শেখ হাসিনাকে নোবেল পুরস্কার থেকে ব’ঞ্চিত করতেই আবরার হ’ত্যা ।

শেখ হাসিনাকে নোবেল পুরস্কার থেকে ব’ঞ্চিত করতেই আবরার হ’ত্যা ।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যাতে নোবেল পুরস্কার না পান, সেজন্য ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে আবরার হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে।

শনিবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের হালিশহরে একটি কমিউনিটি সেন্টারে বিভিন্ন ওয়ার্ডের স্থানীয় সমস্যা নিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

নাছির উদ্দীন বলেন, নির্মমভাবে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এটা অত্যান্ত দুঃখজনক। এটা যারা করেছে তাদের কাছে তো দলের কোনও নির্দেশনা ছিল না। তারা অতি উৎসাহী হয়ে এ হত্যাকাণ্ড করেছে। এখন খুঁজে বের করতে হবে তাদের দিয়ে এ কাজটা কেউ করিয়েছে কি-না?

নোবেল পুরস্কার নিয়ে তিনি বলেন, শান্তিতে নোবেল প্রাইজ পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামটিও সক্রিয়ভাবে বিবেচনায় ছিল। যেদিন নোবেল কমিটি নোবেল প্রাইজ ঘোষণার জন্য বসেছে, সেদিন কিন্তু এ কাজটি হয়েছে। এখানে তো দুরভিসন্ধি থাকতে পারে। ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত থাকতে পারে। যাতে উনি নোবেল প্রাইজটা না পান।

আবরার হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছেন উল্লেখ করে মেয়র নাছির উদ্দীন বলেন, প্রধানমন্ত্রী দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। কাউকে বাদ দেয়া হয়নি। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ইতোমধ্যে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরপরও এটা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলর জয়নাল আবেদীন, চট্টগ্রাম ওয়াসার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মো. মাহফুজুল হক, পতেঙ্গা থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এসএম ইসলাম প্রমুখ।

আরো পড়ুন… বিএনপি চেয়ারপয়ার্সনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানকে বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মী দ্বারা নিহত আবরার ফাহাদের বাড়িতে যেতে দেয়নি পুলিশ। আজ রোববার (১৩ অক্টোবর) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে পাবনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কের লালন শাহ সেতুর ভেড়ামারা অংশের টোল প্লাজা থেকে তাকে ফেরত পাঠানো হয়। এতে ফাহাদের সাথে দেখা না করেই ফিরে যেতে হয় তাকে।

এসময় বিএনপি নেতারা বলেন, ‘কুষ্টিয়া লালন শাহ সেতুতে পুলিশ আমাদের বাধা দিয়েছে। আমরা জাতিকে জানাতে চাই আবরার জাতির সম্পদ।’ এ ব্যাপারে আমান উল্লাহ আমান বলেন ‘কেন্দ্র ঘোষিত শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে আমরা এসেছি। আমরা জেলা বিএনপির কার্যালয় এবং আবরাবের বাড়িতে যাবো। তার বাবা-মার সঙ্গে কথা বলবো। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের পাঠিয়েছেন।

কিন্তু সেখানে যেতে না দিয়ে আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে, সংবিধানকে অমান্য করা হচ্ছে।’ এসময় তার সঙ্গে ছিলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য নাজিম উদ্দিন আলম, জেলা বিএনপির সভাপতি মেহেদী রুমি, সাধারণ সম্পাদক সোহবার উদ্দিন। কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সার্কেল) আল বেরুনি ও ভেড়ামার থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল আলীম ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন।

অমানবিক সরকার জামিন না দিয়ে বেগম খালেদা জিয়ার ‘জীবননাশের ষ’ড়যন্ত্র’ করছে অভিযোগ করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, বেগম জিয়ার স্বা’স্থ্যের মা’রাত্মক আবনতি হয়েছে। তাঁর শা’রীরিক অ’বস্থা আ’শঙ্কাজ’নক। হাত-পা শ’ক্ত হয়ে গেছে। হা’ত-পা’য়ের আ’ঙুল ফুলে গেছে।

রিজভী বলেন, খালেদা জিয়া কারও সাহায্য ছাড়া দাঁড়াতে পারেন না। নিজের খাবার নিজে খেতে পারেন না। তাঁর পোশাকও আরেকজনের পরিয়ে দিতে হয়। এ অবস্থায় তিনি পিজি হাসপাতালের আট বাই দশ ফুটের ছোট্ট কক্ষে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

রবিবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, আজ বড় বি’ষণ্নতার সাথে জানাচ্ছি, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের প্রাণপ্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শা’রীরিক অবস্থার আ’শঙ্কাজনক অ’বনতি ঘ’টেছে। অ’বৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর ব্যক্তিগত প্রতিহিংসায় ৬১৩ দিন যাবত দেশনেত্রীকে ব’ন্দি করে রেখেছেন।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, কা’রাগারের অ’স্বাস্থ্যকর কক্ষে অ’মানবিক পরিবেশের মধ্যে দেশনেত্রীকে ব’ন্দি রাখা হয়েছে। পঁচাত্তর বছর ব’য়সী নেত্রীর ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে জীবন ঝুঁ’কিপূর্ণ হয়ে প’ড়েছে। বারবার ইনস্যুলিন পরিবর্তন এবং ইনস্যুলিনের মাত্রা বৃ’দ্ধি করার পরেও কোনও অ’বস্থাতেই তাঁর সুগার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। কোনও কোনও সময় এটি ২৩ মিলিমোল পর্যন্ত উঠে যাচ্ছে। সুগার নি’য়ন্ত্রণ করতে গিয়ে খাবারের পরিমাণ অনেক ক’মিয়ে দেয়াতে শ’রীরের ওজনও অনেকখানি হ্রাস পে’য়েছে।

রিজভী বলেন, ‘যথাযথ চিকিৎসার বিষয়ে আমরা বারবার দা’বি করা স’ত্ত্বেও দেশনেত্রীকে উন্নতমানের যন্ত্রপাতি বিশিষ্ট দেশের কোনও বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসার ব্য’বস্থা করা হ’য়নি। তাঁর জ’রুরিভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসা দরকার। ব্যথার কারণে রাত্রে তাঁর ঘুম হচ্ছে না এবং সা’রাক্ষণ তিনি অ’স্থির থাকছেন। আর্থ্রাইটিস ও ফ্রোজেন শোল্ডার সমস্যার কারণে স্বাস্থ্যের আরও গুরুতর অ’বনতি ঘ’টছে।

ঘাড়-মাথা সোজা রাখতে পারছেন না। কয়েক বছর আগে অপারেশন করা চোখ এবং হাঁটুর ব্যাথা ক্রমশ বৃ’দ্ধির ফলে অসহ্য ব্য’থায় কা’তরাচ্ছেন ‘গণতন্ত্রের মা’।’ তিনি আরও বলেন, দেশবাসী দেশনেত্রীর জীবনের পরিণতি নিয়ে অজানা আ’তঙ্ক ও শ’ঙ্কার মধ্যে রয়েছে। সরকার অমানবিক এবং বেআইনি কাজে এতো অ’ভ্যস্ত হয়ে প’ড়েছে যে তারা বেগম খালেদা জিয়ার বি’পদজনক অ’সুস্থতাও ভ্রুক্ষেপ করছে না। সরকারের অ’মানবিক আ’চরণ প্রমাণ করে দেশনেত্রীকে প্রাণনাশের ষ’ড়যন্ত্র করছে তারা।

‘ক্ষ’মতায় টিকে থাকার জন্য ও দেশ বিক্রি করার জন্য আইন আদালতকে কব্জা করে দেশনেত্রীর জামিনে বা’ধা দেয়া হচ্ছে। কাঁটাতারে ঝুলন্ত ফেলানি থেকে মেধাবী তরুণ আবরার ফাহাদকে হত্যা ও বেগম জিয়ার ব’ন্দিত্ব একই সুতায় গাঁথা। বেগম জিয়ার সুচিকৎসা হচ্ছে না। দেশনেত্রীর প্রাণনাশ করার গভীর নীলনকশা বা’স্তবায়নে ব্যস্ত অ’বৈধ সরকার জামিনে বাধা দিয়েই ক্ষান্ত হচ্ছে না, বিএসএমএমইউ’র পরিচালক সাহেবকে দিয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে বলানো হচ্ছে -‘খালেদা জিয়া ভালো আছেন, তার অ’বস্থার কোনও অ’বনতি হয়নি।’ কতটা অ’মানবিক হলে এতো বড় মনগড়া কথা তারা বলতে পারেন।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘জ’রুরিভিত্তিতে বেগম জিয়ার উন্নত চিকিৎসা দরকার। হাত-পা শ’ক্ত হয়ে গেছে, যে কোনো সময় অ’ঘটন ঘটে যেতে পারে। এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে আমরা আজই দেশনেত্রীর নিঃশর্ত মু’ক্তি দা’বি করছি।’ সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা নাজমুল হক নান্নু, ড. মামুন আহমেদ, সহ-দফতর সম্পাদ মুনির হোসেন ও তাইফুল ইসলাম টিপু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সূত্রঃ বিডি ২৪ লাইভ

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]