সর্বশেষ আপডেট
বাবরি মসজিদ ও মুসলমানদের পক্ষে লিখলেন ভারতীয় হিন্দু লেখিকা । যুক্তরাজ্যে নিজ ঘরের পাশ থেকে এক বাংলাদেশির লাশ উদ্ধার । আবিষ্কৃত হলো ‘কৃত্রিম পাতা’ তৈরি করতে পারে ১০ শতাংশ বেশি জ্বালানি । আরো এক রেমিটেন্স যোদ্ধা কুয়েত প্রবাসী ভাই যেভাবে আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন পরপারে । লেবাননের গণআন্দোলনে অবৈধ প্রবাসীদের দেশে ফেরার কর্মসূচি ব্যাহত । ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের অর্থায়নে দেশে ফিরছেন গৃহকর্মী সুমি । আজ (১১ নভেম্বর) ঢাকায় আন্তর্জাতিক মুদ্রার বিনিময় মূল্য । চার্জার লাইট থেকে উদ্ধার হলো ৪ কোটি টাকার স্বর্ণবার । আরব আমিরাতের পুরুষ প্রবাসীকর্মীদের জন্য সুখবর, শুরু হল নতুন ওয়ার্ক পারমিট সুবিধা । ৩ বছরে সহজ উপায়ে কানাডা যাবে ১০ লাখ মানুষ ।
রিজভীর নে’তৃত্বে রাজধানীতে বিএনপির ম’শাল মি’ছিল

রিজভীর নে’তৃত্বে রাজধানীতে বিএনপির ম’শাল মি’ছিল

দুর্নী’তির দায়ে সাজা পেয়ে কারাবন্দি খালেদা জিয়ার মু’ক্তির দাবিতে রাজধানীতে ঝটিকা মশা’ল মি’ছিল বের করেছে বিএনপি। মাগরিবের নামাজের পর এলিফেন্ট রোডে ধানমণ্ডি থানা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের দেড় শতাধিক নেতাকর্মীর মি’ছিলের নেতৃত্ব দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

মশা’ল মিছিলটি সাইয়েন্স ল্যাবরেটরির মোড় থেকে শুরু হয়ে এলিফেন্ট রোডে বাটা মোড়ের কাছে এসে শেষ হয়। এই মিছিলে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য থানা বিএনপির সভাপতি শেখ রবিউল আলম রবিসহ স্থানীয় ছাত্রদল, যু্বদল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতারা অংশ নেন।

মিছিল শুরুর আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘মিডনাইট নির্বাচনের অ’বৈধ সরকার দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে সম্পূর্ণভাবে বন্দি করে রেখেছে। বন্দি করার মধ্য তারা শুধু একজন নেত্রীকেই বন্দি করেনি, তারা গণতন্ত্রকে বন্দি করে রেখেছে, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকেও তারা বন্দি করে রেখেছে।’

‘আমরা মনে করি, দেশনেত্রীর মু’ক্তির মধ্য দিয়েই কেবল গণতন্ত্র ফিরবে এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব মজবুত হবে।আমরা অবিলম্বে দেশনেত্রী মুক্তির দাবি জানাচ্ছি।’ রিজভী গত দুই সপ্তাহ আগে নয়াপল্টনে ঢাকার কেরানীগগঞ্জ বিএনপি ও মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে মশাল মিছিল করেছিল।

আরো পড়ুন… শাহানুজ্জামান টিটু : বিএনপির সঙ্গে জাতীয় ঐ;ক্যফ্র;ন্টের দলগুলোর দূ;রত্ব কমাতে গুরুত্বপূর্ণ দুটি সিদ্ধান্তের কথা শোনা যাচ্ছে।এক. খালেদা জিয়ার হয়ে মামলা লড়বেন ফ্রন্টের শীর্ষনেতা ড. কামাল হোসেন। দুই. কারাবন্দি বিএনপি প্রধানকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন ড. কামালের নে’তৃত্বে ফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা।

গত বছর ১৩ অক্টোবর একাদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরে আওয়ামী লীগের প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তুলতে ড. কামাল হোসেনকে শীর্ষনেতা করে গঠন করা হয় জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। এই ফ্রন্টের একক শক্তি বিএনপি।দলটির কর্মী সমর্থক ছাড়া ঐক্যফ্রন্টের কোনো সমাবেশ করার মত যোগ্যতা বা লোকবল শরীক দলগুলোর নেই।

সভা সমা;বেশে বিএনপির লোকবলের ওপর নির্ভর করে বক্তব্য দেন ফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা।এসব সমাবেশে ফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন নিজে থেকে খালেদা জিয়ার মুক্তি চান না বা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নাম নেননি।বরং এসব অনুষ্ঠানে তিনি বঙ্গবন্ধুর গুণগান করেন। তাতে ক্ষু’ব্ধ হন বিএনপির নীতিনির্ধারকসহ নেতাকর্মীরা। নেতাকর্মীদের চাপে ঐক্যফ্রন্টের কর্ম’কান্ড থেকে নিজেদেরকে গুটিয়ে নেয় বিএনপি।ফলে গত এক বছরে উল্লেখযোগ্য কোনো কর্মসূচি নিতে ব্যর্থ হয় ফ্রন্ট।

জানা গেছে, বিএনপির সঙ্গে দুরুত্ব কমাতে ও ফ্রন্টকে গতিশীল করতে অতি সম্প্রতি ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে এসব বিষয়ে কথা বলেন তার নিজদল গণফোরাম ও ফ্রন্টের শীরকদলগুলোর নেতারা। কিভাবে দূরত্ব কমিয়ে ঐক্যফ্রন্টকে সক্রিয়, গতিশীল ও ফ্রন্টের পরিধি বাড়ানো যায় তা নিয়ে ড. কামাল হোসেনের চেম্বারে একাধিকবার বৈঠক করেন শরীক দলের নেতারা। বেছে নেয়া হয় ১৩ অক্টোবর ফ্রন্টের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী দিনটিকে।

বৈঠকের সিদ্ধান্তনুযায়ী জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু সেখানে ড. কামাল হোসেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নাম না নেয়ায় বিএনপির কর্মীদের জিজ্ঞাসার মুখে পড়েন তিনি।এরপরই পরিস্থিতি পাল্টে যেতে থাকে।সার্বিক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে গত ২০ অক্টোবর ড. কামাল হোসেনের চেম্বার বৈঠকে বসেন ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির শীর্ষ নেতারা।ওই বৈঠকে সর্ব সম্মত সিদ্ধান্ত হয় ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ফ্রন্টভুক্ত দলের শীর্ষনেতারা খালেদা জিয়াকে দেখতে হাসপাতালে যাবেন।

অনুমিত নিতে ফ্রন্টের শরীক দল জেএসডির সভাপতি আসম আবদুর রবের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সচিবলয়ে তার অফিসে সাক্ষাত করেন। সম্মতি মেলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া জেলে যাওয়ার পর ড. কামাল হোসেনকে আইনজীবী করার জন্য ২০১৮ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারী বিএনপির পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেয়া হয়।কিন্তু ওই সময় তিনি বিএনপির ওই দাবিতে সাড়া দেননি।

বরং বিএনপির প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন।পরে একাধিকবার তাকে এই প্রস্তাব দেয়া হয় কিন্তু তিনি রাজি হননি। নতুন করে আবার আলোচনায় খালেদা জিয়ার হয়ে মামলা লড়াই করতে পারেন ড. কামাল হোসেন।ইতিমধ্যে তিনি খালেদা জিয়ার মামলার নথী দেখেছেন। তবে এবিষয়ে সত্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। মন্তব্য করেননি ড. কামাল হোসেন নিজেও।

চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারী সুপ্রীম কোর্ট বার মিলনাতয়নে নির্বাচনত্তোর গণশুনানী অনুষ্ঠানে খালেদা জিয়ার জামিনের ন্যাযতা নিয়ে কথা বলেন ড. কামাল হোসেন। তিনি বলেন, যে কথা প্রায় সবাই আন্তরিকভাবে বলেছেন, যে আমাদের বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি।তার মুক্তি অত্যন্ত যুক্তি সঙ্গত দাবি। অবিলম্বে খালেদা জিয়ার মুক্তি হওয়া উচিত। এই অনুষ্ঠান থেকে দাবিটা যাওয়া দরকার। এটা দুঃখজনক যে স্বাধীনতার ৪৮ বছর পর এই ধরনের দাবি আমাদের করতে হচ্ছে। গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য যারা ভূমিকা রেখেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme