সর্বশেষ আপডেট
এসএসসির ফরম পূরণে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, অসহায় মায়ের কান্না । সৌদিতে না’রী ক’র্মীর বিষয়টি খুবই জটিলঃ পররা’ষ্ট্র ম’ন্ত্রী । মালয়েশিয়ার আদালতে ৪ বাংলাদেশি না’রীর কা’রাদ’ন্ড।, নেপথ্যে যে কারণ… ইতালিতে ম’সজিদে এ’কযো’গে হা’মলার প’রিক’ল্পনাঃ বিপুল পরিমান অ’স্ত্র উ’দ্ধার । মক্কায় ক্রে’ন দু’র্ঘটনাঃ আ’হত বাংলাদেশিকে যে প’রিমাণ ক্ষ’তিপূ’রণ দেয়া হলো । সৌদিতে গৃ’হক’র্মী নি’র্যা’ত’ন, দ্রু’ত’ই আ’সছে না কোন সু’সংবা’দ । গুলতেকিনের দ্বিতীয় বিয়ে নিয়ে যা বললেন বড় ছেলে নুহাশ । সৌদি থেকে ফিরেছে ৫৩ নারীর মরদেহ, যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী । কিশোরগঞ্জে কুমারী মাতার সন্তান প্রসব নিয়ে তোলপাড় । মেয়েরা মিলনের চেয়েও বেশি পছন্দ করে এই বিষয়গুলো ।
#চট্টগ্রাম বন্দরের সর্বশেষ অবস্থাঃ সর্বোচ্চ সতর্কতা অ্যালার্ট-৪ জারি

#চট্টগ্রাম বন্দরের সর্বশেষ অবস্থাঃ সর্বোচ্চ সতর্কতা অ্যালার্ট-৪ জারি

ঘূর্ণিঝড় বুলবুল এর প্রভাবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে শনিবার সকালে চট্টগ্রাম বন্দর জেটি থেকে সব জাহাজ সাগরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। শুক্রবার রাতে জাহাজ থেকে পণ্য ওঠানো-নামানো বন্ধ করে দেয়া হয়। এখন পণ্য খালাসও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ করে সর্বোচ্চ সতর্কতামূলক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। আবহাওয়া অধিদফতর সকালে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরকে ৯ নম্বর মহা বিপৎসংকেত দেখাতে বলেছে।

এরপরই চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দরে নিজস্ব সর্বোচ্চ সতর্কতা সংকেত ‘অ্যালার্ট-৪’ জারি করা হয়েছে। এই সতর্কতা জারির পর বন্দরে সর্বোচ্চ সতর্কতা নেয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর সচিব ওমর ফারুক জানান, বন্দরে পণ্য ওঠানো-নামানো, খালাসসহ সব কার্যক্রম এখন বন্ধ আছে। সব জাহাজ সাগরে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে যাতে জেটি ও যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য জাহাজ সাগরে পাঠিয়ে দেয়া হয়।

১৯৯২ সালে বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রণীত ঘূর্ণিঝড়-দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং ঘূর্ণিঝড়-পরবর্তী পুনর্বাসন পরিকল্পনা অনুযায়ী, আবহাওয়া অধিদফতরের সংকেতের ভিত্তিতে চার ধরনের সতর্কতা জারি করে বন্দর। আবহাওয়া অধিদফতর ৩ নম্বর সংকেত জারি করলে বন্দর প্রথম পর্যায়ের সতর্কতা বা ‘অ্যালার্ট-১’ জারি করে। ৪ নম্বর সংকেতের জন্য বন্দর অ্যালার্ট-২ জারি করে।

এছাড়া বিপদ সংকেত ৫, ৬ ও ৭ নম্বরের জন্য ‘অ্যালার্ট-৩’ জারি করা হয়। মহাবিপদ সংকেত ৮, ৯ ও ১০ হলে বন্দরেও সর্বোচ্চ সতর্কতা বা ‘অ্যালার্ট-৪’ জারি করা হয়। তখন বন্দরের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হয়। জেটি, যন্ত্রপাতি ও পণ্যের সুরক্ষার জন্য ১৯৯২ সাল থেকে এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। সকালে কন্টেইনার ও পণ্য ওঠানো-নামানোর সব যন্ত্রপাতি নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

খালি কন্টেইনারের দরজা বন্ধ করে রাখা হয়েছে। জেটির আশপাশ এলাকা থেকে কন্টেইনার সরিয়ে বন্দর ইয়ার্ডে রাখা হয়েছে। বন্দরে সিসিটি ও এনসিটি টার্মিনাল পরিচালনাকারী সাইফ পাওয়ার টেক লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন তানভীর হোসেন জানান, এখন জেটিতে কোনো জাহাজ নেই। জেটি, যন্ত্রপাতি ও কন্টেইনার নিরাপদ রাখতে সব ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]