সর্বশেষ আপডেট
ঢাকায় প্রকাশ্যে দিনে-দুপুরে ছি’ন’তা’ইয়ে’র শিকার শিক্ষিকা, ভি’ডিও ভা’ই’রাল প্রবাসে আওয়ামী লীগ-বিএনপি নিয়ে সিলেটিদের মধ্যে সং;ঘর্ষ, নি;হত ১ মায়ের দুল বিক্রির টাকায় লেখাপড়া শুরু করা মারুফার এএসপি হওয়ার গল্প ধ’রিয়ে দেন একে, দুবাই প্রবাসীর ১৩ লাখ টাকা নিয়ে উ’ধাও এই নারী বাংলাদেশ-পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি সম্প্রচার করবে না বাংলাদেশি কোনো চ্যানেল, দেখবেন যেভাবে ঢাবির হলে আবরার স্টাইলে চার শিক্ষার্থীকে রাতভর নি’র্যাতন ছেলেকে হ;ত্যা;র পর ডা’কা’তি নাটক সাজালেন সৎ মা পুত্রবধূকে ফাঁ’সাতে নিজের ১৫ দিনের সন্তানকে হ’ত্যা করলো মা! নারী ইউপি সদস্যের বাড়িতে অ’সা’মাজিক কাজ, আ’ট’ক ৮ স্বামী প্রবাসী, ছাত্রীর মাকে নিয়ে উ;ধাও প্রাইভেট শিক্ষক
ধ’রা পড়েছে ধর্ষ’ক, প্র’শ্নবা’নে জ’র্জ’রি’ত মা-মেয়ে

ধ’রা পড়েছে ধর্ষ’ক, প্র’শ্নবা’নে জ’র্জ’রি’ত মা-মেয়ে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে ধষ’র্ণের ঘ’টনায় আজ বুধবার মজনু নামের একজনকে গ্রে’ফতার করেছে র‌্যা’ব। অ’পরদিকে ধ’র্ষণের পর থেকে ঢাকা মেডিকেলে ভ’র্তি রয়েছে ওই ছাত্রী।এছাড়া ধ’র্ষককে গ্রে’ফতার ও শা’স্তি দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আ’ন্দোলন চলছে।এরইমধ্যে হা*সপা*তালে ওই ছাত্রী ও তার মা বিভিন্ন প্র’শ্নবা’নে জ’র্জ’রি’ত হয়েও সব উত্তর দিয়ে সা’হ’সিক’তার পরিচয় দিয়েছেন।

যার ফলে ধ’র্ষককে ধ’রতে সক্ষ’ম হয়েছে আই’নশৃঙ্খ’লা বা’হিনী। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি স্ট্যা’টাস দিয়েছে বিবিসি বাংলার সাং’বা’দিক পারমিতা হিম।স্ট্যা’টা’সে তিনি লিখেছেন, ‘‘ধ’র্ষক ধ’রা পড়েছে। এ সাফল্য কার? মেয়েটার। এমন মু’মূ’র্ষূ অবস্থাতেও দুইদিনে অন্তত ৭০ জন লোক তাকে দিন থেকে রাত, রাত থেকে দিন নানা প্র’শ্ন’বা’ণে জ’র্জ’রি’ত করেছে।

দুপুরে খাবার সময়টুকু দেয় নাই, দেয় নাই ঘুমাতে। কতবার ধ’র্ষণ করেছে, কতক্ষণ ধরে— একই প্রশ্নের উত্তর দিতে দিতে আমি কা’ন্নায় ভেঙে পড়েছি। মেয়েটি থেমে যায় নাই। একবারও ভে’ঙে পড়ে নাই। সে শক্ত ছিল। সে সবার সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে। সবকিছু নিজে করার চেষ্টা করেছে। ধ’র্ষকের হাত থেকে দৌড়ে পালায়ে আসছে ও। কেউ তাকে বাঁ’চায় নাই।

মেয়েটার এত সাহস, এত মানসিক শক্তির উৎস কি জানেন? মেয়েটার মা। সোমবার ভোরবেলা হা*সপা*তালে তাকে ঘটনা খু`লে বলার পর তিনি আমা’র হাত ধরে শুধু একটা প্রশ্নই জিজ্ঞাসা করলেন— ও কি বেঁ`চে আছে? আমি হ্যাঁ বলতেই আমা’র হাত চেপে ধরে বললেন, তাহলেই হবে। আমা’র মেয়ে বেঁ`চে থাকলে সব করতে পারবে। ও যা চায়, ওর সব স্বপ্ন ও পূরণ করবে।

মেয়েটিকে প্রথম দেখে মা বলেছিলেন— কিছু হবে না মা। এমন জীবনে হয়। তুই শক্ত থাক। তুই পরীক্ষা দিতে পারবি— একটুও ভাবিস না।তিনদিন টানা মেয়ের পাশে— মেয়েকে প্রতিনিয়ত সাহস যোগালেন, শক্তি দিলেন, আত্মীয় স্বজনের অজস্র কটুক্তির উত্তর দিলেন। এমনকি নিজের স্বামীর অসংখ্য দোষারোপের স্বীকার হলেন মা। ভুল করে কেন নামলো কুর্মিটোলা? কেউ আবার বাস স্টপেজ ভুল করে নাকি?

বান্ধবীর বাসায় যাবার কী’ দরকার, হলের মেয়ে হলে থাকবে—কত রকম বাজে কথা যে শুনতে হলো আমাদেরকে। আমি অ’সুস্থ বোধ করতাম। আমি একবারও মন খা’রাপ করতে দেখি নাই মাকে। উল্টাে বলতেন- আরে বাহ, মানুষের বুঝি ভুল হয় না? তোম’রা কখনো রাস্তা ভুল করোনি? অজ পাড়া গাঁ থেকে উঠে আসা এই মা। আর আমা’র সোশ্যাল মিডিয়ার অসংখ্য অ`শ্লীল কমেন্ট— অসংখ্য অদ্ভুত চাহনি— এর মধ্যে মাকে দেখে মনে হয়— এই মায়েদের জন্যই এখনো আম’রা বেঁ`চে আছি।

যাদের আমাদের নিরাপত্তা দেবার কথা, তারা তা দিতে পারে নি। একথা ভুলে যাবেন না। কক্ষনো না। মেয়েটি আমাকে বলেছে— এদেশের নয়, সব দেশের, ঢাকায় নয়, সবখানে, সন্ধ্যা সাতটায় নয়— সকাল, বিকাল, রাত, দুপুর— সবসময় একটা মেয়ে যেন নির্জন/ ব্যস্ত সব পথ ধরে হেঁটে যেতে পারে সেজন্য আজীবন লড়ে যাবে সে। গত তিনদিন আমা’র জীবনের অন্যতম ভয়াবহ দিন। গত তিন দিন আমা’র জীবনের অন্যতম তাৎপর্যময় দিন। অনেক অনেক ধন্যবাদ মেয়ে। অনেক কৃতজ্ঞতা মা।”

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme