সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
ভিসির কথা শুনে হেসে উঠলেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা ।

ভিসির কথা শুনে হেসে উঠলেন বুয়েটের শিক্ষার্থীরা ।

প্রতিবছর কতজন শিক্ষার্থী বুয়েটে ভর্তি হয় তা ভিসির কাছে জানতে চেয়েছিলেন শিক্ষার্থীরা। জবাবে ভিসি বললেন, ‘প্রতিবছর কতজন শিক্ষার্থী বুয়েটে ভর্তি হয় এ তথ্য এ মুহূর্তে আমার মাথায় নেই।’ভিসির এমন কথায় উপস্থিত শিক্ষার্থীরা উপহাসের ভঙ্গিতে হেসে উঠেন।শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে বুয়েটের অডিটরিয়ামে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম।

বক্তব্যের শুরুতেই ক্ষমা চেয়ে নেন তিনি। বলেন, ‘আমার কিছুটা ভুল হয়েছে, আমি তোমাদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করছি। আমার ভুল আমি স্বীকার করেছি, তোমরা আমাকে ক্ষমা করে দাও।’ ‘আবরার আমার সন্তানের মতো ছিল। তোমাদের যেমন কষ্ট লাগছে তার মৃ’ত্যুতে আমারও অনেক খারাপ লেগেছে। এটি আমি মেনে নিতে পারিনি। তার মৃ’ত্যুতে দুঃখ তোমরা পেয়েছ, আমিও পেয়েছি।

আমরা সকলেই ম’র্মাহত।’আবরার ফাহাদ হ’ত্যায় বুয়েটের অভিযুক্ত ১৯ জনকে অস্থায়ী বহিষ্কার এবং বুয়েটে ছাত্র রাজনীতি নিষি’দ্ধ ঘোষণা করেছেন ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। জানিয়েছেন, আবরারের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে। মামলার খরচ বুয়েট কর্তৃপক্ষ বহন করবে। বিচারকাজ দ্রুত শেষ করতে সরকারকে চিঠি দেয়া হবে।

উল্লেখ্য, ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেয়ার জের ধরে বুয়েট শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে রোববার (৬ অক্টোবর) রাতে ডেকে নিয়ে যায় বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। এরপর রাত ৩টার দিকে শেরেবাংলা হলের নিচতলা ও দুইতলার সিঁড়ির করিডোর থেকে তার ম’রদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।সোমবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল ম’র্গে আবরারের ময়নাত’দন্ত সম্পন্ন হয়।

ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ লাশের ময়নাত’দন্ত করেন। তিনি বলেন, ‘ছেলেটিকে পি’টিয়ে হ’ত্যা করা হয়েছে।’ নি’হত আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। আবরার হ’ত্যাকা’ণ্ডের বিচার দাবিসহ ১০ দফা দাবিতে আন্দোলনে উত্তাল রয়েছে বুয়েট ক্যাম্পাস।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হ’ত্যাকা’ণ্ডের ঘটনায় ক্ষো’ভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একই সঙ্গে অভিভাবক হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক সাইফুল ইসলামের ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক যাওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।মঙ্গলবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে এক অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে তিনি এসব বলেন। বৈঠকে উপস্থিত একাধিক নেতা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈঠকে উপস্থিত নেতাদের ভাষ্যনুযায়ী, পুরো বৈঠকটি ছিল একটা আবেগঘন পরিবেশের। শেখ হাসিনা বলেন, ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দেয়াকে কেন্দ্র করে, একটি ছেলেকে এভাবে পি’টিয়ে মে’রে ফেলা হবে, সেটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। এই ঘটনার দোষীদের ছাড় দেয়া হবে না। দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শা’স্তি দেয়া হবে।বৈঠক সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচায্যকে বুয়েটে চলমান আন্দোলন নিয়ে ব্রিফ করেন।

ছাত্রলীগকে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কাল বেলা ১১টায় মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলন করবেন বলে জানিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। শেখ হাসিনা বলেন, এ বিষয়ে আমরা কঠোর। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত সময়ের মধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা দায়ের করা হয়েছে। যারা জড়িত ছিল তাদেরকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ রকম তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা কোনো সরকারের সময় নেয়া হয়নি।

আইন অনুযায়ী এই ঘটনার বিচার হবে।তিনি বলেন, শিক্ষার জন্য আমরা যা করেছি পঁচাত্তর পরবর্তী সময়ের কোনো সরকার তা করেনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অস্ত্রের ঝনঝনানি ছিল। আমরা অ’স্ত্রের ঝনঝনানি বন্ধ করেছি। এখন ক্যাম্পাসে কোনো অ’স্ত্রবাজী নেই। শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ রয়েছে।বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়-বুয়েটে চলমান আন্দোলন নিয়ে ছাত্রলীগকে ‘কিপ সাইলেন্ট’ থাকার পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করছি না।

ছাত্রলীগ বা সরকার অপরাধীদের পক্ষ নেয়নি। তাই ছাত্রলীগকে সতর্ক থাকতে হবে যাতে কেউ আন্দোলনটিকে রাজনৈতিক রং দিতে না পারে। তিনি বলেন, হ’ত্যাকা’ণ্ডের ঘটনায় সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করণীয় তা তা করা হয়েছে। অ’স্ত্রবাজরা এখন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেই। এসব যাদের ভালো লাগছে না তারা ক্যাম্পাসকে উত্তপ্ত করার চেষ্টা করতে পারে।প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধরেছি যখন সবাইকে ধরবো। কাউকে ছাড় দেব না।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, মো. আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, এ কে এম এনামুল হক শামীম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচায্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]