সর্বশেষ আপডেট
ছেলেদের মধ্যে যে জিনিস দেখলে যে কোনো মেয়েরা দুর্বল হয়ে যায় । মালয়েশিয়া থেকে ফিরতেই হবে অবৈধ বাংলাদেশিদের । বিদেশ যাওয়ার আগে চুক্তিপত্র দেখাতে হবেঃ প্রবাসী কল্যাণ সচিব । মালয়েশিয়ায় সাধারণ ক্ষমাঃ ফ্লাইট বাড়লেও কমেনি ভাড়া । মালয়েশিয়ার অবৈধ বাংলাদেশিদের ফেরাতে বিমানের ১৬ টি ফ্লাইট । বিশ্বের প্রথম বিমান-গাড়ি; আকাশে পাড়ি দিতে পারে ঘন্টায় ২০০ মাইল । ৬ ঘন্টা হৃদস্পন্দন বন্ধ থাকার পর বেঁচে ফিরলেন এক নারী । লন্ডনে প্রতি ১০ জনের ১ জন কথা বলে বাংলা ভাষায় । আজ ০৯/১২/২০১৯ তারিখ, দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত । যে ২৪টি যৌ’ন আকাঙ্ক্ষা মেয়েদের রয়েছে, অনেক পুরুষরা এখনো জানে না ।
এক কিলোমিটার দৌড়ে ছিনতাইকারী ধরলেন ম্যাজিস্ট্রেট ।

এক কিলোমিটার দৌড়ে ছিনতাইকারী ধরলেন ম্যাজিস্ট্রেট ।

রাজধানীর নিউমার্কেট এলাকা থেকে প্রায় এক কিলোমিটার দৌড়ে এক ছিনতাইকারীকে ধরে ফেলেন ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান সোহেল। পরে ছিনতাইকারীকে নিউমার্কেট থানায় হস্তান্তর করা হয়। কামরুল হাসান সোহেল বর্তমানে কেরানীগঞ্জ উপজেলার এসিল্যান্ড হিসেবে কর্মরত আছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নিউমার্কেট এলাকায় একটি বাসে বসে থাকা অবস্থায় তিনি হঠাৎ দেখতে পান ঠিক সামনের বাস থেকে এক ছিনতাইকারী জানালা দিয়ে যাত্রীর মোবাইল ছিনতাই করে দৌড় দেয়। ঘটনাটি দেখে তিনি তাৎক্ষণিক ছিনতাকারীর পিছনে পিছনে দৌঁড়াতে শুরু করেন। পরবর্তীতে সাইন্সল্যাব মোড়ে গিয়ে তাকে ধরতে সক্ষম হন।

এ বিষয়ে কামরুল হাসান সোহেল বলেন, বাসের জানালা দিয়ে দেখেই আমি দৌড় দেই। এভাবে যদি সবাই সবার স্থান থেকে দায়িত্ব পালন করলে অপরাধীরা অপরাধ করার সাহস পাবেনা। ছিনতাইকারীকে ধরে তাকে গণপিটুনি থেকে বাঁচানোর জন্য নিউমার্কেট থানার এসআই মাসুদের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়।

অন্যরা যা পড়ছে… জন্মের ৪ মাস বয়সেই হার্টে ছিদ্র ধ’রা পড়ে ম’রিয়মের। এখন তার বয়স ৭ বছর। সেই চার মাস বয়স থেকেই মেয়ের চিকিৎসার জন্য বিভিন্ন ডাক্তারের কাছে গেছেন বাবা ঝালমুড়ি বিক্রেতা রবিউল ইস’লাম। তখন পরিবারের অবস্থা একটু ভালো থাকায় ডাক্তারের কাছে ছুটোছুটি ও বিভিন্ন পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে এ পর্যন্ত প্রায় ৫ লাখ টাকা খরচ করেছেন তিনি।

এছাড়াও প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনরা কিছু সহযোগিতা করেছেন তাকে। এখন মেয়ের অ’পারেশনের জন্য তিন লাখ টাকা প্রয়োজন। অথচ সেই টাকা আর জোগাড় করতে পারছেন না তিনি।

মেয়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে রবিউল ইস’লাম এখন নিঃস্ব। দুই শতক জমির উপর বাড়ি-ভিটে আর সারাদিন বিভিন্ন স্কুল-কলেজের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রি করে যে টাকা আয় করেন সেটা দিয়ে কোনো মতে সংসার চালান তিনি। সামান্য এ আয়ে মেয়ের অ’পারেশনের জন্য কোনো টাকা জমাতে পারেননি তিনি। চোখের সামনে মেয়ে বড় হচ্ছে। বড় হচ্ছে তার হার্টের ছিদ্রটি। পাশাপাশি বাড়ছে মেয়ের যন্ত্র’ণা। সব কিছুই তিনি দেখছেন, বুঝছেন কিন্তু কিছুই করতে পারছেন না। সন্তানের জন্য কিছু না করতে পারায় প্রতিটি দিন কাটছে তার নিরবে কেঁদে।

ম’রিয়ম বাবা-মায়ের সঙ্গে ঝিনাইদহ শহরের আরাপপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকার চাঁনপাড়া থাকে। সে আরাপপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী পরিবারের সদস্যরা জানান, ম’রিয়ম আগে নিয়মিত স্কুলে যেত। এখন শরীর ভালো না থাকায় আর যেতে পারে না। তবে এখনও সে স্কুল যেতে বায় না করে। কিন্তু শরীর তাকে সাপোর্ট করে না। এজন্য সারাক্ষণ কা’ন্নাকাটি করে সে।

প্রতিবেশীরা জানান, ঝালমুড়ি বিক্রেতা বাবার পক্ষে মেয়ের হার্টের অ’পারেশনের টাকা সংগ্রহ করা সম্ভব নয়। খুব ক’ষ্ট করে চলে তাদের সংসার। এমন ক’ষ্টের মাঝে মেয়ে অ’পারেশন করাবে কী’’ভাবে? তাই প্রতিবেশীরাও চেষ্টা করছেন তাকে কিছু সহযোগিতা করতে।

রবিউল ইস’লাম জানান, ম’রিয়ম ছোটবেলা থেকেই অ’সুস্থ। কিন্তু প্রথম দিকে তারা তেমন কিছু বুঝতে পারেনি। চার মাস বয়সে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার পর বিভিন্ন পরীক্ষা করে তারা জানান, ম’রিয়মের হার্টে ছিদ্র রয়েছে। যা ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে। ওই সময়ই চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, দ্রুত ম’রিয়মের হার্টের অ’পারেশন করালে ভালো। না হলে সমস্যা আরও জটিল হবে। পরে পরিস্থিতি খা’রাপ হয়ে গেলে কিছুই করা যাবে না।

তিনি জানান, এলাকাবাসী ও আত্মীয়-স্বজনদের কাছে সহযোগিতা এবং বাাড়ির একমাত্র আবাদি জমি বিক্রি করে গত আগস্ট মাসে ম’রিয়মকে ভারতের রবিন্দ্রনাথ ঠাকুর ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব কার্ডিয়াক সাইন্স হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. সুকান্ত কুমা’র বেহারার কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। ২৪ আগস্ট ডাক্তার ম’রিয়মের বিভিন্ন পরীক্ষা শেষে অ’পারেশনের পরাম’র্শ দেন। এ জন্য বাংলাদেশি প্রায় ৩ লাখ টাকার প্রয়োজন বলে তারা জানান। কিন্তু তাদের কাছে এত টাকা না থাকায় তারা ৫ দিন পর দেশে চলে আসেন। এখন ম’রিয়ম বাড়িতেই আছে।

রবিউল বলেন, তিনি পেশায় একজন ঝালমুড়ি বিক্রেতা। সারাদিন ঝালমুড়ি বিক্রি করলেও ৩০০ টাকার বেশি আয় হয় না। সেটা দিয়ে চারজনের সংসার চলছে। দুই শতক জমির ওপর একটি আধা-পাকা ঘর রয়েছে। সেখানেই থাকি। এছাড়া চাষযোগ্য কোনো জমি নেই।

তিনি বলেন, আগে শুধু স্কুল টাইমে ঝালমুড়ি বিক্রি করতাম। এখন সারাদিন বিক্রি করি। গ্রামে বিক্রিও কম। ঝালমুড়ি বিক্রির টাকায় মেয়ের অ’পারেশন হয়তো কোনো দিনও করতে পারবো না। জানি না মেয়েটাকে বাঁ’চাতে পারবো কী’’না?

ম’রিয়ম যে স্কুলে পড়ে (আরাপপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়) সেখানকার প্রধান শিক্ষক নিলুফার ইয়াসমীন জানান, বেশ মেধাবী ম’রিয়ম। সারাক্ষণ খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকতো। কিন্তু রোগের কাছে হেরে যেতে বসেছে মেয়েটি। তিনি জানান, বিদ্যালয় থেকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করেছেন। সমাজের অন্যরাও এগিয়ে এলে মেয়েটিকে বাঁ’চানো সম্ভব। কোনো হৃদয়বান ব্যক্তি ম’রিয়মকে সহযোগিতা করতে চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন তা বাবা রবিউল ইস’লামের ০১৯২২৮১৬৬১৪ সঙ্গে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme