সর্বশেষ আপডেট
হিন্দুদের ইয়োগা অনুশীলন করা হচ্ছে ভারতের মসজিদে টাঙ্গাইলে করোনা ভা’ই’রা’স আ’ত’ঙ্কে প্রবাসী স্বামীকে ছেড়ে পালাল স্ত্রী যে কারণে মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় তৃতীয়স্থান পাওয়া ঢামেকের শিক্ষার্থীর আ’ত্ম’হ’ত্যা’র চেষ্টা দেহ ব্যবসায় বেশি বিবাহিত নারীরা, ফাঁস হলো গোপন তথ্য… মাহফিল থেকে ফেরার পথে আলোচিত মুফাসসির আব্দুল্লাহ আল-আমিন গ্রেফতার বুয়েটের সেই ইফতি এখন রকেট ইঞ্জিনিয়ার মানবপাচারে এমপি জড়িত, পররাষ্ট্রমন্ত্রী বললেন ‘ভূয়া’ ঢাকায় রেললাইনে সেলফি তোলার সময় ট্রেনের ধাক্কায় কিশোর নিহত তাহসানের মত হ্যান্ডসাম হতে প্লাস্টিক সার্জারি করাচ্ছেন সৃজিত! করোনা আক্রান্ত সন্দেহে টাঙ্গাইলে প্রবাসীর সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ স্থানীয়দের
বিমানের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর জুতার তলায় কোটি টাকার স্বর্ণ, রিমান্ডে !!

বিমানের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর জুতার তলায় কোটি টাকার স্বর্ণ, রিমান্ডে !!

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌনে দুই কোটি টাকা মূল্যের স্বর্ণের বারসহ আটক বিমানের পরি’চ্ছন্নতাকর্মী জনাথন মু’ক্তি বারিকদারের (৩৪) দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।গতকাল বিমানবন্দরের কনকোর্স হলে জনাথন মু’ক্তি বারিকদারের জুতার তলায় লুকানো অবস্থায় ৩২টি স্বর্ণের বার পাওয়া গেলে তাকে আ’টক করা হয়। পরে আজ শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করা হয়।

বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলার সুষ্ঠু ত’দন্তের জন্য তার বিরুদ্ধে ১০ দিনের রিমা’ন্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারী দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপ্স অ্যান্ড মিডিয়া) মো. আলমগীর হোসেন জানান,

বৃহস্পতিবার ৭টা ৫৫ মিনিটে দুবাই থেকে ঢাকায় আসে এমিরেটসের ফ্লাইট ইকে-৫৮২। এই বিমানে পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন জনাথন মু’ক্তি বারিকদার। বিমানবন্দরের ৭ নম্বর বোর্ড-ইন ব্রিজে এয়ারক্রাফট থেকে যাত্রী নামানোর জন্য ডকিং করার পর জনাথন বিমানটির ভেতরে প্রবেশ করেন। পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ হলে তিনি নেমে আসেন। তখন এই এয়ারক্রাফটের নিরাপত্তায় থাকা

আর্মড পুলিশের সদস্যরা জনাথনকে তল্লা’শি করতে চাইলে সে বাগবিতণ্ডায় লিপ্ত হয়। পরে তাকে বিমানবন্দর আর্মড পুলিশের অফিসে এনে তল্লাশি করলে তার দুই জুতার তলায় ১৬ পিস করে ৩২ পিস স্বর্ণ বার পাওয়া যায়। জব্দ স্বর্ণের ওজন তিন কেজি সাতশ বারো গ্রাম। যার বাজার মূল্য এক কোটি ৮৫ লাখ টাকা। আটক জনাথন খুলনার খালিশপুর থানার বড় বয়রা গ্রামের সুমঙ্গ’ল বারিকদারের ছেলে।

আজকের আলোচিত খবর…প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেও চাকরি মেলে নি, আবারও অনশনে চাঁদের কণা !! রাজধানীর ইডেন কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেছেন শারীরিক প্রতি’বন্ধী চাঁদের কণা। শারীরিক অক্ষ’মতাকে যু’দ্ধের মধ্যে দিয়ে জয় করতে পারলেও জীবনযু’দ্ধে যেন আর জয়ী হতে পারছেন না তিনি। দেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রী নিলেও মেলেনি চাকরি। যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরির জন্য ফের অনশনে বসছেন চাদের কনা। এর আগে, গত জুন মাসে প্রথমবারের মতো অনশন করে চাঁদের কণা।

তখন প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া আশ্বাসে তিনি অনশন ভেঙেছেন। প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাস অনুযায়ী চাকরি না পাওয়ায় গত অক্টোবরে দ্বিতীয় দফায় টানা ৩৭ দিন অনশন করে প্রতিবন্ধী চাঁদের কণা। শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) আবারও তৃতীয় দফায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অন’শনে বসছেন এই প্রতি’বন্ধী। জানা গেছে, মাত্র নয় মাস বয়সে পোলিওতে আক্রান্ত হয়ে দুটি পায়ের কার্যক্ষমতা হারায় চাঁদের কনা।

তবুও বাবা-মায়ের সচেতনতা আর নিজের প্রতিব’ন্ধকতা জয়ের অদম্য চেষ্টায় চলতে থাকে হাতে হেঁটে পড়ালেখা। চাঁদের কনা যখন অনার্স ১ম বর্ষের ছাত্রী, তখন তার মা হাসনাহেনা বেগম মারা যান। এর কয়েক বছর পর ব্রেইন স্ট্রো’ক করে অসুস্থ হয়ে পড়েন তার বাবা। পরিবারের একমাত্র উপর্জ’নক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে এবং বাবার অসুস্থ’তাজনিত কারণে তার জীবনে নেমে আসে চরম দারিদ্র্যতা।

অবশেষে পড়ালেখার খরচ যোগাতে একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সামান্য বেতনে চাকরি নেন তিনি। কিন্তু থেমে থাকেননি। হাতের ভর দিয়ে রাজশাহী মাদার বক্স গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজে অনার্স পড়েছেন। এরপর ২০১৩ সালে ঢাকা ইডেন কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। যোগ্যতা অনুযায়ী সরকারি চাকরির জন্য ঘুরে অবশেষে তৃতীয় দফায় বসছেন চাঁদের কনা।

চাঁদের কণা বলেন, আমার শরীর দিন দিন ভারি হয়ে যাচ্ছে। কারো সাহায্য ছাড়া বাইরে যেতে পারি না। তাই কোন উপায় না পেয়ে সম্প্রতি পারিবারিক ভাবেই বিয়ে করেছি। কিন্তু সে আমার বয়সে অনেক ছোট, মাত্র ইন্টারে পড়ে। তার কাজ করার মতো বয়স বা যোগ্যতা কোনটাই নেই। তাই আমরা দুজন মানুষই ভীষণ অসহায় জীবন-যাপন করছি। তার পরিবারও খুব গরীব,

তাই বিয়ের পর আমাদের সমস্ত দায়িত্ব তারা ছেড়ে দিয়েছে। আমরা দুজনই আমার বাবার বাড়ি থাকি। বাবা অসুস্থ, সে কোন ভাবে মারা গেলে আমাদের দুজনকে রাস্তায় নামতে হবে। এখন আমাদের বেঁচে থাকার একমা’ত্র উপায় আর্থিক সচ্ছলতা। তিনি বলেন, মানুষের হাজার হাজার কোটি টাকা আছে, যা তাদের তেমন কোন কাজে লাগেনা। কেউ কেউ নি’জের শখের বসে,

লাখ টাকার কুকুর পোষে। আর কারো কারো তো মাসিক হাত খরচ ও এত বেশী যে, তাদের একদিনের খরচ দিয়ে আমাদের পুরো মাসটা চলে যেতে পারে। অথচ এই টাকার জন্য আজ আমাদের জীবন কতটা ভয়াবহ কঠিন হয়ে উঠেছে। কিন্তু আমরা এই কঠিন জীবনের অবসান চাই, আর্থিক কষ্টের মুক্তি চাই। তাই আমরা সকল শুভাকা’ঙ্ক্ষীদের কাছে আর্থিক সহযোগীতা চাই বলেছেন চাঁদের কনা।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme