সর্বশেষ আপডেট
সীমান্তে ২ হাজার সেনা জড়ো করেছে পাকিস্তান, তীব্র উত্তে’জনা ।

সীমান্তে ২ হাজার সেনা জড়ো করেছে পাকিস্তান, তীব্র উত্তে’জনা ।

জম্মু-কাশ্মীর সঙ্কট ঘিরে প্রতিবেশি ভারতের সঙ্গে তীব্র উত্তে’জনার মাঝে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখার একেবারে কাছে অন্তত এক ব্রিগেড সেনা সদস্য জমায়েত করেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। পাক অধিকৃত কাশ্মীর সীমান্তের বাঘ এবং কোটলি সেক্টর ঘেঁষে প্রায় ২ হাজার পাক সেনাসদস্যের উপস্থিতিকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। ভারতীয় সেনাবাহিনী বলছে, একটি শান্তিপূর্ণ অবস্থান থেকে ওই সেনাদের সীমান্তে নিয়ে এসেছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী। এই মুহূর্তে তারা নিয়ন্ত্রণ রেখার ৩০ কিলোমিটার এলাকায় অবস্থান করছে।দেশটির বার্তাসংস্থা এএনআইকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর সূত্রগুলো বলছে, বর্তমানে এই সেনাদের আ’ক্রম’ণাত্মক ভঙ্গিতে মোতায়েন করেনি পাক সেনাবাহিনী। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাক সেনাদের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওই সূত্র বলছে, সীমান্তের পাকিস্তান সেনাবাহিনী সেনাসদস্যদের এমন এক সময় জড়া করেছে; যখন পাকিস্তানে লস্কর-ই-তৈয়বা এবং জয়েশ-ই-মোহাম্মদের মতো জঙ্গিগোষ্ঠীগুলোতে স্থানীয় এবং আফগান তরুণদের দলে টানার কাজ চলছে।সীমান্তে পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে সেনাসদস্যদের নিয়ে এসেছে তাদের পরিমাণ প্রায় এক ব্রিগেডের মতো। এই সদস্যদের সংখ্যা ২ হাজারের বেশি হতে পারে। ভারতের প্রভাবশালী দৈনিক টাইমস অব ইন্ডিয়া বলছে, গত ৫ আগস্ট ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল হয়ে যাওয়ার পর কাশ্মীর সীমান্তে শতাধিক এসএসজি কমান্ডো মোতায়েন করেছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর গো’লা ব’র্ষণে অন্তত ১০ পাকিস্তানি এসএসজি কমান্ডো নি’হত হয়েছেন। ভারতীয় সেনাবাহিনীরও বেশ কয়েকজন সদস্য পাকিস্তানের গু’লিতে প্রা’ণ হারিয়েছেন।

আরো পড়ুন… আমেরিকার সঙ্গে হঠাৎ পরমাণু যুদ্ধ শুরু হলে সে দেশের কোন কোন লক্ষ্যবস্তুতে হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত হানা হবে তার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল। চ্যানেলের প্রধান নিউজ শো’ অ্যাংকার দিমিত্রি কিসলিয়োভ আমেরিকার একটি মানচিত্র তুলে ধরে বেশ কিছু টার্গেটের নাম উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে বলেন, পরমাণু যুদ্ধ শুরু হলে এসব লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে মস্কো। এসব টার্গেটের মধ্যে রয়েছে পেন্টাগন ও ক্যাম্প ডেভিড। কিসলিয়োভ বলেন, যুদ্ধ লাগলে পাঁচ মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে এই সমস্ত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হবে। হঠাৎ এমন তথ্য কেন ওই সংবাদমাধ্যম সামনে আনল তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। সামরিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, তাহলে কি আমেরিকার সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধের আশঙ্কা! যদিও সে সম্ভাবনা একেবারে উড়িয়ে দিয়েছেন পর্যবেক্ষকদের অন্য অংশ। তাঁদের দাবি, আমেরিকাকে চাপে রাখতে একটা কৌশল মাত্র রাশিয়ার।

অন্যদিকে, রুশ টিভি চ্যানেলের এই উপস্থাপক আরও যেসব লক্ষ্যবস্তুর নাম বলেন সেগুলোর মধ্যে রয়েছে মেরিল্যান্ড অঙ্গরাজ্যের সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র- ফোর্ট রিচি এবং ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের সামরিক বিমান ঘাঁটি- ম্যাকক্লেল্লান। ১৯৯৮ সালে ফোর্ট উইলিয়াম বন্ধ হয়ে গিয়েছে এবং ম্যাকক্লেল্লানও ২০০১ সালের পর থেকে আর ব্যবহৃত হচ্ছে না বলে মার্কিন সূত্র জানিয়েছে। ঠান্ডা যুদ্ধের সময় আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক পরমাণু অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে ঘোষণা দিয়েছেন তা নিয়ে ওয়াশিংটন ও মস্কোর মধ্যে বর্তমানে উত্তেজনা চলছে। মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মাইক পম্পেও গত ১ ফেব্রুয়ারি বলেছেন, আইএনএফ নামক ওই চুক্তি ১৮০ দিনের জন্য স্থগিত রাখতে পারে ওয়াশিংটন। তার ভাষায় রাশিয়া এই চুক্তি লঙ্ঘন বন্ধ না করলে মার্কিন সরকার ওই ১৮০ দিন পার হওয়ার পর স্থায়ীভাবে বেরিয়ে যাবে বলে তিনি হুমকি দেন।

নারীদের পোশাকের ব্যাপারে কঠোর রক্ষণশীল দেশ ইরান। আজ থেকে ঠিক ৪০ বছর আগে ১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামী বিপ্লব দেশটিতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেছিল। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছিল সেদেশের মেয়েদের জীবন ও পোশাকের ক্ষেত্রে। দেশটির আইন ও সামাজিক বিধি-নিষেধের বেড়াজালে নতুন করে বন্দি ইরানি নারীরা। এবার নারীদের উপর নতুন এক আইন জারি করা হয়েছে। মাথায় স্কার্ফ বা হিজাব ছাড়া স্যোসাল মিডিয়ায় ছবি বা ভিডিও পোস্ট করলে তাকে ১ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত জেল খাটতে হবে। খবর বিবিসি ও ইনডিপেন্ডেন্ট। মার্কিন এক্টিভিস্ট ‘মাসিহ আলিনেজাদ’ এর ওয়েব সাইটে হিজাব ছাড়া ছবি পোস্ট করলেও তাকে শাস্তির আওতায় আনা হবে। ২০১৪ সালে চালু হওয়া ‘হোয়াইট ওয়েনসডে’ নামে ওই সাইটে ‘ইরানে হিজাব আইন বাধ্যতামূলক’ এর বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা চালায়। এটিকে সমর্থন জানিয়ে অনেক ইরানি নারী তাদের হিজাব ছাড়া ছবি সেখানে শেয়ার করে।

তেহরানের বিপ্লবি আদালত প্রধানের উদ্বৃতি দিয়ে একটি নিউজ এজেন্সি জানায়, যারা আইন অমান্য করে ওই সাইটে ছবি বা ভিডিও শেয়ার করবে তাদের ১ থেকে ১০ বছর পর্যন্ত শাস্তি ভোগ করতে হবে। ইরানে সকল নারীকে মাথায় স্কার্ফ বা হিজাব পরা বাধ্যতামূলক। কেউ এই আইন অমান্য করলে তাকে দুই মাসের কারাভোগ বা ২০ ডলার জরিমানার আইন রয়েছে। প্রসঙ্গত, ১৯৭৯ সালে ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্রে রূপান্তরিত হওয়ার পর নারীদের প্রকাশ্যে চলাফেরার ক্ষেত্রে হিজাব বা স্কার্ফ পোশাক পরিধান করা বাধ্যতামূলক করা হয়। এ নিয়ম ভাঙার কারণে বহু নারীকে জেল-জরিমানারও শিকার হতে হয়েছে। এর বিরুদ্ধে স্যোসাল মিডিয়ায় ২০১২ সালে প্রথম থেকে প্রতিবাদ দানা বাঁধতে থাকে। গত বছর এক নারীকে হিজাব আইন ভঙ্গ করায় ২ বছরের জেল খাটতে হয়েছে।

নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে গত ১৫ মার্চ অস্ট্রেলিয়ান উগ্র শ্বেতাঙ্গবাদী ব্রেন্টন ট্যারান্ট দুটি মসজিদে হামলা চালিয়ে ৫১ জনকে হত্যা করেন। হামলার শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারকে ৭০ হাজার মার্কিন ডলার অনুদান দিলো ‘ডিম বালক’ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ১৭ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ার উইল কনোলি। ক্রাইস্টচার্চের ওই ভয়াবহ হামলার পর অস্ট্রেলিয়ার সিনেটর ফ্রেজার অ্যানিং বলেন, মুসলিম অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় এই হামলা হয়েছে। তার এমন ‘উত্তেজনাকর ও বিভেদ সৃষ্টিকারী’ বক্তব্যের জন্য উইল কনোলি অস্ট্রেলিয়ার ওই সাংসদকে প্রকাশ্যে ডিম ছুড়ে ‘ডিম বালক’ হিসেবে পরিচিত পান। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, কনোলি গতকাল মঙ্গলবার জানিয়েছে যে, তাকে আদালতে হাজির হতে হচ্ছে না বলে কোর্ট ফি হিসেবে যে অর্থ মানুষজন তাকে দিয়েছিলো সেই ৯৯ হাজার ৯২২ অস্ট্রেলিয়ান ডলার তিনি মসজিদে হামলার শিকার ব্যক্তি ও নিহতদের পরিবারকে দিয়ে দিতে চান। হামলার পর সংবাদ সম্মেলনে সিনেটর ফ্রেজার অ্যানিং যখন তার বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিচ্ছিলেন তখন কনোলি তার মাথায় ডিম ফাটিয়ে তার বক্তব্যের প্রতিবাদ করে।

একজন কিশোরের এমন অভিনব প্রতিবাদে অনেকেই মুগ্ধ হন। গোটা বিশ্বে সামাজিক মাধ্যমে প্রশংসার জোয়ারে ভাসেন তিনি। কিন্তু বিপত্তি বাধে অন্য জায়গায়। পুলিশ যখন জানায় যে, দেশের একজন সিনেটরের সঙ্গে এমন অশোভন আচরণের জন্যে কনোলিকে বিচারের মুখোমুখি হতে হবে তখন তার প্রতি আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন গোটা বিশ্বের অনেক মানুষ। তবে অবশেষে জানা গেল বিচারের মুখোমুখি হতে হবে না কিশোরকে। তার যে বিচার হচ্ছে না এই খবর নিজের ইনস্টাগ্রাম পেজেই জানান ওই কিশোর। উত্তোলিত অর্থ হামলার শিকার ব্যক্তিদেরকে দেয়ার ঘোষণা দিয়ে কলোনি লিখেছেন, ‘এই অর্থ আমার নয়। আমি উত্তোলিত এই অর্থ মসজিদে হামলায় হতাহতদেরকে দিয়ে দিতে চাই। আমি আন্তরিকভাবে আশা করছি, এই অর্থ তাদের কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে। ভালোবাসা ছড়াতে থাকুন।’ ইহুদিবাদী ইসরাইলে শুরু হওয়া দাবানল এখনো নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। দাবানল অধিকৃত পশ্চিম তীরের অবৈধ ইহুদি বসতি এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। দাবানলের আগুন নেভাতে কাজ করছে ৪৮০টি অগ্নিনির্বাপক বিমান, প্রায় ২,৫০০ জন অগ্নিনির্বাপক কর্মী। রোববার এসব বিমানের সাহায্যে আড়াই লাখ টন পানি মাটিতে ফেলা হয়।

অনেকের দাবি ইসলাম ধর্মের পবিত্র আযানের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারির উদ্যোগ নেয়ার পর থেকে ইসরাইলে এ ধরণের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আন্তজার্তিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রচণ্ড খরা ও শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে চলতি সপ্তাহে অধিকৃত ইসরাইলি ভূখণ্ডে দাবানল ছড়িয়ে পড়ে। দাবানলে সেখানকার আবাসিক এলাকা এবং বনাঞ্চল ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে হাজার হাজার মানুষ। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু সব ক্ষতিগ্রস্তদের সব রকমের সহায়তায় আশ্বাস দিয়েছেন। বন রক্ষা করার প্রচেষ্টায় অতিরিক্ত কর্মী যোগদান করেছে বলে কর্মকর্তারা জানান। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হাইফা শহরের লোকজন ঘরে ফিরতে শুরু করেছে। তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করছে। এদিকে, ইহুদীবাদী ওই দেশটির ব্যাপক দাবানল নিয়ন্ত্রণে মিসর ও চার ইউরোপীয় দেশ বিমান পাঠিয়েছে। নেতানিয়াহু বলেছেন, ভয়াবহ দাবানলে কয়েকটি ছোট শহর থেকে লোকজনকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে হয়েছে। দাবদাহের কারণে দেশটির তাপমাত্রা আরও খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে। এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে নেতানিয়াহু বলেছেন, দাবানল নিয়ন্ত্রণে আন্তর্জাতিক সহায়তা চেয়েছে ইসরাইল। গ্রিস, ক্রোয়েশিয়া, ইতালি ও সাইপ্রাস থেকে অগ্নিনির্বাপণ বিমান আসছে। প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাতাহ আল সিসির নির্দেশে দুটি যুদ্ধবিমান পাঠিয়েছে মিসর। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ ও রাশিয়া সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme