সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
ব্রেকিং নিউজঃ এবার আলোচনায় সম্রাটের ৩য় স্ত্রী সিঙ্গাপুরের সিন্ড লিম ।

ব্রেকিং নিউজঃ এবার আলোচনায় সম্রাটের ৩য় স্ত্রী সিঙ্গাপুরের সিন্ড লিম ।

ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেফতার যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী ওরফে সম্রাটের তৃতীয় স্ত্রী সিন্ড লিমের জন্মদিনেরসহ বেশকিছু ছবি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলছে আলোচনা ঝড়। সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে, বিলাসবহুল প্রমোদতরীতে সিন্ড লিমের জন্মদিন পালনের ছবি।ওই ছবিতে সম্রাটকে তার বন্ধুবান্ধবসহ হাসিমুখে পোজ দিতে দেখা যাচ্ছে।

ছবিতে সম্রাটের সঙ্গে রয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) কাউন্সিলর ও যুবলীগ নেতা মমিনুল হক ওরফে সাঈদ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হক আরমানসহ আরও অনেকে। জানা গেছে, ছবিটি ২০১৭ সালের সিন্ড লিংয়ের জন্মদিনের। অনুষ্ঠানস্থল মালয়েশিয়ার যহুর বারুতে সিন্ড লিংয়ের বাসা। তখন সিন্ডলিংয়ের জন্মদিন উদযাপনে সম্রাট দেড় কোটি টাকা দিয়ে একটি প্রমোদতরী ভাড়া করেছিলেন। সিন্ড লিংকে একটি বিলাসবহুল গাড়িও উপহার দিয়েছিলেন সম্রাট।

পারিবারিক জীবনে সম্রাটরা তিন ভাই। তার এক ভাই ছাত্রলীগের রাজনীতি করেন। আরেক ভাই তার ক্যাসিনো ব্যবসা দেখাশোনা করতেন। তার মা ভাইদের সঙ্গে ঢাকায় থাকতেন। তাদের গ্রামের বাড়ি ফেনীর পরশুরামে। সম্রাটের প্রথম পক্ষের স্ত্রী থাকেন রাজধানীর বাড্ডায়। প্রথম পক্ষে তার এক মেয়ে রয়েছে। তিনি পড়াশোনা শেষ করেছেন সম্প্রতি।

তার দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন চৌধুরী মহাখালীর ডিওএইচএসের বাসায় থাকেন। তার এক ছেলে রয়েছে মালয়েশিয়ায় একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। এই দ্বিতীয় স্ত্রীর বাসাতেই স্থায়ীভাবে থাকতেন সম্রাট। তবে দুই বছর ধরে তিনি বাসায় যেতেন না। কাকরাইলে নিজের কার্যালয়ে থাকতেন। বাসার বাইরে থাকলেও গাড়ির চালকের খরচসহ পরিবারের সব খরচ দিতেন সম্রাট।

এদিকে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের তৃতীয় স্ত্রী সিঙ্গাপুরের নাগরিক সিন্ড লিমের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনের স্ত্রী ফারজানা চৌধুরীর। ২০১৭ সালের ১ মার্চ তারিখে এক ফেসবুক পোস্টে ফারজানা চৌধুরীকে ট্যাগ করে দুইজনের হাতের ছবি পোস্ট করে সিন্ড লিম লেখেন, ‘আমাদের বন্ধুত্ব আজীবনের, জন্মদিনে প্রাণঢালা অভিনন্দন, প্রিয়। তোমায় ঘিরে রাখুক জগতের সব আনন্দ, হাসি আর সুখ। সারাজীবন একই থেকো! ভালোবাসি সবসময়!’ সূত্র : ইত্তেফাক।

গ্রে’প্তার আতংকে থাকা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট আশংকা করছিলেন যে তাকে ক্রসফা য়ারে দেওয়া হবে। এজন্যই তিনি আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে দফায় দফায় দেনদরবার করছিলেন। তাকে ক্রসফা য়ারে দেওয়া হবে না, এ ব্যাপারে নিশ্চিত হতে চেয়েছিলেন তিনি।

সম্রাটের স্ত্রী’ এবং তার ঘনিষ্ঠরা জানিয়েছেন যে, ক্রসফায়া রের আশংকা থেকেই সম্রাট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কাছে আত্মসম’র্পন করা থেকে নিজেকে বিরত রেখেছিলেন।কিন্তু আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা বলছে যে, আত্মসম’র্পন না করলেও সম্রাট একধরনের ব’ন্দি হয়েই ছিলেন তাদের কাছে। ২০ সেপ্টেম্বর থেকে সম্রাট আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে দফায় দফায় যোগাযোগ করেছেন। তাদের কাছে সম্রাটের একটাই অনুরোধ ছিল যে, তাকে যেন ক্রসফায়ারে দেওয়া না হয়।

সম্রাট’কে বিভিন্ন মহল থেকে বলা হয়েছিল আইনপ্রয়োগকারী সংস্থা তাকে ক্রসফায়ারে দিতে পারে। ক্রসফা য়ার থেকে বাঁ’চার জন্যেই বারবার চেষ্টা করেছেন সম্রাট। শেষ পর্যন্ত তিনি গ্রে’প্তার হয়েছেন। আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সূত্রে জানা গেছে যে, ক্যাসিনো বাণিজ্যসহ বিভিন্ন অ’পকর্ম স’ম্পর্কে সরকারকে সব ধরণের সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। এর বদলে একটাই অনুরোধ রেখেছেন যে, তাকে যেন ক্রসফা য়ারে দেওয়া না হয়। সূত্রঃ বাংলা ইনসাইডার

ক্যাসিনোকাণ্ডে গ্রেফতার ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে হেলিকপ্টারে করে তার গ্রামের বাড়ি ফেনীতে নিয়ে গেছে র‌্যাব। রবিবার সন্ধ্যার পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে সম্রাটের অফিস ও বাসায় একযোগে অভিযান চালায় র‍্যাব। রবিবার ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার অন্যতম সহযোগী আরমানও ছিলেন। সুত্রঃ বিডি প্রতিদিন

বহুল আলোচিত ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ক্যাসিনো চালিয়ে সেই অর্থ দলের পেছনেই খরচ করতেন বলে জানিয়েছেন তার দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন।রবিবার (০৬ অক্টোবর) বিকাল ৩টার দিকে মহাখালী ডিওএইচএসের ২৯ নম্বর সড়কে ও ৩৯২ নম্বর বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। এ সময় মহাখালীর নিজ বাসায় সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তিনি।

শারমিন বলেন, ক্যাসিনো চালিয়ে সম্রাট যে অর্থ পেত তা দলের পেছনেই খরচ করতো। মহাখালীর এই বাসায় গত দুই বছরের মধ্যে সে আসেনি। এছাড়া ক্যাসিনোর অর্থ পরিবারকেও দিত না সম্রাট।

এর আগে, ক্যাসিনোবিরোধী অভিযানের ধারাবাহিকতায় রবিবার ভোর ৫টায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কুঞ্জশ্রীপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটকে গ্রেফতার করে র‌্যাব-১ এর একটি বিশেষ দল। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয় তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী এনামুল হক আরমানকেও।সম্রাটের সঙ্গে গ্রেফতার তার সহযোগী আরমানকেও ঢাকায় আনা হয়েছে। ঢাকায় এনে তাদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করে র‌্যাব। ভিডিও : যমুনা টিভি।

ক্যাসিনোকাণ্ডে আলোচিত যুবলীগের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী ওরফে সম্রাটকে গ্রে’ফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।রোববার ভোর ৫টার দিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রে’ফতার করা হয়। এ সময় তার সহযোগী আরমানকেও গ্রে’ফতার করে র‌্যাব।

র‌্যাবের লিগ্যাল ও মিডিয়া উইংয়ের সিনিয়র সহকারী পরিচালক এএসপি মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে সম্রাটকে গ্রে’ফতারের বিস্তারিত তথ্য দেননি র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানো হবে। এদিকে চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, গভীর রাতে ওই এলাকায় একটি বাড়ি র‌্যাব ঘিরে রাখে।

পরে সম্রাটকে গ্রে’ফতার করে নিয়ে যায়। স্থানীয়রা আরও জানান, কুঞ্জুশ্রীপুর গ্রামের এক আত্মীয়ের বাসায় আত্মগোপনে ছিলেন সম্রাট। আলকরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গণমাধ্যমকে বলেছেন, ঘটনার সময় তিনি এলাকায় ছিলেন না।তবে স্থানীয়রা তাকে ফোন করে ঘটনা সম্পর্কে বলেছেন। প্রসঙ্গত আলোচিত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট ঢাকার জুয়াড়িদের কাছে ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ হিসেবে পরিচিত।

জুয়া খেলাই তার পেশা ও নেশা। প্রতিমাসে ঢাকার বাইরেও যান জুয়া খেলতে। সম্প্রতি রাজধানীতে ক্লাব ব্যবসার আড়ালে অবৈধ ক্যাসিনো পরিচালনার অভিযোগে র‌্যাবের হাতে ধরা পড়েন সম্রাটের ডান হাত হিসেবে পরিচিত যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভূঁইয়া।এরপর ধরা পড়েন রাজধানীর টেন্ডার কিং আরেক যুবলীগ নেতা জিকে শামীম। এ দুজনই অবৈধ আয়ের ভাগ দিতেন সম্রাটকে। তারা গ্রে’ফতার হওয়ার পর জিজ্ঞাসাবাদে সম্রাটের অবৈধ ক্যাসিনো সাম্রাজ্য নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন।

প্রকাশ্যে চলে আসে সুন্দর অবয়বের আড়ালে সম্রাটের কুৎসিত জগত। এতে করে বেকায়দায় পড়েন সম্রাট। এর পর গা ঢাকা দেন যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট।আড়ালে থেকেই গ্রে’ফতার থেকে বাঁচতে নানা তৎপরতা শুরু করেন। ফন্দিফিকির শুরু করেন কীভাবে নিজেকে বাঁচানো যায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে সরকারের উচ্চ মহলের ‘গ্রিন সিগন্যালের’ অপেক্ষায় ছিল। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছিলেন, ‘অপেক্ষা করুন, যা ঘটবে দেখবেন। আপনারা অনেক কিছু বলছেন, আমরা যেটি বলছি ‘সম্রাট’ হোক আর যেই হোক, অপরাধ করলে তাকে আমরা আইনের আওতায় আনব। ‘আমি এটি এখনও বলছি- সম্রাট বলে কথা নয়; যে কেউ আইনের আওতায় আসবে। আপনারা সময় হলেই দেখবেন।’

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]