প্রেমের টানে রাশিয়া থেকে কুমিল্লায় এসে বি’পদে গৃহবধূ

প্রেমের টানে রাশিয়া থেকে কুমিল্লায় এসে বি’পদে গৃহবধূ

জেলা সদরের শুভপুর ‘ক্ষণিক নিলয়’ নামক বাড়ির নোয়াব আলী মুন্সির পুত্র মানিক দীর্ঘদিন যাবৎ প্রতারণার মাধ্যমে প্রেম করে, সুন্দরী নারীদের কথিত বিয়ের নামে টাকা কামাচ্ছে। মানিকের ৪ স্ত্রী রয়েছে। সর্বশেষ প্রেমের সম্পর্কে রাশিয়ার নাগরিক মাদিনীকে বিয়ে করে, দাম্পত্য জীবনে ১ সন্তানের জন্ম হয় তাদের।

রাশিয়ান নাগরিক মাদিনী (৩৫) জানান, প্রতারণা করে মানিক তাকে বাংলাদেশের কুমিল্লা জেলা সদরের শুভপুর ‘ক্ষণিক নিলয়’ বাসায় আনে এবং পাসপোর্ট আ টকে রাখে। দীর্ঘদিন ধরে প্রতারক মানিক ও তার লোকজন টাকার জন্য অমানুষিক নি’র্যাতন করে আসছিল। গতকাল নি’র্যা তনের খবর পেয়ে পু লিশ ও এলাকাবাসী তার পাশে।

এলাকাবাসী জানায়, ওই (ক্ষণিক নিলয়) বাসায় ইতিপূর্বে আরো নারী নি’র্যাত নের ঘটনা ঘটেছে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মানিকের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মানিকের মা জানান, ১৭ তারিখের মধ্যে মানিক বাসায় আসবে।চকবাজার পুলিশ ফাঁড়ির অফিসার জামাল উদ্দিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

আরো পড়ুন… মানসিক ভারসাম্যহীন আমির আলীকে ১০ বছর শিকল বন্দী করে টয়লেটে রেখেছিল একমাত্র ছেলে ও তার পরিবার। অবশেষে তাকে উদ্ধার করেছেন নাটোরের গুরুদাসপুরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার তমাল হোসেন। ঘটনাটি ঘটেছে নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর ইউনিয়নের চন্দ্রপুর ওয়াবদা বাজারে।

আমির আলী নামের হতভাগ্য সেই ব্যক্তি ওয়াবদা বাজারের আমির আলী সুপার মার্কেটের মালিক। বুধবার রাতে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শিকল বন্দী আমির আলীকে উদ্ধার করে শিকল ভেঙ্গে তার বাড়িতেই ভাল একটি ঘরে তাকে বাসস্থানের সুযোগ করে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেন।

পরবর্তীতে এই রকম অমানবিক কাজ করলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি। আমির আলির ভাগ্নে রহিম জানান, দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ তার মামার কোন চিকিৎসা না করিয়েই নোংরা এবং স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় বন্দি করে রেখেছিলো তার ছেলে-মেয়েরা এবং স্ত্রী।

আমির আলীর ছেলে মঞ্জু আলী এবং স্ত্রী মনোয়ারা বেগম জানান, আমির আলী ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাকে এমনভাবে বন্দী করে রাখা হয়েছিল। ১৪ বছর আগে তাকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। তারপর আর কোন চিকিৎসা করা হয়নি। আমির আলীকে নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন জায়গায় বন্দী রাখার ব্যাপারে পরিবারের লোকজন ভুল স্বীকার করেছেন।

পরবর্তীতে আর তাকে এমন ভাবে রাখা হবে না বলে ইউএনও ও এলাকাবাসীর কাছে প্রতিজ্ঞা করেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. তমাল হোসেন জানান, দীর্ঘ ১০ বছর আমির আলীকে তার পরিবারের লোকজন একটি অস্বাস্থকর কুঁড়ে ঘরে তাকে শিকল বন্দী করে রেখেছিল। সেই ঘরে বৃষ্টি হলেই হাঁটু পানি জমতো। শুধু তাই নয় যে ঘরে আমির আলীকে বন্দী করে রাখা হয়েছিল, সেই ঘরেই ছিল তার শোয়ার জায়গা এবং টয়লেট।

যে পাত্র দিয়ে টয়লেটের কাজ সারতে হতো সেই পাত্র দিয়েই তাকে আবার পানি পান করতে হতো। ভাঙ্গা কুঁড়েঁ ঘরে পোকা মাকড়ের কামড় খেয়েই আমির আলী কাটিয়েছেন জীবনের ১০টি বছর।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]