সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
কোরআন সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে যাত্রা ।

কোরআন সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে যাত্রা ।

প্রথমবারের মতো ধর্মগ্রন্থ পবিত্র আল-কোরআন সঙ্গে নিয়ে মহাকাশে নভোচারী পাঠাল সংযুক্ত আরব আমিরাত। আমিরাতের ওই মহাকাশ নভোচারীর নাম হাজ্জা আল-মানসুরি (৩৪)। তার সঙ্গে রয়েছেন আরও দুই নভোচারী। তারা হলেন- আমেরিকান জেসিকা মেয়ার এবং রাশিয়ান কমান্ডার ওলেগ স্ক্রিপোচকার।

এ তথ্য নিশ্চিত করেছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ। গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসার ঘোষণা অনুযায়ী বুধবার আমিরাতের স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৫৭ মিনিটে কাজাকিস্তানের বাইকনুর কসমোড্রোম থেকে ‘সয়ুজ এমএস ১৫’-এর মাধ্যমে মহাকাশে যাত্রা শুরু করেন ওই নভোচারী।

প্রতিবেদনে বলা হয়, মহাকাশ সফরে ১০ কেজি পণ্য বহন করতে পারবেন নভোচারী হাজা।এর অংশ হিসেবে তিনি সঙ্গে নিয়েছেন একখণ্ড অনুলিপি, পারিবারিক ছবি, খাঁটি সিল্কে বোনা আরব আমিরাতের পতাকা, ‘কিসাতি’ (আমার গল্প) নামক একটি গ্রন্থ, শায়খ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহইয়ানের ছবি এবং ‘আল গাফ’ গাছের ৩০টি বীজ। আগামী ৩ অক্টোবর সকালে কাজাকিস্তানের হাজ্জায় মহাকাশ স্টেশনে ফিরে আসার কথা রয়েছে ওই নভোচারীর।

আরো পড়ুন… শুধু মক্কা আর মদিনা – মহাকাশ অঙ্গনে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা সম্পর্কে সুনিতা উইলিয়াম নিজেই বলেছেন যে, ‘আমি যখন পৃথিবী থেকে প্রায় ২৪০ মাইল উপরে উঠলাম, তখন পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে পৃথিবীপৃষ্ঠে দুটি তারা (আলো) দেখতে পেলাম। এরপর একটি টেলিস্কোপের মাধ্যমে আলো দুটি দেখার চেষ্টা করলে দেখি, একটি আলোর অবস্থান মক্কায় আর অন্যটি মদিনায়। এই দৃশ্য দেখার পর আমি প্রচণ্ডভাবে অভিভূত হই এবং তখনই ইসলাম গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নিই। পরে ইসলাম গ্রহণ করি ফিরে এসে।

একটি নভোযান পাঠানো হলো বরাবরের মতোই মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা থেকে। ২০০৬ সালের কথা। যে অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ছিল মহাকাশের খোঁজখবর সংগ্রহ করাই।অন্য গবেষকদের সঙ্গে সে নভোযানে অবস্থান করছিলেন সুনিতা উইলিয়াম। মহাকাশ গবেষণাযানটি যখন পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ২৪০ মাইল উপরে, হঠাৎ নিচের দিকে চোখ আটকে যায় সুনিতার। পৃথিবী পৃষ্ঠে তারার মতো তিনি দুটি আলো জ্বলতে দেখলেন। তখন চিন্তায় পড়ে গেলেন সুনিতা; ভাবলেন, পৃথিবীপৃষ্ঠে তো কোনো আলোকশিখা থাকার কথা নয় এভাবে জ্বলে থাকার মতো।

সঙ্গীদের ডেকে দেখালেন এবং টেলিস্কোপের সাহায্যে আলো দুটিকে নির্ণয় করার চেষ্টা চালালেন। তবে এই আলোকরশ্মি দুটি কি? নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হলো সুনিতার। আরো কাছে, আরো পরিষ্কারভাবে দেখলেন, আলো দুটির কেন্দ্রস্থল পৃথিবীর মক্কা ও মদিনা। মহাকাশমুখি এই আলোকরশ্মি দুটি বিকিরিত হচ্ছে মক্কা শহরের কেন্দ্রস্থল ও মদিনা শহরের কেন্দ্রস্থ থেকে। ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুনিতা উইলিয়াম ১৯৬৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়ায়ো অঙ্গরাজ্যের ‘ইউক্লিডে’ জন্মগ্রহণ করেন। বাবা দীপক পাণ্ডে ও মা বনি পাণ্ডে উভয়ই ছিলেন ভারতীয় হিন্দু।

সব জল্পনা-কল্পনা এবং সন্দেহ-কানাকানির ইতি টেনে গত রমজান মাসে ওমরাহ পালন করতে এসে নিজের মুসলমান হওয়ার ঘোষণা দিলেন সুনিতা উইলিয়াম এবং গর্ব করে বললেন, ‘আমি এখন একজন মুসলমান, এটা ভাবতেই আমার ভালো লাগছে।’ নাসার প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক সুনিতার ইসলাম গ্রহণ করা বিষয়ে তাঁকে চেনেন বা জানেন এমন অনেকের মন্তব্য ছিল অনেকটাই এরকম- ‘আর কারো পক্ষে সম্ভব হলেও সুনিতার পক্ষে এটা কখনো সম্ভব নয়। কারণ সে ছিল ইসলাম বিদ্বেষী’। আর আমি এখন একজন মুসলমান।’

ইসলাম গ্রহণ করা নিয়ে শত জল্পনা-কল্পনার ইতি টেনে ওমরাহ পালন করতে আসা সুনিতা উইলিয়াম জেদ্দার হোটেল হিলটনে বসে এভাবেই ব্যক্ত করছিলেন তাঁর ইসলাম গ্রহণ করার কাহিনী। সাংবাদিকদের শোনাচ্ছিলেন তাঁর মুসলমান হওয়ার রোমাঞ্চকর গল্প। এ সময় তিনি ইসলাম গ্রহণ করার নেপথ্যে থাকা ঘটনা ব্যক্ত করার পাশাপাশি উত্তর দেন উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নেরও। মক্কা-মদিনার দুর্লভ কিছু তথ্য: পবিত্র মক্কা ও পবিত্র মদিনা শরিফে যাবার নসিব সবার হয় না। যাদের হয় তারা বড়ই ভাগ্যবান। যারা যেতে পারেন না তারাও অধীর আগ্রহে জানতে চান এ পবিত্র দুই হারাম সম্পর্কে। আসুন, ঈমানদীপ্ত মানুষের স্বপ্নের ঠিকানা.. হৃদয়ের তীর্থস্থান..দুই হারাম শরিফের কিছু তথ্য জেনে নিই ,,,

মক্কাস্থ হারাম শরিফের মূল কাঠামোর আয়তন: ৬১১, ৮০৩ স্কোয়ার ফিট আর মদিনা হারাম শরিফের আয়তন: ৩৭৬,৫০৩ স্কোয়ার ফিট মক্কার হারাম শরিফে হজ্ব ও ওমরাকারীদের সেবায় রয়েছে: ১২,০০০ হাতচালিত ট্রলি, ২০ গল্ফ কার, ৩০০ বৈদ্যুতিক ট্রলি আর মদিনার মসজিদে নববিতে জিয়ারতকারীদের জন্য রয়েছে: ৩,৫০০ হাতচালিত ট্রলি ও ৪০ গল্ফ কার: বছরে পবিত্র কুরআনের ১,২০০,০০০ টি কপি মক্কা শরিফে এবং ৪৯৬,০৮০টি কপি মদিনা শরিফে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। মৌসুমে প্রতিদিন মক্কায় ৮৪০ টন আর মদিনায় ৪৫০ টন জমজমের পানি পান করে থাকেন হজ্ব, ওমরা ও জিয়ারতকারীগণ। হারামে মক্কিকে প্রতিদিন ৫ বার আর হারামে মদিনাকে ৩ বার পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন করা হয়।

৩৬২৮ লাউডস্পিকার রয়েছে মক্কায়। মদিনায় রয়েছে ৩০৪৭ লাউডস্পিকার।
বছরে মক্কা শরিফে ৪০০০ টি ইলমি দরস আর মদিনা শরিফে ৬৯৫৪ ইলমি দরসের ব্যবস্থা করা হয়। মক্কার হারাম শরিফের দরজা সংখ্যা: ২১০ আর মদিনার হারাম শরিফের দরজা সংখ্যা: ১০০ বিগত ১০ বছরে ২৪, ০০০, ০০০ মিলিয়ন মু’মিন-মুসলমান পবিত্র হজ্ব ও ওমরা পালন করেছেন। আল্লাহ সবাইকে পবিত্র মক্কা ও মদিনার জিয়ারত নসিব করুন। -টেকনোলজি লাইফস্টাইল

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]