সর্বশেষ আপডেট
সালাম না দেয়ায় শিশুকে পেটানো সেই ছা;ত্রলী;গ নেতা আ;টক ভালোবেসে ২ মাস আগে বিয়ে, স্বামীর দুই ঘণ্টা পর মারা গেলেন স্ত্রীও ২৪ বছর পর দেশে ফিরেই সড়ক দু;র্ঘট;নায় প্রাণ হারালেন প্রবাসী এবার টাঙ্গাইলে নবম শ্রেণির ছাত্রীকে ধ’র্ষণ করলেন শিক্ষক মেয়ের ধ’র্ষণের বি’চার পাননি, উল্টো মিথ্যা মামলায় হাজিরা দিচ্ছেন স্বপন মামা খোঁ’জ মিলল টিকটকার সেই জাসমিনের, যে কারণে ছেড়েছিলেন ঘর এবার মুসলিমদের জন্য সৌ’দি স’রকার চালু করলো ‘হা’লাল প*তি’তালয়’ পদত্যাগ করলেন রাশিয়া সরকার মুসলিমদের স্বার্থে আর্থিক ক্ষ;তিকে ভয় পায় না মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মালয়েশিয়া থেকে পাম তেল কিনবে না, তবুও ভারতের ‘বি;প;ক্ষে অ;নড়’ মাহাথির
বাবার সাথে শিক্ষকের দ্ব’ন্দ্ব, স্কুলে ভর্তি হতে পারছে না মেয়ে

বাবার সাথে শিক্ষকের দ্ব’ন্দ্ব, স্কুলে ভর্তি হতে পারছে না মেয়ে

বাবার সাথে প্রধান শিক্ষকের দ্বন্দ্বের জেরে পঞ্চগড় জে’লার এক শিক্ষার্থী স্কুলে ভর্তি হতে পারছে না বলে অ’ভিযোগ উঠেছে। স্কুলে ভর্তি হতে না পেরে এবং নতুন বই না পেয়ে হতাশায় কাটছে ২০১৮ সালে পিইসি পাস করা কামেলী আক্তারের। খবর ইউএনবি’র। বাড়ির কাছে বিদ্যালয়ে পড়তে ইচ্ছুক ওই শিক্ষার্থীর ভর্তি এখন অনেকটাই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

চরম হতাশায় দিন কা’টাচ্ছে ওই শিক্ষার্থী ও তার পরিবার। আগের বছরও ওই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে চাইলে তাকে নানা অজুহাতে বাদ দেয়া হয় বলে অ’ভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থীর পরিবার। অ’ভিযোগে জানা গেছে, কামেলী আক্তারের বাবা আব্দুল করিম বেন্টু পেশায় একজন ব্যবসায়ী। বেন্টু ২০১০ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত শালবাহান দ্বিমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির নির্বাচিত সদস্য ছিলেন।

২০১৮ সালে কথা কা’টাকাটিকে কেন্দ্র করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু জাফরের সাথে বেন্টুর দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। বেন্টু ওই শিক্ষকের বি’রুদ্ধে মা’মলা করেন। মা’মলা’টি এখনো আ’দালতে চলমান রয়েছে। বেন্টু জানান, ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর শালবাহান দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন ভর্তি বি’জ্ঞপ্তি প্রকাশ হলে ১৫ নভেম্বর ভর্তি ফরম নিতে যান আব্দুল করিম বেন্টু।

কিন্তু দ্বন্দ্ব থাকায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু জাফর তাকে ভর্তি ফরম না দিয়ে ফিরিয়ে দেন। বিভিন্ন মাধ্যমে অনুরোধ জানালেও কোনো কাজ হয়নি। এমনকি গত ২৯ নভেম্বর বেন্টু তেঁতুলিয়া উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা বরাবরে একটি লিখিত অ’ভিযোগ করলেও কোনো কাজ হয়নি।অ’ভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে আব্দুল করিম বেন্টুর মেয়ে কামেলী মুনিগছ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পিইসি পাস করে।

২০১৮ সালের ২৭ নভেম্বর শালবাহান দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয় কামেলী। ভর্তি পরীক্ষায় কৌশলে তার নাম অকৃতকার্যদের তালিকায় প্রকাশ করা হয় বলে অ’ভিযোগ করেন কামেলীর পরিবার। পরে কয়েক দফায় তাকে ভর্তি করার জন্য অনুরোধ করলেও ভর্তি নেয়নি ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু জাফর। এরপর ভর্তি আদেশের জন্য আ’দালতে একটি মা’মলা করেন কামেলীর বাবা আব্দুল করিম বেন্টু।

কিন্তু আ’দালতে মা’মলার দীর্ঘ সূত্রিতার জন্য তিনি ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর মা’মলা’টি তুলে নিতে বাধ্য হন। তবে ওই শিক্ষকের বি’রুদ্ধে তার দায়ের করা অন্য মা’মলা’টি এখনো চলমান রয়েছে। কামেলী আক্তার বলে, ‘শালবাহান দ্বিমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়টি আমা’র বাড়ির কাছেই তাই আমি এখানে পড়তে চাই। আমা’র বড় দুই্ বোনও এখানে পড়েছে।

অন্য বিদ্যালয়গুলো ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার দূরে। আমা’র বন্ধুরা সবাই নতুন বই হাতে পেয়ে পড়তে শুরু করেছে। আমি ভর্তি ফরমটিও পাইনি। আমাকে ওই বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ করে দেয়া হোক। বাবার সাথে শিক্ষকের দ্বন্দের জন্য আমি কি শিক্ষার অধিকার থেকে বঞ্চিত থাকবো।’ আব্দুল করিম বেন্টু বলেন, ‘ঘটনার প্রেক্ষিতে আমি ওই শিক্ষকের বি’রুদ্ধে মা’মলা করেছি।

তার সাথে আমা’র দ্বন্দ্ব থাকতেই পারে, তাই বলে আমা’র মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করাবে না এটা হয় না। ওই শিক্ষকের ক্ষমতার অ’পব্যবহারের কারণে ইতোমধ্যে আমা’র মেয়ের এক বছর সময় নষ্ট হয়েছে। এর আগের বছর আমা’র মেয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিল। কিন্তু ওই শিক্ষক কৌশলে তাকে ফেল করিয়ে দেয়। এবার ভর্তি ফরমটিও দেয়নি। প্রভাব খাটিয়ে জাফর যা ইচ্ছে তাই করছে।

মেয়েটি ভর্তি হতে না পেরে বই না পেয়ে কা’ন্নাকাটি করছে।’ শালবাহান দ্বিমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবু জাফর ওই শিক্ষার্থীর বাবার সাথে মা’মলা সংক্রান্ত দ্বন্দ্বের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘আমা’র বি’রুদ্ধে মা’মলা করা এবং মা’মলা’টি চলমান থাকায় তাকে ভর্তি ফরম দেয়া হয়নি। এছাড়া আম’রা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ৮০ জনের বেশি এবং জিপিএ ২ এর নিচে ছাত্রী ভর্তি করাবো না।

তাই ওই শিক্ষার্থীকে ভর্তি ফরম দেয়া হয়নি।’ তেঁতুলিয়া উপজে’লা নির্বাহী কর্মক’র্তা মো. রফিকুল আলম বলেন, ‘অ’ভিযোগ পাওয়ার পর আমি উপজে’লা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মক’র্তাকে বিষয়টি ত’দন্ত করার নির্দেশ দিয়েছি। ত’দন্ত প্রতিবেদন পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’জে’লা শিক্ষা কর্মক’র্তা শাহীন আকতার বলেন, ‘পিইসি পরীক্ষায় জিপিএ ২ এর নিচের ফলাফলের শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফরম দেয়া যাবে না এমন কোনো বিধান নেই। বিষয়টি আমি খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেব।’

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme