সর্বশেষ আপডেট
প্রেমিককে পেতে কনকনে শীতে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসলো ১৪ বছরের কিশোরী । আমাদের নিয়ে আযহারী হুজুর ছাড়া আর কেউ এমন কথা বলেনিঃ হিজড়া প্রধান । প্রভাকে বিয়ে করলেন ইন্তেখাব দিনার । বিয়েতে সৌদি নারীদের পছন্দের শী’র্ষে বাংলাদেশি পুরু’ষরা । আজ ১৯/০১/২০২০ তারিখ, দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত । দেহ ব্যবসা করতে করতে যেভাবে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হলেন আলিয়া । শারীরিক সম্পর্কে মোটা পুরুষেরা বেশি সক্রিয়, বলছে গবেষণা । ওয়াজে তারেক মনোয়ারের বক্তব্য নিয়ে ফেসবুকে তুমুল আলোচনা । পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে গিয়ে যেভাবে খু’ন করা হল গৃহবধূকে । ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে হচ্ছেনা এসএসসি পরীক্ষা ।
মিরপুর প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থী নারীকে মা’রধরের অভিযোগ, সমালোচনার ঝড়

মিরপুর প্রেসক্লাব সভাপতির বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থী নারীকে মা’রধরের অভিযোগ, সমালোচনার ঝড়

রাজধানীর মিরপুরের নবগঠিত মিরপুর প্রেসক্লাবের ‘বিত’র্কিত’ সভাপতি মীর শফিকুল ইসলাম পলাশ কর্তৃক বিচারপ্রার্থী অসহায় এক নারীকে মা’রধর ও নি’র্যা’তন চালানোর অভি’যোগ পাওয়া গেছে।দীর্ঘদিন ধরে কথিত সাংবাদিক স্বামীর নি’র্যা’তন ও অ’ত্যা’চারের শি’কার ওই নারী বিচারপ্রার্থী হয়ে গত সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) প্রেসক্লাব কার্যালয়ে গেলে সহযোগিতা না করে উল্টো তাকে মা’রধর করেন সভাপতিসহ অন্যরা।

নি’র্যাতি’তা ওই গৃহবধূ নিজেকে ‘দেশের কণ্ঠ টুয়েন্টিফোর ডটকম’ ও ‘দেশ নিউজ ডট টিভি’র চেয়ারম্যান কথিত নামধারী সাংবাদিক আক্তারুজ্জামান তারেকের স্ত্রী বলে পরিচয় দেন। এদিকে প্রেসক্লাব কার্যালয়ের ভেতরেই সভাপতি কর্তৃক বিচারপ্রার্থী নারীকে এমন নি’র্যাত’নের খবরে ম’র্মাহত হয়েছেন অনেকেই।নি’র্যাত’নের শিকার চম্পা নামে ভুক্তভো’গী ওই নারী জানান,

২০১৭ সালে আশুলিয়ার জামগড়া এলাকার মিয়া মার্কেটে হাতুরে হোমিওপ্যাথিক ডাঃ হিসেবে একটি ডিসপেন্সারী পরিচালনা করতো মীর আক্তারুজ্জামান তারেক। অসুস্থ হয়ে সেবা নিতে গিয়ে আমার সাথে পরিচয়ের এক পর্যায়ে তার পোষ্য স’ন্ত্রা’সী বাহিনী দিয়ে আমাকে অ’পহ’রণ করে বে’কায়দায় ফেলে বিয়ে করেন তারেক।বিয়ের কিছুদিন ভালোই কাটছিলো।

তবে বছর খানেক পার না হতেই তার নানা অ’পকর্ম আমার চোখে ধরা পড়তে শুরু করে। পরিচিত ও অ’পরিচিত বিভিন্ন নারী পুরুষকে নিয়মিত বাসায় নিয়ে এসে তাদেরকে অ’বাধ মেলামে’শার সুযোগ করে দিতেন আমার স্বামী মীর আক্তারুজ্জামান তারেক। একজন স্ত্রী হিসেবে আমি চোখের সামনে এমন অ’নৈতিক কর্মকা’ণ্ড স’হ্য করতে না পারার এক পর্যায়ে প্রতি’বাদ করলে শুরু হয় আমার উপর শারীরিক ও মানসিক নি’র্যা’তন।

তার অ’পকর্ম ও অ’নৈতিক কার্যকলাপের বিষয়ে এলাকায় জানাজানি হলে হঠাৎ করেই জামগড়ার হোমিওপ্যাথিক ফার্মেসী ছেড়ে দেন তারেক। গা-ঢাকা দিয়ে চলে আসেন মিরপুরে। আশ্রয় নেন সম্পর্কে চাচা মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর পলাশের বাড়িতে। ফলে জামগড়ার বাসায় আমার কাছেও তার যাতায়াত অ’নিয়মিত হয়ে ওঠে। পরে একদিন হঠাৎ আমার স্বামীর মুখে জানতে পারি তিনি নাকি এখন সাংবাদিক হয়েছেন।

মিরপুরে তার বিশাল অফিস ও লোকবল রয়েছে। নি’র্যাত’নের শিকার বিচারপ্রার্থী চম্পা বলেন, গত প্রায় দুই মাস যাবত আমার কোনো প্রকার খোঁজ খবর নেওয়াই বন্ধ করে দেন তারেক। আমি অ’সহায় হয়ে খেয়ে না খেয়ে দিনপাত করার সাথে সাথে নিয়মিতভাবে মুঠোফোনে তার খবরা খবর নেই এবং আমার অ’সহায়ত্বের বিষয়ে অবগত করি। তবে তিনি মুঠোফোনে সিলেটসহ একেক সময় একেক জেলায় আছেন বলে জানান।

পরে আমি আমার পরিচিত এক ভাইয়ের মাধ্যমে জানতে পারি মিরপুরে মীর পলাশের বাড়ির নিচতলায় প্রেসক্লাবের ভেতরেই রাতে থাকার রুম রয়েছে তার এবং বর্তমানে সে সেখানেই থাকেন। প্রেসক্লাবের সভাপতি কর্তৃক নি’র্যাত’নের বর্ণনা দিয়ে চম্পা বলেন, প্রায় টানা তিনদিন না খেয়ে থেকে ক্ষু’ধার জ্বা’লা স’হ্য করতে না পেরে ১৬ই ডিসেম্বর আমি আমার স্বামীকে খুঁজতে প্রেসক্লাবে হাজির হই। প্রেসক্লাব কার্যালয়ে প্রবেশ করে সভাপতি মীর পলাশকে জিজ্ঞেস করি তার ভাতিজা, আমার স্বামী মীর আক্তারুজ্জামান তারেক আছে কিনা।

এবং আমার প্রতি তার নি’র্যাত’নের বিষয় ও অ’সহায়ত্ব তুলে ধরে একটা ব্যবস্থা করে দেয়ার জন্য অনুরোধ করি।কিন্তু আমার আবেদনে কোনো সাড়া না দিয়ে বরং তিনি উচ্চস্বরে প্রেসক্লাবের ভেতরে উপস্থিত লোকজনের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলতে থাকেন, এই আপদটা প্রেসক্লাব কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকলো কিভাবে? একে বের করো। প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর পলাশের এমন আচরণে আমি ভয় পেয়ে গেলেও তার পায়ে জড়িয়ে ধরে বসে পড়ে কা’কুতি মি’নতি করি।

কিন্ত তিনি আমার কোন কথা না শুনে পা ছাড় বলে প্রথমেই আমার বুকে সজোরে লাথি মা’রলে আমি ছিটকে ফ্লোরে পড়ে যাই। ফের উঠে আবার তার পায়ে ধরতে গেলে তিনি দ্বিতীয়বার আমার ডান কাঁধে সজো’রে লা’থি মারেন। আমার ডাক চিৎকারে প্রেসক্লাবের সেক্রেটারী জাকির হোসেন, প্রচার সম্পাদক মারুফ হায়দারসহ অনেকেই ছুটে আসে।তবে তারা এমন পরিস্থিতিতে আমাকে রক্ষা না করে সভাপতি মীর পলাশের সাথে সাথে তারাও মা’রতে থাকে।

এসময় মারুফ আমাকে টেনে তুলে সেক্রেটারী জাকিরকে বলে ওরে কানের নিচে কয়েকটা চ’রথা’প্পর দিয়ে বের করে দেন। বলেই জাকির ও মারিফ আমার কানে, মুখে, মা’থায় সজোরো আ’ঘাত করে। আমি এখনো ডান কানে কিছুই শুনতে পারছিনা। চম্পা অভি’যোগ করে বলেন, তাদের মা’রধরের পরেও কান্নায় ভে’ঙ্গে পড়ে আমি তাদের কাছে কা’কুতি মি’নতি করে বলি আপনারা আমার বড় ভাইয়ের মতো।

আমি তিনদিন কিছুই খাইনি। দয়া করে আমার স্বামীর সাথে আমাকে একবার দেখা করার সুযোগ করে দেন। তা না হলে আমাকে মে’রে ফেললেও আমি এখান থেকে যাবো না। তখন আরো কয়েকজন সাংবাদিক এসে আমাকে টেনে হিঁ’চড়ে প্রেসক্লাব কার্যালয়ের বাইরে নিয়ে যেতে থাকে। আমি বার বার ফিরে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করলে ফের সভাপতি মীর পলাশ আমার পেটে সজোরে লা’থি মারলে আমি ছিটকে গেটের বাইরে গিয়ে পড়ি,

পরে দারোয়ান গেট বন্ধ করে দেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর শফিকুল ইসলাম পলাশ কোনো সদুত্তর না দিয়ে বরং হু’মকির সুরে প্রতিবেদকে বলেন, এ বিষয়ে সাংবাদিকতার বাহাদুরি না দেখিয়ে নিজের কাজ করেন গিয়ে। এসব নিয়ে ভেবে কাজ নেই। আপনার মতো একশ সাংবাদিক আমি পুষি। ওদেরকে অর্ডার দিলে আপনার মতো সাংবাদিকের হার-মাংস আলাদা করে ফেলবে।

এদিকে এ ঘটনা নিয়ে কোনো সংবাদ প্রকাশ করলে প্রতিবেদককে বাসা থেকে ধরে এনে হ’ত্যা করে লা’শ গু’ম করে ফেলার হু’মকি দেন মিরপুর প্রেসক্লাবের সেক্রেটারি জাকির হোসেন। ওই নারীর স্বামী আক্তারুজ্জামান তারেকের কাছে ঘটনার সত্যতা জানতে চাইলে তিনি একই সুরে হু’মকি দিয়ে অ’কথ্য ভাষায় গা’লিগা’লাজ করেন।

এ ঘটনা নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করা তো দূরের কথা কোন ঘাটাঘাটি করলে প্রতিবেদকের বিরু’দ্ধেই তার অনলাইন পত্রিকা ও টিভিতে নে’তিবাচক সংবাদ প্রকাশের হু’মকি দেন।ভু’ক্তভো’গী নারীর অভি’যোগ, নি’র্যা’ত’নের শি’কার হয়ে তিনি রুপনগর থানায় হাজির হলেও মিরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি মীর পলাশের হ’স্তক্ষেপে থানা পুলিশও তার অভি’যোগ গ্রহণ করেননি।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme