সর্বশেষ আপডেট
স্কুলছাত্রের সাথে যে ব্যবহারের জন্য ব্যবসায়ীকে জ’রিমানা…

স্কুলছাত্রের সাথে যে ব্যবহারের জন্য ব্যবসায়ীকে জ’রিমানা…

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় স্কুলছাত্রের কাছে সিগারেট বিক্রি করায় ব্যবসায়ীকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমান আদালত। শনিবার (২৫ জানুয়ারি) সকালে তিন রাস্তার মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, তালা বি দে সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির এক ছাত্র (১৪) স্কুল ড্রেস পরিহিত অবস্থায় মুদি ব্যবসায়ী পবিত্র পালের দোকান থেকে সিগারেট কেনে। ঘটনাটি তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইকবাল হোসেনের দৃষ্টিতে আসে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ওই ব্যবসায়ীকে আটক করে পুলিশে দেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

এ বিষয়ে তালা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী রাসেল বলেন, আটক ব্যবসায়ী পবিত্র পালকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইকবাল হোসেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। ঘটনার বিষয়ে তালা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইকবাল হোসেন বলেন, প্রথমবারের মত অ’’পরাধ করায় ব্যবসায়ী পবিত্র পালকে ধুমপান ও মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ (সংশোধিত) অনুযায়ী অপ্রাপ্ত বয়স্কদের কাছে সিগারেট বিক্রির অপরাধে সর্বনিম্ন শাস্তি হিসেবে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও ভবিষ্যতের জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

আরো পড়ুন, ” টাঙ্গাইলে একটি ফ্রিজ আর দু’টি বাল্ব জ্বালিয়ে বিদ্যুৎ বিল এসেছে দশ লাখ টাকা।” একটি মাত্র ফ্রিজ আর দু’টি বাল্ব জ্বালিয়ে বিদ্যুৎ বিল এসেছে দশ লাখ টাকা। টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দেলদুয়ার জোনাল অফিস জেলার দেলদুয়ার উপজেলার পাথরাইলের সাহাপাড়া এলাকায় দুলাল মিয়ার মিটারে এমন অদ্ভুত বিল তৈরি করেছে। স্বাভাবিকভাবেই এতো টাকার বিল দেখে বাড়িওয়ালা দুলাল মিয়ার কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ।

ডিসেম্বরের বিলের কাগজে উল্লেখ করা হয়েছে, বর্তমান রিডিং ৯৪৫৭০ ও পূর্বের রিডিং ৯৪৪০ ইউনিট। এতে ব্যবহার দেখানো হয়েছে ৮৫১৩০ ইউনিট। ব্যবহৃত ৮৫১৩০ ইউনিট দেখিয়ে ডিসেম্বরে বিল তৈরি করা হয়েছে নয় লাখ ৫৩ হাজার ৯৪৫ টাকা। জরিমানাসহ নয় লাখ ৯৯ হাজার ৩৭০ টাকা। মিটারের মালিক দুলাল মিয়া জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সদস্য।

তার বাড়িতে পল্লী বিদ্যুতের মিটার রয়েছে। মিটারের নম্বর ০৯২৩৩৩৪। এসএমএস হিসাব নং ১০০২০৩৩৫০২০৩০। তার মিটারে নভেম্বর মাসে বিল এসেছে ৪৯৫ টাকা। নভেম্বর পর্যন্ত তার সকল বিল পরিশোধ রয়েছে। বিল পরিশোধের বার্ষিক সার্টিফিকেটও (ক্লিয়ারেন্স) রয়েছে। এই মিটার থেকে একটি ফ্রিজ আর দুইটি বাল্ব ও একটি টেলিভিশন চালানো হয়।

নিয়মিত ৫-৬শ টাকা বিদ্যুৎ বিল আসে। হঠাৎ দশ লাখ টাকা বিদ্যুৎ বিল দেখে দুশ্চিন্তায় রয়েছি। টাঙ্গাইল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির দেলদুয়ার জোনাল অফিসের ডিজিএম বিপ্লব কুমার সরকার জানান, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। একটি আবসিক মিটারের এমন বিল হওয়ার কথা না। ভুল পোস্টিংয়ের কারণ এমন বিল হতে পারে। বাড়িওয়ালার দুশ্চিন্তার কারণ নেই। আমি অবশ্যই বিলটি সংশোধন করে দেব।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme