সর্বশেষ আপডেট
বোনের বিয়ে খেতে গিয়েছিলেন ট্রেন কেড়ে নিলো এসএসসি পরীক্ষার স্বপ্ন । স্বাদের আমেরিকাঃ মধ্যরাতেই যখন আমার ভোর হত, শুনুন এই প্রবাসী ভাই এর দুঃখ-কষ্টের গল্পটি । মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারঃ কর্মী পাঠানোর সিদ্ধান্ত ঘোষনা, জানুন কত তারিখ । চলতি বছরে আড়াই হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে কুয়েত । জানা গেলো ভ’য়াবহ ট্রেন দুর্ঘ’টনার কারণ । একাউন্টিং ডে উপলক্ষে রাবিতে প্রথমবারের মতো অ্যাকাউন্টিং ফেস্ট উদযাপিত । কসবায় ট্রেন দুর্ঘটনাঃ আহত শিশুটির পরিবারের সন্ধানে সকলের সহযোগিতা কামনা । বুলবুলে উড়ে গেছে টিনের চাল, ভেতরে এতিম শিশুদের কোরআন তিলাওয়াত । নি;হ’ত শিশুটির পরিবারের সন্ধান মিলছে না । বুলবুলের প্রভাব না কাটতেই ধেয়ে আসছে ‘নাকরি’
রাজনীতিতে যেভাবে এসেছিলেন সাদেক হোসেন খোকা

রাজনীতিতে যেভাবে এসেছিলেন সাদেক হোসেন খোকা

অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা আর নেই। নিউইয়র্কে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় দুপুর ১ টা ৫০ মিনিটে লন্ডনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তার মৃত্যুর সংবাদটি বিডি২৪লাইভ কে নিশ্চিত করেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য তরিকুল ইসলামের ১ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে যশোরে ফখরুল ইসলাম জানান, সাদেক হোসেন খোকার মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে। এবার জেনে নেয়া যাক সাদেক হোসেন খোকার রাজনীতিতে হাতে খড়ি কিভাবে হলো: সাদেক হোসেন খোকা ১৯৫২ সালের ১২ মে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।

১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন তিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বামপন্থী রাজনীতি ছেড়ে আশির দশকে বিএনপির রাজনীতি শুরু করেন খোকা। ১৯৯০ সালে বাবরি মসজিদ ভাঙাকে কেন্দ্র করে পুরান ঢাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার চেষ্টা হলেও তা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি।

এতে খোকা পুরান ঢাকাবাসীর আস্থা অর্জন করেন। ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-৭ আসন (সূত্রাপুর-কোতোয়ালি) থেকে শেখ হাসিনাকে পরাজিত করে প্রথমবারের মতো এমপি নির্বাচিত হয়ে আলোচনায় আসেন। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে ঢাকার আটটি আসনের মধ্যে সাতটিতে বিএনপি প্রার্থী পরাজিত হলেও একমাত্র খোকা নির্বাচিত হন।

২০০১ সালের নির্বাচনেও সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে মৎস্য ও পশুসম্পদমন্ত্রী হন। ওই সময় পুরান ঢাকায় বিএনপির রাজনীতিতে নিজস্ব বলয় তৈরির পাশাপাশি প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডে দলকে শক্তিশালী করার পেছনে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগসহ অন্যান্য বিরোধী দল কঠোর আন্দোলন শুরু করলে ঢাকায় বিএনপি কোণঠাসা হয়ে পড়ে।

এ অবস্থায় খোকাকে ১৯৯৬ সালে মহানগর বিএনপির আহ্বায়কের দায়িত্ব দেয়া হয়। ২০০২ সালের ২৫ এপ্রিল অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তিনি মেয়র নির্বাচিত হন। পাশাপাশি খোকাকে সভাপতি ও আবদুস সালামকে সাধারণ সম্পাদক করে ঢাকা মহানগর বিএনপির কমিটি গঠন করা হয়।

ওয়ান-ইলেভেনে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তৎকালীন বিএনপি মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়ার নেতৃত্বে দলে যে সংস্কারের দাবি উঠেছিল, তার প্রতি সাদেক হোসেন খোকার সমর্থন ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর মির্জা আব্বাসকে আহ্বায়ক ও হাবিব-উন-নবী খান সোহেলকে সদস্য সচিব করে মহানগর কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটি এরই মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে পড়েছে।

২৯ নভেম্বর ২০১১ সাল পর্যন্ত টানা ১০ বছর বিএনপি ও আওয়ামী লীগের শাসনামলে ঢাকা মহানগরের মেয়র ছিলেন তিনি। ২০১৪ সালের ১৪ মে মাসে সাদেক হোসেন খোকা চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্র যান। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ সময়কালে দেশে তার বিরুদ্ধে কয়েকটি দুর্নীতি মামলা হয়। এর কয়েকটিতে তাকে সাজাও দেয়া হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme