সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
না’রায়ণগঞ্জে জ’ঙ্গি আ’স্তানা, বাড়ির ভেতর পাঠানো হচ্ছে রো’বট ।

না’রায়ণগঞ্জে জ’ঙ্গি আ’স্তানা, বাড়ির ভেতর পাঠানো হচ্ছে রো’বট ।

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আজ সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া আটটা থেকে উপজেলার ফতুল্লার শিয়াচর এলাকায় কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের নেতৃত্বে জেলা পুলিশের সহায়তায় সেখানে অভিযান চলছে।

জঙ্গি সন্দেহে যে বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে সেটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) জয়নাল আবেদিনের বাড়ি বলে জানা গেছে। বর্তমানে ওই বাড়ির ভেতরে রোবট পাঠানো হচ্ছে। যাতে করে ভেতরে কোন ধরণের বোমা বা দাহ্য পদার্থ রয়েছে কিনা তা দেখার জন্য। এটি পরীক্ষা করেই সেখানে সরাসরি অভিযান চালাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

এদিকে জঙ্গি সন্দেহে সেখান থেকে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক জামালউদ্দিন রফিক (২৩), আহছানউল্লা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল বিভাগের শিক্ষক ফরিদউদ্দিন রুমি (২৭) ও ফরিদউদ্দিনের স্ত্রী অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা জান্নাতুল ফোয়ারাকে (২৭) আটক করা হয়েছে।

জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক সাজ্জাদ রুমন এ অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, অভিযান এখনো চলছে। বিপুলসংখ্যক পুলিশ এলাকা ঘিরে রেখেছে।

আরো পড়ুন… নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় তক্কা মাঠ এলাকায় জঙ্গি সন্দেহে একটি বাড়ি ঘিরে রেখেছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট। সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভোর থেকেই বাড়িটি ঘিরে রাখে।

ফতুল্লা মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ আসলাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এসময় ঐ বাড়ি থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে বলেও জানা যায়।

বাড়িটিতে কোনও বিস্ফোরকদ্রব্য ও এক্সক্লুসিভ জাতীয় কিছু থাকতে পারে এমন সন্দেহে বোম ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। বোম ডিসপোজাল ইউনিট আসলে বাড়িতে তল্লাশি চালানো হবে বলে জানিয়েছেন ইউনিটের একটি সূত্র।

আরো পড়ুন… আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা তার দলের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান শুরু করেছেন। দেশের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং এর অর্জনসমূহ সমুন্নত রাখতে সরকার দুর্নীতি বিরোধী লড়াই করছে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য প্রয়াত সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত একটি জনসভায় বক্তব্য কালে বলেছিলেন, ‘বাঘে ধরলে বাঘে ছাড়ে শেখ হাসিনা ধরলে ছাড়েনা’। তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অনেকেই এই সময়ে পোষ্ট করেছে। তারা লিখছেন, শেখ হাসিনার দূর্নীতির বিরুদ্ধে এই অভিযান বর্শিয়ান নেতা সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের বক্তব্যের সঙ্গে একেবারে মিলে যাচ্ছে।

কয়েকদিন আগের বেশ আলোচিত ঘটনা ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম চাঁদাবাজি ও দূর্নীতির অভিযোগ পায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীকে পদত্যাগের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে সংগঠনের প্রথম সহ-সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে প্রথম যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এই ঘটনা প্রসঙ্গে শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস রয়েছে। মানুষ জানে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে দেশের উন্নতি হবে। এই বিশ্বাস ও আস্থা ধরে রাখতে হবে। মানুষের আকাক্ষা পূরণে কাজ করতে হবে। আওয়ামী লীগের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত যেসব নেতাকর্মী আছে তাদের প্রত্যেককে আন্তরিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে। তাহলে আমরা আমাদের অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারব। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে পারব।

ছাত্রলীগের এই অভিযানের পরেই গত শনিবার দলের কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় যুবলীগ নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। যুবলীগ দক্ষিণের সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী সম্রাটকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, আমার সংগঠনে চাঁদাবাজ দরকার নেই। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের যুব সংগঠন যুবলিগের ছত্রছায়ায় রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় শতাধিক জুয়াচক্র বা ক্যাসিনো চলছে। সম্প্রতি আওয়ামী লীগের বৈঠকে যুবলিগের ওপর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, ঢাকায় অবৈধভাবে ক্যাসিনো ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে যুবলিগ নেতারা। আমার কাছে সবার সব তথ্য আছে।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ক্যাসিনো খুঁজে বের করতে মাঠে নামে। এরপরই থেকে শুরু হয় অভিযান। র‌্যাব একের পর এক অভিযান চালিয়েছে। সেই অভিযানে বেড়িয়ে এসেছে যুবলীগ নেতাদের দূর্নীতি। প্রচুর পরিমানে মাদক, বিপুল পরিমানে অর্থ ও অবৈধ অস্ত্র সহ বেশ কয়েকজন যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

এই দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো সম্পর্কে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজির আহমেদ বলেছেন, অবৈধ এই ক্যাসিনোগুলোর বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান চলবে। যতদিন প্রয়োজন ততদিন এই অভিযান চলবে। জিরো টলারেন্স নীতিতে র‌্যাব এই অভিযান চালাচ্ছে। সুত্রঃ বাংলা ইনসাইডার।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]