৪০ কোটিতে বিক্রি হলো ইসলামি খেলাফতের এক মুদ্রা

৪০ কোটিতে বিক্রি হলো ইসলামি খেলাফতের এক মুদ্রা

৩৭ লাখ ২০ হাজার পাউন্ডে ইসলামের খলিফা শাসনামলের একটি দুর্লভ মুদ্রা বিক্রি হয়েছে। বাংলাদেশি টাকায় যা দাঁড়ায় ৪০ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। গত ২৪ অক্টোবর লন্ডনে এক নিলামের মাধ্যমে মুদ্রাটি বিক্রি হয়। তবে যিনি মুদ্রাটি কিনেছেন তার নাম পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে জানা যায়, ১ পাউন্ড কয়েনের আকৃতির মুদ্রাটি স্বর্ণের তৈরি।

ইসলামি শাসনামলের প্রথম দিকে উমাইয়া খিলাফাতের সময়ের দিনার সেটি। মুদ্রাটির ১০৫ হিজরি বা ইংরেজি ৭২৩ সালের বলে জানা গেছে। সংবাদমাধ্যমটিতে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দুর্লভ এই মুদ্রাটি এর আগে বিক্রি হওয়া ইসলামি মুদ্রাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম পেয়েছে। কারণ, ঐতিহাসিকভাবে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এই মুদ্রা মাত্র ডজনখানেকই ছিল।

মুদ্রাটির গায়ে খোদাই করে ‘মাদিন আমির আল-মুমিনিন বিল-হিজাজ’ কথাটি লেখা আছে। ইসলামের বেশ কয়েকজন খলিফার মালিকানায় সেটি ছিল বলে বিশ্বাস করা হয়। মুদ্রাটিতে ব্যবহৃত সোনা সৌদি আরবের মক্কা ও মদিনার কাছাকাছি কোনো খনি থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইসলামের প্রথম চার খলিফার শাসনকালের পর শুরু হয় উমাইয়া শাসনামল। খুলাফায়ে রাশেদিনের পর খেলাফাতের পরিচালনা করেন উমাইয়ারা। মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর সাহাবি এবং তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.) উমাইয়া বংশের একজন সদস্য ছিলেন।

উল্লেখ্য, জেলখানায় নিয়মিত নামাজ পড়তেন ইয়াসির বাহরি। তা দেখে অনেক বন্দিই ইসলাম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। ধীরে ধীরে তার হাতে ৫০০ কয়েদি ইসলাম গ্রহণ করেন। ইয়াসির বাহরি। কুয়েতি যুবক। যুক্তরাষ্ট্রে অধ্যয়নরত ছিলেন। ছিলেন পড়ালেখায় কঠোর পরিশ্রমী। কোনো দিন ভাবেননি তার ছাত্রজীবন রূপান্তরিত হবে জেলখানার বন্দি জীবনে। জেলখানার বদ্ধ প্রকোষ্ঠে ভোগ করতে হবে নির্মম শাস্তি!

যৌন হয়রানি ও ধর্ষণের একটি মিথ্যা মামলায় মার্কিন আদালত তাকে ১৫ বছরের কারাদ- দেন। জেলখানার কঠোরতা ও কষ্টসাধ্য জীবনকেও তিনি করে তোলেন অবিস্মরণীয়। বন্দিজীবনে রচনা করেন ২২টি গ্রন্থ! তার হাতে মুসলমান হন শত শত কয়েদি! তিনি ফ্লোরিডার সাতটি কারাগারে স্থানান্তরিত হন। সেখানকার অধিকাংশ বাসিন্দা ছিল কৃষ্ণাঙ্গ ও ল্যাটিন আমেরিকান। এ সময় তিনি মারাত্মক কঠিন সময় পার করেন।

আল্লাহর আশ্রয় ও নৈকট্য ছাড়া কোনো উপায় ছিল না তার এবং দূর সীমানা পেরিয়ে পরিবার তার কাছে যাওয়া ও তাকে সহযোগিতা করাও ছিল তার জন্য বিরাট সান্তনা। তার ভাই মুহাম্মদ বাহরি বলেন, তিনি জেলখানায় নামাজ পড়তেন নিয়মিত। তা দেখে অনেক বন্দিই ইসলাম সম্পর্কে জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। ধীরে ধীরে তার হাতে ৫০০ কয়েদি ইসলাম গ্রহণ করেন।

তিনি সেখানে বিভিন্ন সেলে চারটি পাঠাগার তৈরি করেন। এক্ষেত্রে তার স্ত্রী ও পরিবারের লোকদের সহযোগিতা গ্রহণ করেন। তিনি তাদের কাছে বই চাইতেন। তারা বইপুস্তক পৌঁছানোর কষ্ট সহ্য করতেন অবলীলায়। কার্গোর মাধ্যমে তারা তার কাছে বই পৌঁছাতেন।

কুয়েতে ইয়াসিরের আইনজীবী আবদুর রহমান সাকলাওয়ি আলজাজিরাকে জানান, এ মাসের শেষ নাগাদ ইয়াসিরের মুক্তির কথা রয়েছে। তার মুক্তির পর সর্বপ্রথম তাকে অভ্যর্থনা সেলে নেওয়া হবে। অতঃপর বহিরাগমন দপ্তরের জরুরি কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে সেখান থেকে নেওয়া হবে বিদেশি সেলে। কারণ তার ভিসা দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদহীন। সুতরাং তার ফেরত আসার কার্যক্রম সা

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]