সর্বশেষ আপডেট
প্রেমিককে পেতে কনকনে শীতে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসলো ১৪ বছরের কিশোরী । আমাদের নিয়ে আযহারী হুজুর ছাড়া আর কেউ এমন কথা বলেনিঃ হিজড়া প্রধান । প্রভাকে বিয়ে করলেন ইন্তেখাব দিনার । বিয়েতে সৌদি নারীদের পছন্দের শী’র্ষে বাংলাদেশি পুরু’ষরা । আজ ১৯/০১/২০২০ তারিখ, দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত । দেহ ব্যবসা করতে করতে যেভাবে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হলেন আলিয়া । শারীরিক সম্পর্কে মোটা পুরুষেরা বেশি সক্রিয়, বলছে গবেষণা । ওয়াজে তারেক মনোয়ারের বক্তব্য নিয়ে ফেসবুকে তুমুল আলোচনা । পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে গিয়ে যেভাবে খু’ন করা হল গৃহবধূকে । ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে হচ্ছেনা এসএসসি পরীক্ষা ।
গরু মেরে জুতা দান

গরু মেরে জুতা দান

ছোটবেলায় স্কুলের পাঠ্য ব্যাকরণের বাগধারায় অনেকেরই পড়া আছে ‘গরু মেরে জুতা দান’, যার অর্থ বড় ক্ষতি করে সামান্য ক্ষতিপূরণ। মাশরাফি বিন মুর্তজা আর বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের মধ্যে তেমন কিছু হচ্ছে না তো! তবে গত কয়েক দিনকার বচন ভাণ্ডার শুনলে হয়তো অনেকের এই বাগধারাটি মনে পড়তে পারে। কেননা এক এক করে ক্রিকেটের প্রায় সিংহভাগ লিস্ট থেকে মাশরাফির নাম কাটা যাওয়ার পর এখন বিসিবি বোধ হয় অপেক্ষা করছে তাকে বেশ আদর-যত্ন করেই বিদায় জানাতে।

এই তো একদিন আগেও মিরপুরের সংবাদ সম্মেলনে বিসিবি প্রধান বলেছিলেন মাশরাফিকে ফুল দিয়ে, অনেকটা স্বরণীয়ভাবে বিদায় দেওয়ার কথা। কেবল যে সম্প্রতি এমনটা বলেছেন নাজমুল হাসান তাও কিন্তু না। গত বছরের মাঝামাঝি থেকেই তিনি এমন পরিকল্পনা আঁটছেন। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপে বাংলাদেশের খেলা শেষ হওয়ার পর লন্ডনে বসেই বিসিবি সভাপতি বলেছিলেন, ‘মাশরাফিকে বীরের মর্যাদায় বিদায়ী সংবর্ধনা দেয়া হবে।’

ঠিক এই জায়গায় দুই জনের মধ্যে বিস্তর একটা ফারাক দেখা গেল। মাশরাফি তার উল্টোটা চাচ্ছেন। যেখানে বিসিবি প্রেসিডেন্ট চাচ্ছেন বাংলাদেশ দলের সফল দলনেতাকে ঘটা করে বিদায় দিতে, সেখানে মাশরাফি নিজেই বলছেন দরকার নেই। সোমবার (১৩ জানুয়ারি) এও বলেন, ‘মাঠ থেকে কেন বিদায় নিতে হবে। এসবের কোনো প্রয়োজন নেই।’ বিসিবির কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নেই মাশরাফি। নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন মাশরাফি নিজ থেকেই তার নাম কাটতে অনুরোধ করেছে।

যেহেতু মাশরাফি বলেছেন, তাই বিসিবিও তার কথা ফেলেনি। টি২০ আর টেস্টে নেই মাশরাফি। বাকি ছিল ওয়ানডে। যেহেতু কেন্দ্রীয় চুক্তিতে নেই, সেহেতু একদিনের ক্রিকেটে এখন তার দলে ঢোকাও কঠিন হয়ে গেল। মাশরাফি কিন্তু বিষয়টি টের পেয়েছেন ইতিমধ্যে। তাইতো বলেছেন, ‘আমি আমার খেলা চালিয়ে যাব। নির্বাচকরা যদি সুযোগ দেয় তাহলে জাতীয় দলে খেলবো, না হলে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলবো। আসলে ঘরোয়া ক্রিকেট আমি উপভোগ করছি।

আর বিসিবি যদি চায় আমি ওয়ানডে অধিনায়কত্বও ছেড়ে দেব।’ অর্থাৎ অবশিষ্ট থাকা মাশরাফির দলনেতার চেয়ারও এখন তার জন্য নিশ্চিত নয়। যে কোনো সময় ওই চেয়ারেও অন্য কাউকে দেখা যেতে পারে। যেখানে ২২ গজ থেকে ধীরে ধীরে মাশরাফির ছায়াও সরে যাচ্ছে। সেখানে আবার বেলুন উড়িয়ে, ফুল দিয়ে কিংবা মালা ঝুলিয়ে বিদায় সংবর্ধনা মাশরাফির কাছে কী বিষের মতোই মনে হচ্ছে? কে জানে হলেও হতে পারে। সুত্রঃ পূর্ব-পশ্চিম।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme