সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
যে কারণে ভারতকে ফেনী নদীর পানি দিয়েছে বাংলাদেশ, জানালেন সচিব ।

যে কারণে ভারতকে ফেনী নদীর পানি দিয়েছে বাংলাদেশ, জানালেন সচিব ।

তিস্তা নদীর পানি বণ্টন ইস্যু নয়াদিল্লি দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখলেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে ফেনী নদীর পানি বণ্টন নিয়ে চুক্তি সই হয়। বাংলাদেশ সম্পূর্ণ মানবিক কারণে ভারতকে ফেনী নদীর পানি দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক।শনিবার স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, ফেনী নদী থেকে ১.৮৬ কিউসেক পানি ত্রিপুরার সাব্রুম শহরে সরবরাহ করা হবে। পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক বিবিসিকে বলেন, ‘সম্পূর্ণ মানবিক কারণেই প্রধানমন্ত্রী হাসিনা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।’

ভারতের বিতর্কিত জাতীয় নাগরিক তালিকা বা এনআরসি নিয়ে ঘটনাপ্রবাহ কোন দিকে গড়ায়, সে দিকেও বাংলাদেশ সতর্ক নজর রাখছে বলে তিনি জানান। এবারও তিস্তা নিয়ে কোনো চুক্তি না হলেও আরও সাতটি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনের জন্য দুই দেশ একটি ফ্রেমওয়ার্ক প্রস্তুত করতে রাজি হয়েছে। এটাকে ‘যথেষ্ট ইতিবাচক’ লক্ষণ বলে মনে করছে ঢাকা।

শহীদুল হক বলেন, ‘যেহেতু দুদেশের যৌথ নদী কমিশন বা জেআরসি বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছে, তাই তিস্তা নিয়েও আশাবাদী হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যেহেতু যৌথ নদী কমিশন প্রায় ছয় বছর পর বৈঠকে বসেছে, আগামী বছর আবার বসবে। তাই আমরা কিন্তু আশা করতেই পারি। আর তারা সবগুলো কমন রিভার (অভিন্ন নদী) নিয়েই কাজ শুরু করেছে।’

আরো জানুন… বাংলাদেশ থেকে ভারতে ইলিশ রফতানির দ্বার খুলে দেয়ার সংবাদে আত্মহারা হয়ে গেছেন ভারতের কলকাতার ক্রেতারা। বাংলাদেশ থেকে ইলিশের রফতানি মূল্য কেজিপ্রতি ৫০৭ টাকা নির্ধারণ করা হলেও ভারতের ১৬০০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। আর এই দামের কারণে নাকি অনেক ভারতীয় ভাগে ইলিশ কিনছেন এবং অনেক ক্ষেত্রেই নাকি সেই সংখ্যা সাত।

মঙ্গলবার ভোর থেকেই অকশনের মাধ্যমে ভারতে বিক্রি শুরু হয় বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ইলিশের প্রথম চালান। ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের দর-কষাকষির মাধ্যমেই নির্ধারিত হয়েছে মূল্য। এদিন পাইকারি বাজারে ১৫০০ থেকে ১৬০০ রুপি প্রতি কেজি দরে বিক্রি হয় ইলিশ। একটু কম ওজনের এবং খানিকটা নরম হয়ে যাওয়া মাছ বিক্রি হয় ১১০০ থেকে ১২০০ রুপি দরে।

বাংলাদেশ থেকে অনেক কম মূল্যে ইলিশ রফতানি করা হলেও ভারতের বাজারে এমন দামের কারণে অনেক ভারতীয়রাই ভাগে ইলিশ কিনছেন। পাঁচ থেকে সাতজন ভারতীয় মিলে কিনছেন একটি ইলিশ; এমন তথ্য ভেসে ওঠে অনেক সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীর টাইমলাইনে।

শারদীয় দুর্গাপূজায় শুভেচ্ছা হিসেবে ভারতের উদ্দেশ্যে পাঠানো ৫০০ টন ইলিশের প্রথম চালান বেনাপোলে আটকা পড়েছে। রোববার বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে যাওয়ার কথা ছিলো ইলিশের প্রথম চালান। তবে কাগজপত্র ঠিক না থাকায় বেনাপোল স্থলবন্দরেই আটকা পড়ে ২৪ মেট্রিক টন ইলিশ।

কাস্টমস কর্তৃপক্ষ বলছে, ভারতে ইলিশের প্রথম চালান দুপুরে যাওয়ার কথা থাকলে মাছ রফতানির জন্য কেউ কোনো কাগজপত্র দপ্তরে জমা দেয়নি। তবে সোমবার সকালে কাস্টমস হাউজে কাগজপত্র দাখিল করা হবে বলে জানা গেছে।

ইলিশ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট এমি এন্টারপ্রাইজের প্রতিনিধি মহিদুল হক বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির সিদ্ধান্ত হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ১০ অক্টোবরের মধ্যে ৫০০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানির নির্দেশনা রয়েছে।

তিনি বলেন, রোববার বিকেলে ছয় ট্রাক মাছের মধ্যে মাত্র এক ট্রাক মাছ আমরা হাতে পেয়েছি। আজ রাতের মধ্যে আরও পাঁচ ট্রাক মাছ আসার কথা আছে। সোমবার সকালে মাছ রফতানির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমরা কাস্টমসে দাখিল করব। তারপর মাছ রফতানি হবে। প্রতি কেজি ইলিশ ছয় ডলার মূল্যে রফতানি করা হচ্ছে। ফলে বাংলাদেশি টাকা প্রতি কেজির দাম পড়বে ৫০০ টাকা। ভারত ও বাংলাদেশ দু’দেশের কাস্টমস থেকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ইলিশের এ চালান ছাড় করা হবে।

ইলিশ রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান ঢাকার গাজীপুরের একুয়াটিক রিসোর্ট লিমিটেড। আমদানিকারক ভারতের কলকাতার নাজ ইমপেক্স প্রাইভেট লিমিটেড। বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো সুপার নাসিদুল হক বলেন, রোববার ইলিশ রফতানির কথা ছিল। কিন্তুু ইলিশ রফতানির কোনো কাগজপত্র সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা পর্যন্ত কেউ আমাদের কাছে জমা দেয়নি। মাছের ট্রাকও আমাদের কাগজপত্র দেয়নি। তবে সোমবার সকালে এসব কাগজপত্র দাখিলের কথা রয়েছে। কাগজপত্র দাখিল করলে ইলিশের চালানটি ছাড়া হবে।

প্রসঙ্গত, দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ৫০০ টন ইলিশ মাছ রফতানির সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সরকার। যদিও ২০১২ সালের আগ পর্যন্ত ভারতে ইলিশ রফতানি করা হতো। তবে দেশে ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ায় ২০১২ সালের পর ভারতে ইলিশ রফতানি বন্ধ করে দেয় সরকার। সাত বছর পর পূজা উপলক্ষে ফের ইলিশ রফতানি শুরু হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]