সর্বশেষ আপডেট
পবিত্র কোরআনের হাফেজের মুখে লাথি মেরেছিল বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি । মা’রতে মা’রতে ঘে’মে যায় অনিক, পা ধরে অ’নুনয় করেছিলো আবরার । যৌ’নপল্লীতে যাওয়া পুরুষদের গোপন তথ্য ফাঁ’স । গাছে ঝুলন্ত শিশুর পেটে বিদ্ধ দুটি ছুরিতে দুজনের নাম । দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো থাকলে বিনা মূল্যে হজ্জ পালনের সুযোগ দিতামঃ ইমরান খান । হাজারো ভক্তের হৃদয় ভেঙে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সাবিলা নূর । বিসিএস সিলেবাস, যার শুরু আছে কিন্তু শেষ বলে কিছু নেই । লাক্স সুন্দরী এখন স্বামীসহ বিসিএস ক্যাডার । আবরার ফাহাদকে নিয়ে ভারতীয় তরুণীর যে হৃ*দয়*স্পর্শী স্ট্যাটাস ভা*ইরাল । চোখে নেই আলো, কুরআনের আলোয় আলোকিত ওরা তিন হাফেজ ।
যার নেতৃত্বে টর্চার তাকেই আসামি করা হয়নিঃ আবরারের বাবা ।

যার নেতৃত্বে টর্চার তাকেই আসামি করা হয়নিঃ আবরারের বাবা ।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ তার ছেলে হ*ত্যাকা*ণ্ডের ঘটনায় বুয়েট কর্তৃপক্ষের নেওয়া ভূমিকায় ক্ষো*ভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, সিসি ফুটেজে যাদের দেখা গেছে মা’মলায় তাদের অনেকেই বাদ দেয়া হয়েছে। যার নেতৃত্বে টর্চার করা হয়েছে তাকেই মা’মলায় আ’সামি করা হয়নি। বাদ পড়াদের মা’মলায় অন্তর্ভূক্ত করার জো’র দাবি জানান তিনি।

তবে সরকারের এখন পর্যন্ত পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করে বরকত উল্লাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী জানেন স্বজন হা’রানোর ব্যথা। তিনি যদি সিসি ফুটেজ দেখেন তাহলে আমা’র বিশ্বা’স আবরার ফাহাদ হ*ত্যাকা*ণ্ডে জ’ড়িতরা দ্রুত সময়ে গ্রে’ফতার হবে এবং সর্বোচ্চ শা’স্তি পাবে।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় কুষ্টিয়া জিলা স্কুলে আবরার ফাহাদ স্ম’রণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। আবরার ফাহাদের সহপাঠী ও জিলা স্কুল কর্তৃপক্ষ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।আলোচনা অনুষ্ঠানে আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ ছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন- কুষ্টিয়া সদর উপজে’লা পরিষদ চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা, জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ইফতেখারুল ইস’লামসহ আবরারের সহপাঠী ও শিক্ষকরা। সূত্র : সমকাল

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে গ্রামবাসীর তোপের মুখে রায়ডাঙ্গা গ্রামে থেকে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছেন বুয়েটের উপাচার্য অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।শেষ পর্যন্ত আবরারের বাড়িতে না ঢুকে সামনের রাস্তা থেকে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের প্রহরায় তিনি দ্রুত চলে যান।ভিসিকে সরিয়ে দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।

পুলিশ আবরারের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজকে মা রধর করে এবং আবরারের মামাতো ভাবি তমাকে বেধড়’ক পি’টিয়ে আহত করেছে বলে অভিযোগ করে আবরারের পরিবার। তাকে কুমারখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বুধবার বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের রায়ডাঙ্গা গ্রামে এ সব ঘটনা ঘটে।আবরারের ছোট ভাই ফাইয়াজ বলেন, পুলিশ আমার গায়ে হাত দিয়েছে। বুকে গু’তো মে’রেছে।

কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান নিজে আমাকে মে’রেছে। আমার এক ভাইকে পি’টিয়ে মে’রেছে, এবার পুলিশ কী আমাকে মা’রবে? আ’হত অবস্থায় ফাইয়াজ সাংবাদিকদের বলেন, আমি ভিসি স্যারের নিকট জানতে চাইলাম আমার ভাইয়ার খু’নিদের এখনও কেন বহি’ষ্কার করা হয়নি। এ সময় তিনি নীরব ছিলেন, আমি আমার ভাইয়ের হ’ত্যা সম্পর্কে আরও প্রশ্ন করতেই তিনি কোনো জবাব না দিয়ে গাড়িতে উঠে চলে যাওয়ার মুহূর্তে অতিরিক্ত পুলিশ সপুার মোস্তাফিজুর রহমান আমার বুকের উপর হাত দিয়ে মা’রা’ত্মকভাবে আ’ঘাত করেন।

এতে আমি মা’রাত্ম’কভাবে আ’ঘাত পেয়েছি। তিনি বলেন, আমার মামাতো ভাবিকে প্রকাশ্যে শ্লী’লতাহা’নি করা হয় এবং এলাকাবাসীকে ধ’রপাকর করা হবে বলে পুলিশ হু’মকি প্রদর্শন করায় আমরা আ’তংকে আছি।অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে ফাইয়াজ বলেন, আমার ভাইয়াকে হ’ত্যা করা হয়েছে আর আমাদের পুলিশ হু’মকি দিচ্ছে।

প্রয়োজনে আমিও জীবন দিতে প্রস্তুত রয়েছি।ফাইয়াজ বলেন, ভিসি দায়িত্ব’হীনতার পরিচয় দিয়ে আমাদের বাড়ির দরজার কাছ থেকে ফিরে গিয়ে আমাদের ক’ষ্টের মধ্যে ফেলে গেল। এই ভিসির ক্ষমতায় থাকার কোনো অধিকার নেই, স্বেচ্ছাই পদত্যাগ করতে হবে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভিসি আসার সংবাদ পেয়ে আবরারের বাড়ির সামনে জড়ো হতে থাকে গ্রামবাসী।

মুহূর্তেই কয়েক হাজার নারী-পুরুষ আবরারের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকে।বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে ওই গ্রামে যান উপাচার্য। সেখানে গিয়ে রায়ডাঙ্গা কবরস্থানে আবরারের কবর জিয়ারত করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে পুরো এলাকা জনসমুদ্রে রূপ নেয়। ভিসিকে নিরাপত্তা দিতে কয়েকশ’ পুলিশের সঙ্গে সেখানে অবস্থান নিতে থাকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা।

করব জিয়ারত শেষে আবরারের বাড়ির দিকে আসতে থাকে ভিসির গাড়িবহর। আবরারের বাড়ি ঢোকার মুখে ভিসির গাড়ির সামনে নারীরা শুয়ে পড়েন। অবস্থা বেগতিক দ্রুত গাড়ি ঘুরাতে থাকেন। এ সময় হাজার হাজার নারী-পুরুষ ভু য়া ভু য়া বলে স্লোগান দিতে থাকে। পরে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের প্রহরায় জেলা প্রশাসকের গাড়িতে করে ওই এলাকা ত্যাগ করেন ভিসি।

ভিসির গাড়িবহর চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীর সংঘ’র্ষ শুরু হয়। পুলিশ লা’ঠিচা’র্জে আবরারের মামাতো ভাবি তমা গু’রুতর আ’হত হয়েছেন। তাকে কুমারখালী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরে গ্রামবাসীর প্রতি’রোধের মুখে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে চলে যায়। পরে কয়েক ঘণ্টা বিক্ষো’ভ করেন গ্রামবাসী।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]