সর্বশেষ আপডেট
প্রেমিককে পেতে কনকনে শীতে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসলো ১৪ বছরের কিশোরী । আমাদের নিয়ে আযহারী হুজুর ছাড়া আর কেউ এমন কথা বলেনিঃ হিজড়া প্রধান । প্রভাকে বিয়ে করলেন ইন্তেখাব দিনার । বিয়েতে সৌদি নারীদের পছন্দের শী’র্ষে বাংলাদেশি পুরু’ষরা । আজ ১৯/০১/২০২০ তারিখ, দিনের শুরুতেই দেখে নিন আজকের টাকার রেট কত । দেহ ব্যবসা করতে করতে যেভাবে আন্ডারওয়ার্ল্ড ডন হলেন আলিয়া । শারীরিক সম্পর্কে মোটা পুরুষেরা বেশি সক্রিয়, বলছে গবেষণা । ওয়াজে তারেক মনোয়ারের বক্তব্য নিয়ে ফেসবুকে তুমুল আলোচনা । পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে গিয়ে যেভাবে খু’ন করা হল গৃহবধূকে । ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে হচ্ছেনা এসএসসি পরীক্ষা ।
২ মিনিট সময় নিয়ে একটু কষ্ট হলেও সবাই পুরোটা পড়বেন, গরিব পরিবারের একটি ছেলের সাথে একই গ্রামের একটি

২ মিনিট সময় নিয়ে একটু কষ্ট হলেও সবাই পুরোটা পড়বেন, গরিব পরিবারের একটি ছেলের সাথে একই গ্রামের একটি

একই গ্রামের দুই গরিব পরিবারের ছেলে-মেয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। ছেলের বয়স প্রায় ২১ বছর। আর মেয়ে ১৮ বছর বয়সী। বিয়ের পর ছেলেটা মেয়েটিকে বললো, তোমার কি কোনো ইচ্ছে আছে? মেয়েটা বলল, আমার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার বড় আশা ছিল! এরপর মেয়েটাকে নিয়ে ছেলেটা ঢাকায় চলে আসে। মেয়েটির ইচ্ছে পূরণ করতে ছেলেটি তাকে ভার্সিটিতে ভর্তি করলো। ছেলেটা ভোর চারটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত পরিশ্রম করে। ছেলেটি মেয়েটার লেখাপড়ার খরচ আর সংসার খরচ চালান।

বিয়ের অনেকদিন পরও তাদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর কোনো সম্পর্ক হয় না! মেয়েটার বন্ধু বান্ধব প্রশ্ন করে ছেলেটা কে? মেয়েটা উত্তর দেয়, সে আমার ভাই! ছেলেটা কখনো রিক্সা চালায়, কখনো দিন মজুরি করে, কখনো ইট ভাটায় কাজ করে কখনো আবার কুলির কাজও করে। নিজের কথা না ভেবে মেয়েটির ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার খরচ জোগাতে এভাবে রোজগার করে চলেছে ছেলেটি। হঠাৎ পরীক্ষা চলে আসলো! দুজনের চোখেই ঘুম নাই। ছেলেটা রাত দিন মিলিয়ে ২০ ঘণ্টা কাজ করে।

এবং বাকি চার ঘণ্টায় রান্না থেকে শুরু করে সংসারের সব কাজ করে। এরই মধ্যে মেয়েটার পরীক্ষা শেষ হয়ে গেল। এরপর ছেলেটা আগের চেয়ে কাজ একটু কমিয়ে দিল। পরীক্ষায় মেয়েটি পাশ করলো। ইঞ্জিনিয়ার বনে গেল। ভাল চাকরি পেল, অনেক টাকা পয়সার মালিক হলো। গাড়ি-বাড়িসহ সবই হলো মেয়েটির। বিভিন্ন জায়গা থেকে মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাবও দেয়া হচ্ছিল। কেউই জানে না মেয়েটি বিবাহিত কি-না! মেয়েটা বাড়ি নিয়ন আলোয় সাজিয়ে বড় পার্টি দিল।

কিন্তু কেউ জানে না এ পার্টি আয়োজনের উপলক্ষ্য কি! সবাই মেয়েটিকে প্রশ্ন করলো এ পার্টির উপলক্ষ্য কি? মেয়েটি বলল ১২ টায় সবার সামনে বলবো কিসের পার্টি! ছেলেটা সেই লুঙ্গি গামছা আর ছেঁড়া একটা জামা গায়ে বাড়ির এক কোনায় দাঁড়িয়ে আছে! ১২ টা বেজে গেলো, এরপর মেয়েটা ছেলেটার হাত ধরে যেখানে কেক রাখা আছে সেখানে নিয়ে এল! এবার পার্টিতে আগত সব নারী-পুরুষকে উদ্দেশ করে মেয়েটি বললেন, একে কেউ চিনেন? এটা আমার স্বামী।

তিনি মাথার ঘাম পায়ে ফেলে নিজে খেয়ে না খেয়ে আমাকে লেখাপড়া করিয়েছেন। তার জীবনের সব সুখ আমার জন্য বিসর্জন দিয়েছেন। বিয়ের পর থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের মধ্যে কোনো শারীরিক সম্পর্ক হয়নি! তাকে এই কাপড়ে রাখার কারণ যাতে প্রকৃত বিষয়টি আপনাদের উপলব্ধি করাতে পারি সে জন্য। এই বাড়ি, গাড়ি ও টাকা তার গায়ের এক ফোটা ঘামের দামও না! আমি তার স্ত্রী, আমার যা কিছু আছে তার ১০০ গুন দিলেও আমি আমার স্বামীকে ছেড়ে কোথাও যাবো না।এটা সমাজ থেকে তুলে আনা বাস্তবভিত্তিক গল্প। স্বামী-স্ত্রীর ভালবাসা উৎকৃষ্ট একটি উদাহরণ।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme