সর্বশেষ আপডেট
লাইভ শোতে ২ সৌদি সমকামি তরুণীর ভালোবাসা প্রকাশ! হঠাৎ মোটা হওয়ার কারণ জানালেন বুবলী ঝুড়িতে পাওয়া গেল কন্যা শি’শু, নাম দেওয়া হল ‘একুশে’ জরুরী আবহাওয়া বিজ্ঞপ্তিঃ সোমবার থেকে বৃষ্টি, চলবে তিনদিন! সুন্দরীর বিয়ের ফাঁদ, অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, এরপর বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য… বাসে বাবার বয়সী ব্যক্তির যৌ’ন হয়’রানি, কেঁদে বিচার চাইলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী আরব আমিরাতে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশি প্রবাসী আ’ক্রা’ন্ত যুক্তরাষ্ট্রে কোরআন ছুঁয়ে শপথ নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা গর্ভবতী হওয়া নিয়ে এবার মুখ খুললেন নায়িকা বুবলী, জেনে নিন নায়িকার স্বীকারুক্তি… কুমিল্লায় কয়েক হাজার কোটি টাকা নিয়ে শতাধিক কোম্পানি উধাও
ভালোবাসা দিবস নিয়ে যা বললেন আজহারী !!

ভালোবাসা দিবস নিয়ে যা বললেন আজহারী !!

আলোচিত ইসলামিক বক্তা মিজানুর রহমান আজহারী বিশ্ব ভালোবাসা দিবস নিয়ে তার এক আলোচনায় বলেছেন, মুসলমানদের কোন ভালোবাসার দিবস নেই। ১৪ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে ভালোবাসা দিবসের নামে বিশ্ব বে’হায়া দিবস, গজবের দিবস, অ’শ্লীলতার দিবস, নারীদের স’ম্ভ্রম হারানোর দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে। তিনি বলেন, বছরের ৩৬৫ দিনই মুসলমানদের ভালোবাসা দিবস।

পশ্চি’মাদের ভালোবাসার মধ্যে আমাদের ভালোবাসার কোনো মিল নেই। তাদের ভালোবাসায় মিল, মহাব্বত, আন্তরিকতা নেই। কেননা তার পরিবারকে নিয়ে রেস্টু’রেন্টে খেতে গেলে মায়ের বিল মা দেয়, বাবার বিল বাবা দেয়, সন্তানের বিল সন্তান দেয়। কিন্তু আমাদের ভালোবাসা হচ্ছে অন্ত’রের ভালোবাসা। তিনি আরও বলেন, পাশ্চাত্যের জেলখানা’গুলোতে এবং বৃদ্ধা’শ্রমে গিয়ে দেখা যায় বছরের নিদিষ্ট দিনে বাবা,

মা কে নিয়ে একটা কার্ড দিয়ে দিয়ে আসে। কিন্তু আমাদের ভালোবাসা সে রকম নয়। আমাদের ভা’লোবাসা বছরের প্রতিটি দিনেই অভি’ভাবকদের দিষ্টি আকর্ষণ করে আজহারী বলেন, ১৪ ফেব্রুয়ারি কোনো মুমিন মুসলমান পালোন করেতে পারে না তাই অভি’বকরা তাদের ছেলে-মেয়েদের সাবধান করবেন। এই দিনে ছেলে মেয়েরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জা’মায়াতে পড়তে নিয়ে যাবেন, তাদের দিয়ে কো’রাআন তেলোয়াত করাবেন এবং আল্লা’হর কাছে তওবা করতে আদেশ করবেন।

আজকের আলোচিত খবর… আ.লীগের অধিকার নেই বঙ্গবন্ধুর নাম নেওয়ার !! বছরব্যাপী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের কঠোর সমালোচনা করেছেন গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী। পাশাপাশি একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সমা’লোচনা করে তিনি বলেন, ২০১৮ সালে আপনি বলেছিলেন, আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা।

নির্বাচনে কারচুপি করে ক্ষমতায় থাকব না। অথচ দিনের ভোট রাতে দিয়ে ক্ষমতায় আছেন, বঙ্গবন্ধুকে আপনি অপ’মান করেছেন। বঙ্গবন্ধুর নাম নেয়ার কোনো অধিকার আওয়ামী লীগের নেই। বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ও ভোটা’ধিকার পুনরুদ্ধা’রের দাবি’তে আয়োজিত সমাবেশে এমন মন্তব্য করেন সুব্রত চৌধুরী। গণফোরামের এ নেতা বলেন,

‘বাংলাদেশের যুবারা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সর্বশ্রেষ্ঠ সম্মান অর্জন করেছে। কিন্তু সরকার বললেন, এটি মুজিববর্ষের সেরা উপহার। আরেকটি কথা বলেন না, মুজিববর্ষের সেরা উপহার ঢাকা দুই সিটির ভোট ডাকাতির মেয়র নির্বাচন। দুজন মেয়র আপনারা উপহার দিয়েছেন, তাতে জনগ’ণের কোনো সমর্থন নেই। এটাও মুজিববর্ষের সেরা উপহার হতে পারে।’ সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘আমরা চেয়েছিলাম জনগণের ভোটের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক উপায়ে আপনাদের (আওয়ামী লীগ) বিদায় করবো।

২০১৮ সালে আপনি (শেখ হাসিনা) বলেছিলেন আমি বঙ্গবন্ধু কন্যা, আমি নির্বাচনে কারচুপি করে ক্ষমতায় থা’কবো না। অথচ আপনি দিনের ভোট রাতে দিয়ে ক্ষমতায় বসে তাকে অপমান করেছেন। তাই বঙ্গবন্ধুর নাম নেওয়ার কোনও অধিকার আওয়ামী লীগের নেই। আওয়ামী লীগ একটি নষ্ট দল। এই দলকে ক্ষ’মতাচ্যুত করার জন্য আমরা রাজপথে নেমেছি। যতক্ষণ পর্যন্ত এই সরকারকে বিদায় করতে না পারবো,

ততদিন গণফো’রামের আন্দো’লন অব্যাহত থাকবে।’ তিনি অভিযোগ করেন, ‘আপনারা এখন জনগণের রক্ত’ চু’ষছেন। আপনাদের কোনও মায়া-দয়া নেই। সরকার আমাদের সবকিছু পাগলা হাতির মতো তছনছ করে দিচ্ছে। আমাদের প্রশাসন ধ্বংস করেছে, বিচার বিভাগ ধ্বংস করেছে। আই’নশৃঙ্খলা বাহিনীতে দ’লীয়করণ করেছে। নির্বাচন কমিশনকে ন’ষ্ট করেছে।’

সুব্রত চৌধুরী বলেন, সরকার ক্ষমতা দখল করে দীর্ঘস্থায়ী করার পাঁ’য়তারা করছে এবং দেশের সম্পদ লু’ট করে চলছে। মুজিববর্ষ পালনের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ করে জাতির সঙ্গে তামাশা করছে। বঙ্গবন্ধু যদি বেঁচে থাকতেন, তাহলে তিনিও লজ্জা’ পেতেন। সমাবেশ থেকে বিশ্বকাপ জয়ী অনুর্ধ-১৯ ক্রিকেট দলকে শুভেচ্ছা জানান সুব্রত চৌধুরী। সরকারের উদ্দেশে গণফোরামের অপর নির্বাহী সভাপতি অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেন,

‘আপ’নারা নিজের কাছে নিজেই প্রশ্ন করেন, কত বড় অপরাধ করছেন। মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে, মুক্তি’যুদ্ধের সঙ্গে, বঙ্গব’ন্ধুর সঙ্গে এবং তার আদর্শের সঙ্গে। শুধু মুখেই বলেন, কার্যত বঙ্গবন্ধুর কোন কাজটি আপনারা করছেন,’ বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য জগলুল হায়দার আ’ফ্রিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাড. মো. হেলাল উদ্দীন, যুগ্ম আহ্বায়ক নাসির হোসেন, যুব সদস্য সচিব মাহামুদুল্লাহ মধু প্রমুখ।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme