বাবাকে বাঁচাতে লিভার দিয়ে দিচ্ছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ঊর্মি ।

বাবাকে বাঁচাতে লিভার দিয়ে দিচ্ছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ঊর্মি ।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থী ঊর্মি আচার্য্য। তার বাবা নারায়ণ আচার্য্য দীর্ঘদিন যাবত লিভার সিরোসিসে ভুগছেন। বাবার লিভার প্রতিস্থাপনে তিনিই দিচ্ছেন নিজের লিভারের অংশ। কিন্তু সেই চিকিৎসার জন্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। যা দেয়ার সামর্থ্য ওই পরিবারের নেই। তাই সমাজের বিবেকবানদের দারস্ত হয়েছেন তারা।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত নারায়ন আচার্য্যকে চূড়ান্ত চিকিৎসা হিসেবে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের কথা জানান চিকিৎসকরা। বাংলাদেশে ট্রান্সপ্লান্টে ঝুঁকি থাকলেও ব্যায়বহুল হওয়ায় ভারতে নিতে পারেনি তার পরিবার। এ কারণে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। চিকিৎসকরা সবকিছু চূড়ান্ত করে জানান, অক্টোবরের শেষের দিকে যেকোন দিন ট্রান্সপ্লান্ট করানো হবে। আর বাবাকে লিভারের অংশ দিবেন তার মেয়ে উর্মি আচার্য্য।

এদিকে ট্রান্সপ্লান্ট করার আগে পাঁচ লক্ষ টাকা জমা করতে বলা হয়েছে এবং ট্রান্সপ্লান্টের পরবর্তী দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মেডিসিন, আনুষাঙ্গিক খরচ সহ ১৫ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। পারিবারিকভাবে ১৫ লাখ টাকা যোগাড় করা অসম্ভব হওয়ায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে উর্মির পরিবার।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস ৮ম ব্যাচের শিক্ষার্থী ঊর্মি আচার্য্য। তার বাবা নারায়ণ আচার্য্য দীর্ঘদিন যাবত লিভার সিরোসিসে ভুগছেন।বাবার লিভার প্রতিস্থাপনে তিনিই দিচ্ছেন নিজের লিভারের অংশ। কিন্তু সেই চিকিৎসার জন্য প্রায় ১৫ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। যা দেয়ার সাম’র্থ্য ওই পরিবারের নেই। তাই সমাজের বিবেকবানদের দারস্ত হয়েছেন তারা।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিসে আক্রান্ত নারায়ন আচার্য্যকে চূড়ান্ত চিকিৎসা হিসেবে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের কথা জানান চিকিৎসকরা। বাংলাদেশে ট্রান্সপ্লান্টে ঝুঁ’কি থাকলেও ব্যায়বহুল হওয়ায় ভারতে নিতে পারেনি তার পরিবার।এ কারণে ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে লিভার ট্রান্সপ্লান্টের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। চিকিৎসকরা সবকিছু চূড়ান্ত করে জানান, অক্টোবরের শেষের দিকে যেকোন দিন ট্রান্সপ্লান্ট করানো হবে।

আর বাবাকে লিভারের অংশ দিবেন তার মেয়ে উর্মি আচার্য্য। এদিকে ট্রান্সপ্লান্ট করার আগে পাঁচ লক্ষ টাকা জমা করতে বলা হয়েছে এবং ট্রান্সপ্লান্টের পরবর্তী দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার মেডিসিন, আনুষাঙ্গিক খরচ সহ ১৫ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। পারিবারিকভাবে ১৫ লাখ টাকা যোগাড় করা অসম্ভব হওয়ায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেছে উর্মির পরিবার। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: বিকাশ, (পার্সোনাল) – ০১৭০৩৫১৯৯৭৭, ডাচ বাংলা ব্যাংক হিসাব নম্বর- ১৯৪১০১৪১৩২৩ (ঊর্মি রাণী আচার্য্য)।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]