম পাতা’ তৈরি করতে পারে ১০ শতাংশ বেশি জ্বালানি । আরো এক রেমিটেন্স যোদ্ধা কুয়েত প্রবাসী ভাই যেভাবে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন পরপারে । লেবাননের গণআন্দোলনে অবৈধ প্রবাসীদের দেশে ফেরার কর্মসূচি ব্যাহত । ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে দেশে ফিরছেন গৃহকর্মী সুমি । আজ (১১ নভেম্বর) ঢাকায় আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিনিময় মূল্য । চার্জার লাইট থেকে উদ্ধার হলো ৪ কোটি টাকার স্বর্ণবার । আরব আমিরাতের পুরুষ প্রবাসীকর্মীদের জন্য সুখবর, শুরু হল নতুন ওয়ার্ক পারমিট সুবিধা । ৩ বছরে সহজ উপায়ে কানাডা যাবে ১০ লাখ মানুষ ।
কুয়েত কর্মময় জীবন শেষ করে দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার পথে বিমানবন্দরে প্রবাসীর মৃ’ ত্যু !

কুয়েত কর্মময় জীবন শেষ করে দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফেরার পথে বিমানবন্দরে প্রবাসীর মৃ’ ত্যু !

কর্মময় জীবন শেষ করে দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরবেন, কিন্তু দেশে ফেরার পথেই মা’ রা গেলেন কুয়েত প্রবাসী এক বাংলাদেশি। রোববার (২০ অক্টোবর) হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কুয়েতের ফরওয়ানিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মা’ রা যান তিনি।

নিহত প্রবাসীর নাম মোহাম্মদ আলম (৪৩), বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুর। রোববার বাংলাদেশ বিমানে রাত দেড়টার একটি ফ্লাইটে ঢাকায় যাওয়ার কথা ছিল আলমের। এ উদ্দেশে স্থানীয় সময় রাত ১০টায় কুয়েত বিমানবন্দরে পৌঁছান। সঙ্গে থাকা মালামাল বুকিংয়ের কাজ শেষে এক পর্যায়ে বুকে ব্যথা অনুভব করেন তিনি।

তখন স্থানীয় ফরওয়ানিয়া হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে প্রায় ৩ ঘণ্টা চিকিৎসার পর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক আলমকে মৃ’ ত ঘোষণা করেন। প্রবাসীরা জানান, ১৭ বছর আগে কুয়েতে আসেন তিনি। ‘কেওসি’ নামে একটি তেল কোম্পানিতে কাজ করতেন মোহাম্মদ আলম।

আরো পড়ুন… দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রাণ গেল ফেনীর সুমনের- দক্ষিণ আফ্রিকায় স’ন্ত্রা’সীদের গু’লি’তে নুর হোসেন সুমন নামে এক বাংলাদেশি যুবক নি’হ’ত হয়েছেন। ঘটনাটি গত শনিবার সেই দেশের জোহানেসবার্গ অঞ্চলে ঘটে। সুমন ফেনী সদর উপজেলার কালিদহ ইউনিয়নের পূর্ব গোবিন্দপুর গ্রামের হাজী জাবেদ আলী বাড়ীর আবুল কাশেমের ছেলে। নি’হ’ত সুমনের ভাই নুরন্নবী জানান, গত ১২ বছর ধরে সুমন আফ্রিকায় ব্যবসা করছিলেন। সেখানে তার পাঁচটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

সম্প্রতি প্রবাসী সুমনের দুটি দোকানে ডা’কা’তির ঘটনা ঘটে। পরে এ ঘটনায় ডা’কা’তদের বিরুদ্ধে ওই দেশের থানায় মামলা করলে দু’জন ডা’কা’তকে গ্রে’ফ’তার করে আফ্রিকান পুলিশ। এক পর্যায়ে ডা’কাতদের বাকি সহযোগীরা ক্ষি’প্ত হয়ে গত শনিবার দিনগত রাত বাংলাদেশ সময় সোয়া ১টার দিকে সুমনের দোকানের সামনেই তাকে গু’লি করে পালিয়ে যান। পরে ঘটনা স্থলেই তার মৃ’ত্যু হয়।

সুমনের দুই বছর বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে। তার মৃ’ত্যু’র খবরে বাড়িতে শো’কে’র মা’তম চলছে। সুমনের ম’রদে’হ দ্রুত দেশে আনতে দক্ষিণ আফ্রিকায় বাংলাদেশ দূতাবাস ও সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে সুমনের পরিবার। ক্রিকেটারদের ধ’র্ম’ঘ’টে যোগ দিতেন মাশরাফিও! বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা ১১ দফা দাবিতে যে ধ’র্মঘ’টের ডাক দিয়েছে, তাতে ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মোর্তুজা কেন ছিলেন না, নানা তরফ থেকে এই প্রশ্ন ওঠার পর তিনি নিজেই বলছেন, ক্রিকেটার দের এই উদ্যোগ সম্পর্কে অবগত ছিলেন না তিনি, থাকলে অবশ্যই যোগ দিতেন।

নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পাতায় একটি স্ট্যাটাস দিয়ে এই বক্তব্য দিয়েছেন তিনি। মাশরাফি, যিনি জাতীয় দলের অধিনায়কের পাশাপাশি সরকার-দলীয় একজন সংসদ সদস্যও, তিনি সোমবার সন্ধেবেলায় টেলিফোনে বিবিসিকে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বলেছিলেন, তিনি ক্রিকেটার দের ধর্মঘট নিয়ে কথা বলতে চান না। “যখন ক্রিকেট নিয়ে কথা বলবো তখন ক্রিকেটের কথা, এখন নয়। এখন এই বিষয়ে কোনো কথা বলবো না।”

বিবিসির ক্রীড়া সংবাদ দাতা রায়হান মাসুদকে তিনি আরো বলেছিলেন, “বিশ্বকাপের পরে আর ক্রিকেট নিয়ে কথা বলছিনা আমি, আবার যখন ফিরবো তখন কথা হবে।” কিন্তু ফেসবুকে দেয়া পোস্টে তিনি স্পষ্টতই অনুযোগ করছেন, আন্দোলন কারী সতীর্থরা তাকে অন্ধকারে রেখেছিলেন। মাশরাফি লিখছেন, “অনেকেই প্রশ্ন করছেন যে, দেশের ক্রিকেটের এমন একটি দিনে আমি কেন উপস্থিত ছিলাম না। আমার মনে হয়, প্রশ্নটি আমাকে না করে, ওদেরকে করাই শ্রেয়। এই উদ্যোগ সম্পর্কে আমি একদমই অবগত ছিলাম না”।

“নিশ্চয়ই বেশ কিছু দিন ধরেই এটি নিয়ে ওদের আলোচনা ছিল, প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু এ সম্পর্কে আমার কোনো ধারণাই ছিল না। সংবাদ সম্মেলন দেখে আমি ওদের পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে পেরেছি”। স্ট্যাটাসে মাশরাফি আরো লেখেন, “ক্রিকেটার দের নানা দাবির সঙ্গে আমি আগেও একাত্ম ছিলাম, এখনও আছি। আজকের পদক্ষেপ সম্পর্কে আগে থেকে জানতে পারলে অবশ্যই আমি থাকতাম”।

“আমার ঊপস্থিত থাকা কিংবা না থাকার চেয়ে, ১১ দফা দাবি বাস্তবায়িত হওয়াই বড় কথা। সবকটি দাবিই ন্যায্য, ক্রিকেট ও ক্রিকেটার দের মঙ্গলের জন্য জরুরী। আমি মাশরাফি বিন মোর্তুজা, ১১ দফা দাবি শান্তিপূর্ণ ভাবে বাস্তবায়িত হওয়ার পক্ষে আছি, থাকব”।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme