নামাজ পড়লে সেরে যেতে পারে যে সব রোগ…

নামাজ পড়লে সেরে যেতে পারে যে সব রোগ…

যেসব রোগের জন্য নামাজ ব্যতীত কোন- হার্ট এ্যা’টা’ক, প্যা’রা’লা’ইসিস, ডায়া’বে’টিস, মে’লি’টাস ইত্যাদি রোগ আমাদের বহুল পরিচিত এবং প্রায়ই আমরা সহ আমাদের আত্মীয়স্বজনরা এসব রোগে ভুগে থাকি। তবে আমরা জানতাম কী এসব রোগের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টিতে নামাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। হার্টের রোগীদের প্রতিদিন বাধ্যতামূলক ভাবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা উচিত, যেমনি ভাবে তারা তাদের ডাক্তার দের নিকট খারাপ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য অনুমতি লাভ করে থাকেন। নামাজ একটি উত্তম ইসলামী ব্যায়াম, যা মানুষকে সব সময় সতেজ রাখে, অলসতা এবং অবসাদ গ্রস্ততাকে শরীরে বাড়তে দেয় না।

অন্য সব ধর্মের মধ্যে এমন সামগ্রিক ইবাদত আর নেই যা আদায়ের সময় মানুষের সকল অঙ্গ নড়া চড়া ও শক্তিশালী হয়। নামাজীর জন্য এটা একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য যে, এটা একান্তই সামগ্রিক ব্যায়াম যার প্রভাব মানবের সকল অঙ্গ গুলোতে পড়ে এবং সামগ্রিক মানব অঙ্গ গুলোতে নড়াচড়া ও শক্তি সৃষ্টি হয় এবং স্বাস্থ্য অটুট থাকে। তুরস্কের ডাক্তার হুলুক নূর বাকী নামাজের আত্মিক দিকের ওপর অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন, কিন্তু তিনিও এর দৈহিক উপকারিতার দিকে দৃষ্টি দেননি।

এভাবে তিনি লিখেছেন—It today even materialist acknowledge that there can be no prescription other than prayer for the relief of joints.‘আজ বস্তুবাদীরাও স্বীকার করে যে, জোড়ার ব্যথা থেকে মুক্তির জন্য আজ নামাজ ব্যতিত আর কোনো ব্যবস্থাপত্র নেই।’ ক্যামিস্ট্রির ব্যবস্থাপত্র : নামাজের ব্যায়াম যেমন বাইরের অঙ্গ সুনিপুণ সৌন্দর্য ও বৃদ্ধির মাধ্যম, এটা তেমনি ভেতরের অঙ্গ গুলো সুদৃঢ় করে ও উন্নত করে এবং দেহের সিডিউল এবং সৌন্দর্য রক্ষা করে। নামাজের প্রচলন যদি হতো তাহলে :কিছু রোগ এরূপও আছে যেগুলো থেকে নামাজ চালু করার দ্বারা রক্ষা পাওয়া যায়, কেননা নামাজ আদায়ের মাধ্যমে দেহে এসব রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

রাসুল(সা.) সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে সকালের নাস্তা করতেন কেন? আমাদের নবী (সা.) -এর সকল কাজই আমাদের জন্য আদর্শ। নবী (সা.) -এর ঘুম, খাওয়া, হাটা, চলা এই সকল বিষয়ের মাঝেই আমাদের জন্য রয়েছে উত্তম আদর্শ। মহানবী হজরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করতেন। এমনকি তিনি তার নাস্তার এই মেনু কখনো পরিবর্তন করেননি। নবীর (সা.) সাহাবারা নবীর (সা.) কাছে জানতে চেয়েছিলেন তিনি কেন প্রতিদিন সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করেন? তিনি বলেছিলেন, সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করা মস্তিষ্কের জন্য ভালো।

এরপরে সাহাবিরাও সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করতেন। কয়েক বছর আগে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করেছেন, কেন নবী (সা.) সাতটি খেজুর ও এক দুধ দিয়ে নাস্তা করেছেন। তারা গবেষণার ফলাফল হিসেবে যেটা পেয়েছেন সেটা হচ্ছে প্রতিদিন সকালে সাতটি খেজুর ও দুধ দিয়ে নাস্তা করলে মানুষের শরীরের হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড ও এনজাইম গুলো দ্রুত কাজ করা শুরু করে। এতে করে মানুষের শরীর খালো থাকে। বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে আরো পেয়েছেন যে প্রতি দিন সকালে সাতটি খেজুর ও এক কাপ দুধ নিয়ে নাস্তা করলে মানুষের মস্তিষ্কের বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি পায়।

লিভার ভালো থাকে, ত্বক সুন্দর হয়। আমাদের নবীর (সা.) প্রতিটি সুন্নত মানার মাঝেই যে কল্যাণ বিজ্ঞানীদের এই একটি বিষয়ের উপর গবেষণা থেকেই বোঝা যায়। আজ থেকে ১৪০০ বছর আগে আমাদের নবী (সা.) যেভাবে নাস্তা করেছেন সেই ভাবে নাস্তা করার মাঝে বিজ্ঞানীরা কল্যাণ খুঁজে পেয়েছে। অথচ আমাদের নবী বিজ্ঞানীও ছিলেন না আবার ডাক্তারও ছিলেন না। আমরা মুসলিম হিসেবে আমাদের সবার উচিত নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতিটি সুন্নতের উপর আমল করা। নি:সন্দেহে এতেই আমাদের মাঝে রয়েছে কল্যাণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme