সর্বশেষ আপডেট
স্বপ্নে শারীরিক সম্পর্ক হলে যা করবেন । মালেয়শিয়া প্রবাসীদের ঢাকা ফিরতে খরচ হবে যত টাকা । হানিমুনে গিয়ে মিথিলাকে ছেড়ে দিলেন সৃজিত । প্রধানমন্ত্রীও জানেন না আমার হাত কতটুকু লম্বাঃ এসআই লতিফ । প্রথম সন্তানের সঙ্গে ছবি পোস্ট করে হইচই ফেলে দিলেন শুভশ্রী । বিপিএল উদ্বোধনী অনুষ্ঠান মাতিয়ে যত টাকা নিলেন সালমান-ক্যাটরিনা । প্রবাসীর স্ত্রী অবা’ধে পরকীয়া চালাতেই ট্রিপল মা’র্ডার, খ’লনায়িকা গ্রেফতার । আজ ১০/১২/২০১৯ তারিখ, দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত । কুয়েত প্রবাসী যুবককে সর্বস্বান্ত করলেন নোয়াখালীর ২ কলেজ ছাত্রী । ছেলেদের মধ্যে যে জিনিস দেখলে যে কোনো মেয়েরা দুর্বল হয়ে যায় ।
সংসদে দাঁড়িয়ে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন রাঙ্গা

সংসদে দাঁড়িয়ে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইলেন রাঙ্গা

শহীদ নূর হোসেনকে নিয়ে অ’প্রীতিকর বক্তব্য দেওয়ার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন জাতীয় পার্টির (জা’পা) মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা। বুধবার (১৩ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, আমি সবার কাছে করজোড়ে ক্ষমা চাচ্ছি। আমি তিনদিন ধরে জ্বরে ভুগছি। আমা’র হয়তো ভুলত্রুটি হতে পারে। এর আগে, শহীদ নূর হোসেনকে মা’দকাসক্ত উল্লেখ করে রবিবার (১০ নভেম্বর) জা’পা’র ঢাকা মহানগর উত্তর শাখা আয়োজিত ‘গণতন্ত্র দিবস’র অনুষ্ঠানে দলের মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙ্গা বলেন,

‘ইয়াবাখোর ফেনসিডিলখোর ছিলেন নূর হোসেন। তাকে নিয়ে নাচানাচি করছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। তাদের কাছে ইয়াবা-ফেন্সিডিলখোর ও ক্যাসিনো ব্যবসায়ীদের গুরুত্ব বেশি। কিন্তু এরশাদ সাহেবের কাছে এরা কোনো গুরুত্ব পাননি। যারা গণতন্ত্রের গ-ও বুঝে না।’ এছাড়া এরশাদ স্বৈরাচার বা সাম’রিক শাসক ছিলেন না উল্লেখ করে তিনি আরো বলেন, ‘এরশাদের জীবন ব্যবস্থা ছিল গণতন্ত্রের জন্য উৎসর্গ। উনি গণতন্ত্রের স্বার্থে বাধ্য হয়ে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন। আবার যখন প্রয়োজন হয়েছে গণতন্ত্রের স্বার্থে উনি ক্ষমতা ছেড়ে দিয়েছেন।’

অপরদিকে, বাবা খন্দকার নাজমুল হুদা, বীরবিক্রম হ’ত্যাকা’ণ্ডের বর্ণনা দিতে গিয়ে সংসদে কাঁ’দলেন সংরক্ষিত আসনে আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য নাহিদ ইজাহার খান। মঙ্গলবার সংসদে মাগরিবের বিরতির পর পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে তার আবেগঘন ও হূদ’য়স্পর্শী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ উপস্থিত অনেককেই চোখ মুছতে দেখা যায়। দৈনিক ইত্তেফাকের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

বক্তব্যে তিনি তার বাবাকে হ’ত্যার সঠিক তদন্তের পাশাপাশি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট, ৩ নভেম্বর ও ৭ নভেম্বর পরবর্তী সকল রাজনৈতিক হ’ত্যাকা’ণ্ডের তদন্ত দাবি করেন। বললেন, এর মধ্য দিয়ে বের হয়ে আসবে জিয়াউর রহমান এবং তার দল ও সহযোগীদের ভূমিকা। অনেক অজানা তথ্য জাতির সামনে বেরিয়ে আসবে। নাহিদ ইজাহার খান বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কা’লো অধ্যায়।

৪৪ বছর আগে ৭ নভেম্বর এই সংসদ প্রাঙ্গণে মেজর জেনারেল খালেদ মোশারফ, আমার বাবা খন্দকার নাজমুল হুদা, বীরবিক্রম এবং লেফটেনেন্ট কর্নেল এটিএম হায়দার, বীরউত্তমকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করা হয়। আমি এই তিন শহিদের মাগফেরাত কামনা করি। সে দিনের ঘটনার বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘আমার ভাই অনেক ধাক্কা দিচ্ছিল বাবাকে ওঠানোর জন্য, কিন্তু বাবাকে কোনোভাবেই ওঠাতে পারল না। ওরা সবাই বুঝেছিল বাবা আর কোনো দিন আসবে না।

কিন্তু আমি বুঝতে পারিনি। আমি আশায় ছিলাম কোনো একটা দিন বাবা ফেরত আসবে। এটা কাটাতে আমার লেগেছিল এক বছর।’ তিনি বলেন, বাবাকে দা’ফনের পর শুরু হয় আমাদের জীবনের সংগ্রাম। আমার প্রশ্ন সেই দলের মানুষদের কাছে তারা কি আমার বাবাকে ফেরত দিতে পারবে? তারা কি ফেরত দিতে পারবে বাবার সঙ্গে আমাদের শৈশব। বাবা মারা যাবার পর আমরা স্কুলে যেতে পারতাম না দুই বছর। তখন স্কুলের ছেলেমেয়েরা আমাদের বলত আমরা নাকি বিদেশের দালালের মেয়ে।

আমাদের পড়াশোনা দুই বছর নষ্ট হয়েছে। তারা কি ফেরত দিতে পারবে সেই দুটি বছর। একজন সন্তানের জন্য সবচেয়ে কষ্ট বাবার কবরে ফুল দেওয়া। তারা কোনো দিন এটা অনুভব করেছেন? তিনি আরো বলেন, যে দিন মন খারাপ থাকে আমি চলে যাই বাবার কবরের কাছে। আমি বলতে থাকি কষ্টের কথা, মনে হয় বাবা কথাগুলো শুনছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme