সর্বশেষ আপডেট
গভীর রাতে জাল ও ইলিশ মাছসহ ট্রলারে উপজেলা চেয়ারম্যান ।

গভীর রাতে জাল ও ইলিশ মাছসহ ট্রলারে উপজেলা চেয়ারম্যান ।

মৎস্য ও পুলিশ বিভাগের কর্মকর্তারা নদীতে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান পরিচালনা করছিলেন। এ সময় নদীতে একটি ট্রলারে ৭-৮জন লোক দেখে চ্যালেঞ্জ করা হয়। পরে কাছে গিয়ে অভিযান পরিচালনাকারীরা দেখেন ট্রলারে লুঙ্গি গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় রয়েছেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান।সে ট্রলারে রয়েছে ইলিশসহ কারেন্ট জাল। ঘটনাটি পিরোজেপুরের কাউখালী উপজেলার।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) রাতে কাউখালি উপজেলার কালিগঙ্গা নদীতে জালসহ ট্রলারে থাকা ব্যক্তি হলেন কাউখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ মনু মিয়া। জানা যায়, রাত প্রায় ২ টার দিকে অভিযানে থাকা পিরোজপুর জেলার পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ অন্যান্যরা কাউখালী উপজেলার কালিগঙ্গা নদীতে যায়।

এসময় তাদের সাথে ছিল বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদকর্মীরা। এ সময় নদীতে থাকা একটি ট্রলার দেখে চ্যালেঞ্জ করা হয়। ট্রলারের কাছে গিয়ে দেখা যায় ট্রলারে লুঙ্গি, গেঞ্জি ও গামছা পরিহিত অবস্থায় রয়েছে কাউখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু সাঈদ মনু মিয়া। তার সাথে আরও ৭-৮ জন লোক ট্রলারে।

এছাড়া ট্রলারে দেখা যায় অবৈধ কারেন্ট জাল ও কয়েকটি ইলিশ। জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের সাথে এ অবস্থায় দেখা হওয়ায় অনেকটাই ভড়কে যান উপজেলা চেয়ারম্যান। এ সময় তিনি অভিযান পরিচালনাকারীদের বলেন, তিনিও লোকজন নিয়ে অভিযানে নেমেছেন। ট্রলারে থাকা জাল ও মাছ তিনি নদী থেকে উদ্ধার করেছেন।

প্রশাসনের লোক ছাড়া এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা যায় কিনা জানতে চাইলে উপজেলা চেয়ারম্যান বলেন, তিনি উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে ফোন দিয়েছিলেন কিন্তু মৎস্য কর্মকর্তা ফোন রিসিভ করেননি। তবে পিরোজপুর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেন জানান, মৎস্য বিভাগের কাউকে চেয়ারম্যানের ফোন দেবার বিষয়টি সঠিক নয়। ফোন চেক করেও দেখা হয়েছে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা আরও জানান, প্রশাসনের লোক ছাড়া নদীতে উপজেলা চেয়ারম্যানের অভিযান পরিচালনা করার যে বিষয়টি তিনি বলছেন তা দৃষ্টিকটু। চেয়ারম্যানের ট্রলারে থাকা জাল ও তাদের অভিযানে উদ্ধার হওয়া জাল একসাথে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। মাছ একত্র করে এতিমখানায় দেওয়া হয়েছে।

আরো জানুন… যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্রবিজ্ঞানীরা পানি ছেড়ে ডাঙায় বাঁচতে পারে এমন মাছের সন্ধান পেয়েছেন। মাছটিকে ‘ভ’য়ংকর’ আখ্যায়িত করে দেখামাত্র মে’রে ফেলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানায়, মাছগুলো দেখতে অনেকটা সা’পের মতো। তাই নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্নে’কহেড ফিশ’।

১৯৯৭ সালেও একবার ক্যালিফোর্নিয়ার সান বার্নাডিনোর সিলভারহুড লেকে ধরা পড়ে এই মাছ। সেসময় ধারণা করা হয়েছিল মাছটি পূর্ব এশিয়ার। এটিকে এখন জর্জিয়ায় পেয়ে অবাক হচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।২০০২ সালে স্নে’কহেড ফিশ ধরা এবং বিক্রি বে’আইনি বলে ঘোষণা করা হয়। সম্প্রতি মেরিল্যান্ড প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিজ্ঞানীরা গবেষণায় জানতে পেরেছেন, এর শ্বাসতন্ত্র এমনভাবে তৈরি যে বাতাস থেকে মানুষের মতো শ্বাস নিতে পারে।

ফলে পানি থেকে ডাঙায় তুললেও জীবন ধারণে কোনো সমস্যা হয় না। তবে আচমকা পরিবেশ বদলের ফলে কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। জলাশয়ের অন্যান্য প্রাণী, ছোট মাছ এমনকি ছোট ইঁদুরও এর খাদ্য তালিকায় রয়েছে। আর এই কারণেই অন্যান্য জলজ প্রাণীর কাছে এটি বিপদের কারণ। লম্বায় তিন ফুটের কাছাকাছি মাছটি প্রায় ১৮ পাউন্ড ওজনের হয়। সেই সঙ্গে রয়েছে ধা’রালো দাঁত। যার সাহায্যে শিকারে কোনো সমস্যা হয় না।

রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে সোমবার মধ্যরাতে গোপাল হালদার নামে এক জেলের জালে ২০ কেজি ওজনের রুই মাছ ধরা পড়েছে। মঙ্গলবার দৌলতদিয়াঘাটে গিয়ে দেখা যায়, মাছটি দেখার জন্য উৎসুক জনতা ভিড় করছেন। মাছটি দৌলতদিয়াঘাটের মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা ২৪০০ টাকা কেজিদরে ৪৮০০০ টাকা দিয়ে কিনে নেন। মাছ ব্যবসায়ী চান্দু মোল্লা বলেন, জেলে গোপাল হালদারের কাছ থেকে ৪৮০০০ টাকা দিয়ে আমি মাছটি কিনেছি। মাছটি আরও বেশি দামে বিক্রির আশা করছেন তিনি।

অন্যরা যা পড়ছেন… মোবাইলে অচেনা নম্বর থেকে ক্রমাগত কল বা মিসকল আসার মত বিরক্তিকর ব্যাপার কিছুই হতে পারে না। বিশেষত মেয়েদের জন্যে এই ভোগান্তি তো একেবারেই অলিখিত। বকাঝকা, ফোন সাইলেন্ট করে রাখা কোন কিছুতেই যেন কাজ হয় না। কিন্তু ভাবুন তো, অচেনা এই লোকটির নাম ঠিকানা যদি এক মিনিটেই আপনার হাতের মুঠোয় চলে আসে, আর আপনি উলটো তার নাম ধরে ডেকে বেশ ভালো রকম একটা হুমকী দিতে পারেন, কিংবা সহজেই পুলিশের কাছে তার নাম ঠিকানা দিয়ে দিতে পারেন, তাহলে কি ভালোটাই না হতো! না স্বপ্ন নয় একেবারেই, প্রযুক্তির উৎকর্ষে এই ছোট্ট কাজটি আপনি করতে পারেন স্রেফ ঘরে বসেই।

আপনার স্মার্টফোনে গুগল প্লে স্টোর থেকে কয়েক সেকেন্ডেই নামিয়ে নিতে পারেন, এইসব অচেনা নাম্বার থেকে ফোনদাতার নাম ঠিকানা, সবই! True caller: এই ছোট্ট অ্যাপস টি পাবেন গুগল প্লে স্টোরে। এটি আপনার ফোনে ইন্সটল করে নিন। তারপর কোন অচেনা নম্বর থেকে ফোন এলেই, স্রেফ জাদুর মত আপনার ফোনে ভেসে উঠবে কলদাতার নাম। তবে হ্যাঁ, শর্ত প্রযোজ্য। সেই নম্বরটি যদি তার নামে রেজিস্ট্রেশন করা থাকে, তবেই আপনি এই সুবিধাটা পাবেন।

আর সেই লোক যদি ফেসবুকে এই নম্বরটি ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে তো দেখতে পাবেন তার ছবি সহই! দেখে নিন তো, পরিচিত কেউই আপনার সাথে এই বিরক্তিকর আচরণটি করছে কিনা! বাড়তি পাওনা হিসেবে বিনেপয়সায় আপনি এই কলদাতাকে ব্লক করে রাখতে পারবেন। Facebook: বার বার ফোন করতেই থাকা বিরক্তিকর নম্বরটিকে কিন্তু আপনি ট্র্যাক করতে পারেন ফেসবুকের মাধ্যমেও।

ফেসবুকের সার্চ অপশনে গিয়ে ফোন নম্বরটি টাইপ করুন। সে ব্যক্তি যদি এই ফোন নম্বরটি তার একাউন্টে ব্যবহার করে (করার সম্ভাবনা খুব বেশী), তাহলে তাকে সহজেই খুঁজে পাওয়া সম্ভব। LINE whoscall: অনেকটা ট্রুকলারের মতই এটিও অচেনা ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম ও অন্যান্য তথ্য ও তার মোবাইলে লোকেশন অন থাকলে তার ঠিকানা অব্দি দেখিয়ে দেবে আপনাকে। Mobile Number Locator: অচেনা নম্বর থেকে ফোনদাতার রেজিস্টার্ড নাম জানবে এই অ্যাপটি।

অ্যাপটির অন্যতম সুবিধা হচ্ছে, এটি ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই কাজ করে। ইনকামিং ও আউটগোয়িং কল চলাকালীনই কলারের ও প্রাপকের বিস্তারিত জানিয়ে দেয় এই অ্যাপ। গুগল ম্যাপের সাহায্যে এই অ্যাপ কলারের লোকেশনও দেখিয়ে দেবে।আমি নিজে ট্রু কলার ব্যবহার করি। তবে, আপনি আপনার সুবিধামত যে কোনটি বেছে নিতে পারেন। আর দেরী কেন, মুখোশ খুলে নিন বিরক্তিকর ফোন বা মিসকলদাতার। ভালো থাকুন! সুত্র: ইন্টারনেট

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]