সর্বশেষ আপডেট
ডেনমার্কের সুপার শপে বাংলাদেশির তৈরি খাবার । এবার শুরু হচ্ছে দুবাই প্রবাসীদের ভোটার কার্যক্রম । ২০২০ সালের হজ চুক্তি ১ ডিসেম্বর । মা হারানো শিশুটির দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন উপমন্ত্রী শামীম । #জরুরী_আবহাওয়া_বার্তাঃ তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা, তীব্র শীতের আভাস মা হারানো শিশুটির দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন উপমন্ত্রী শামীম নাদিয়ার মা-বাবার খোঁজ মিলছেই না আপনার একটি শেয়ারে হয়ত নাদিয়া ফিরে পাবে ওর বাবা মাকে । এমপি নিজেও কাঁদলেন, প্রধানমন্ত্রীকেও কাঁদালেন । গা’জা থেকে রকেট বৃষ্টি শুরু, আত’ঙ্কে দিশেহারা ইস’রাইল । ইরফান পাঠানের স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রীদের থেকেও সুন্দরী, ছবিসহ ।
সৌদি থেকে ফিরলেন আরও ৭০ বাংলাদেশি !

সৌদি থেকে ফিরলেন আরও ৭০ বাংলাদেশি !

সৌদি আরব সরকারের ধরপাকড়ে বিপাকে পড়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। দেশে ফিরতে হয়েছে আরও ৭০ বাংলাদেশিকে। রোববার (২১ অক্টোবর) দিনগত রাতে সৌদি এয়ারলাইন্সের (এসভি ৮০৪) বিমানযোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।

বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।ফেরত আসা কুমিল্লার আবুল হোসেন, আলমগীর হোসেন, নওগাঁর রাইসুল ইসলাম, হবিগঞ্জের তরিত মিয়া, নাটোরের রিদয় হোসেন, নারায়ণগঞ্জের মো. জসীম, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আজিজুর, জামালপুরের আব্দুল খালেকসহ অনেকে অভিযোগ আকামার মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও মি*থ্যা অভিযোগে

তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। দেশে ফেরা কর্মীরা অভিযোগ করেন, তারা সৌদি আরবে বৈধভাবে ছিলেন এবং আকামার মেয়াদ থাকা সত্ত্বেও সৌদি পুলিশ তাদের ধরে দেশে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তারা বলেন, কর্মস্থলে যাওয়ার পথে, মসজিদে নামাজ পড়াতে যাওয়ার সময়, কর্মস্থলে কর্মরত থাকা অবস্থায়, বাজার করতে বের হলে পথে থেকে ধরে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

আকামা দেখানোর পরও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না তারা। নিয়োগকর্তা বা কফিল কোনো দায় দায়িত্ব নিচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন দেশে ফেরা কর্মীরা।তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের ৯ মাসে সৌদিসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ট্রাভেল পাস নিয়ে ৩৬

হাজার ৭৫৩ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। তাদের মধ্যে শুধুমাত্র সৌদি আরব থেকেই ১৬ হাজার বাংলাদেশি কর্মী দেশে ফিরেছেন। দেশে ফেরা কর্মীদের বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের সহযোগিতা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম থেকে খাবার-পানিসহ নিরাপদে বাড়ি পৌঁছানোর জন্য জরুরি সহায়তা প্রদান করা হয়।

ব্র্যাক অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান জানান, চলতি বছর এখন পর্যন্ত অন্তত ১৬ হাজার বাংলাদেশিকে সৌদি আরব থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সাধারণ ফ্রি ভিসার নামে গিয়ে এক নিয়োগকর্তার বদলে আরেক জায়গায় কাজ করতে গিয়ে ধরা পড়ে

ফেরত আসছেন। অনেকে খরচের টাকাও তুলতে পারছেন না। সমস্যা সমাধানে রিক্রুটিং এজেন্সিগুলোর উচিত কাজ নিশ্চিত করে পরে তাদের পাঠানো। যারা আত্মীয় স্বজনের মাধ্যমে যাচ্ছেন তাদেরও সতর্ক ও সচেতন হওয়া উচিত।

আরো পড়ুন… মালয়েশিয়ার উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে দেশটির পুলিশপ্রধান দাতুক সেরি আব্দুল হামিদ বদর বলেছেন, বাংলাদেশি শ্রমিকরা অনেক পরিশ্রমী, দক্ষ এবং সৎ।বুধবার সকাল ১০টায় মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম মালয়েশিয়া পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শনকালে দেশটির পুলিশপ্রধান এ কথা বলেন। পুলিশপ্রধান আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমনে সফল হওয়া এবং রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনের কাউন্সেলর (শ্রম ২) মো. হেদায়েতুল ইসলাম মণ্ডল এবং প্রথম সচিব (পলিটিক্যাল) রুহুল আমিন, মালয়েশিয়ান পুলিশের ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্টের পরিচালক দাতুক হুজির বিন মোহামেদ, পুলিশ সেক্রেটারি দাতুক রামলি মোহামেদ ইউসুফ এবং ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনসের প্রধান দাতুক গোহ বন কেংসহ অন্য কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে চমৎকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে হাইকমিশনার মহ. শহীদুল ইসলাম বলেন, উভয় দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সংক্রান্ত সম্পর্ক আরও জোরদার করতে বাংলাদেশ সরকার বদ্ধপরিকর। এ জন্য তিনি অপরাধ দমনে একসঙ্গে কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। পুলিশপ্রধান বলেন, মালয়েশিয়া থেকে কিছু অপরাধমূলক কাজ হচ্ছে- যেমন অপহরণ, চাঁদাবাজি, প্রতারণা এবং প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক ও সোশ্যাল মিডিয়ায় যা উভয় দেশের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর।

সোশ্যাল ও সংবাদ মিডিয়ায় মালয়েশিয়া সম্পর্কে বিভিন্ন ভুল তথ্য পরিবেশন করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।অপহরণ, চাঁদাবাজি এবং প্রোপাগান্ডাসহ যেকোনো প্রকার আইন বহির্ভূত কাজে বাংলাদেশ সরকারের জিরো টলারেন্স অবস্থান জানিয়ে হাইকমিশনার বলেন, অপরাধ দমনে হাইকমিশন যে কোনো কাজে সহযোগিতা করবে।হাইকমিশনার বলেন, বাংলাদেশের কিছু কর্মী বাজে এজেন্টে/ব্যক্তি/গ্রুপের খপ্পড়ে পড়ে প্রতারণার শিকার হন।

তিনি বলেন, গ্রেফতারের কিছু দিন পর কোম্পানিও কাগজপত্র থাকা সাপেক্ষে ছেড়ে দেয়া হয় এরূপ ক্ষেত্রে তল্লাশির সময় তাদের গ্রেফতার না করার জন্য অনুরোধ করেন। ডিটেনশন সেন্টারে যারা রিমান্ড এবং অনেকে মামলার সাক্ষী হিসেবে মাসের পর মাস অপেক্ষা করে তাদের ছেড়ে দেয়া বা দেশে ফেরত পাঠানোর জন্য অনুরোধ করেন। বিশেষ করে কাউকে মামলার সাক্ষী হিসেবে ডিটেনশন সেন্টারে না রেখে বাইরে থাকার এবং কাজ করার অনুমতি দিতে অনুরোধ করা হলে আইজিপি বলেন, তিনি এ বিষয় বিবেচনা করবেন এবং ইমিগ্রেশনের সঙ্গে আলোচনা করবেন।

হাইকমিশনার বলেন, মালয়ো আগমনের পর বিমানবন্দরে অনেক সময় বাংলাদেশের ট্যুরিস্টদের মালয়েশিয়া প্রবেশের অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানানো হয়, তখন বিব্রতকর অবস্থার সৃষ্টি হয়। সম্প্রতি এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে আইজিপি ইমিগ্রেশনের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে জানান। হাইকমিশনার উভয় দেশের পুলিশের মধ্যে প্রশিক্ষণ, সেমিনার-সিম্পোজিয়াম ইত্যাদি বিনিময়ের প্রস্তাব উত্থাপন করেন। বিষয়টি মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান সাদরে গ্রহণ করে বলেন, মানবপাচার, কাউন্টার টেরোরিজম, অপরাধ দমন এবং প্রাসঙ্গিক বিষয়ে উভয় দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে। তিনি জানান, শিগগিরই মালয়েশিয়া পুলিশের একটি টিম বাংলাদেশ সফর করবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme