আবারো বি’এস’এফে’র গু’লিঃ ঠাকুরগাঁয়ে বাংলাদেশি যু’বক নি’হত,এলাকায় উ’ত্তেজ’না ।

আবারো বি’এস’এফে’র গু’লিঃ ঠাকুরগাঁয়ে বাংলাদেশি যু’বক নি’হত,এলাকায় উ’ত্তেজ’না ।

ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর উপজেলার কান্দাল সী’মান্তে ভারতীয় সী’মান্ত র’ক্ষাকা’রী বা’হিনী বি’এস’এফ’র গুলিতে এক বাংলাদেশী নি’হত হয়েছে। নিহত বাংলাদেশী যু’বক শ্রীকান্ত রায় (৩০) হরিপুর উপজেলার আমগাঁও কালচা গ্রামের খেলুরামের পুত্র।

গত রোববার সন্ধ্যা ৬টার সময় এ ঘ’টনা ঘটলেও সোমবার দুপুরে খ’বর জা’নিয়েছে নি’হতের প’রিবারের লোকজন। তবে বি’জিবি’র পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এখন প’র্যন্ত বি’এস’এফ কোন ধরণের মেসেজ আমাদের দে’য়নি।

মৃ’ত্যুর খ’বর নিশ্চিত করে শ্রী’কান্তের ভাই কালুকান্ত মুঠোফোনে জানান, রোববার স’ন্ধ্যার সময় ভারতের পাঞ্জাবে ইট ভাটায় কাজ করার উদ্দেশ্যে অ’বৈধ পথে কান্দাল সী’মান্ত দিয়ে ভা’রতের খোচাবাড়ী ক্যাম্পের সন্নিকটে পৌছালে বি’এস’এফ তাকে উ’দ্দেশ্যে করে গু’লি করে। এতে নি’হত হয় শ্রী’কান্ত।

তিনি আরও বলেন, সা’রারা’ত শ্রী’কান্তের ম’রদে’হ পড়ে ছিল। সকালে খোচাবাড়ী সী’মান্তের বি’এস’এফ সদস্যরা লা’শ তুলে নিয়ে গেছে। আমরা সকাল থেকে বি’জিবি’র মাধ্যমে বি’এসএফ’র সাথে যো’গাযো’গ করার চে’ষ্টা করছি। এখন প’র্যন্ত বি’এসএফ’র প’ক্ষ থেকে কোন পত্র কিংবা জ’বাব দে’য়নি।

হরিপুর উপজেলার আমগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পাভেল সরকার মুঠোফোনে বলেন, নি’হতের পরিবারের লোকজন বলার পর আমি কান্দাল বি’জিবি ক্যাম্পে গি’য়েছিলাম। বিজিবি’র সদস্যরা ঘ’টনা স’ম্পর্কে কিছু জানাতে পারেনি। তবে পরিবারের লোকজন লা’শ ফেরত নেওয়ার জন্য চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

মুর্শিদাবাদের জল’ঙ্গির চর পাইকমারির জিরো পয়েন্টে বিএসএফ-এর স’ঙ্গে বিজিবি-র গু’লির ল’ড়াইয়ে গু’লিবি’দ্ধ হয়ে ভারতীয় সীমা’ন্তরক্ষা বা’হিনী বিএসএফের এক জোয়ান নি’হত । মৃ’তের নাম বিজয় ভান। আ’হত হয়েছেন আরও একজন। আ’হত জওয়ানের নাম রাজবীর সিং। তিনি বিএসএফ-এর হেড কনস্টেবল। বর্তমানে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি।

জানা গিয়েছে, মাছ ধ’রা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ঝামেলা বাধে। চর পাইকমারিতে মাছ ধ’রতে গিয়েছিলেন কয়েকজন ভারতীয় মৎস্যজীবী। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, মাছ ধ’রতে ধ’রতে তাঁরা জিরো পয়েন্টে অর্থাৎ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় চলে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেইসময়ই ৩ জন ভারতীয় মৎস্যজীবীকে আ’টক করে বিজিবি (Border Guards Bangladesh)। এরপরই তাঁদেরকে উ’দ্ধার করতে যান বিএসএফ জওয়ানরা। জানা গিয়েছে, তখনই বিএসএফ-এর স’ঙ্গে বিজিবি-র গু’লির লড়াই শুরু হয়।

বিএসএফ-বিজিবির ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের আগেই গু’লির লড়াই বাধে। ঘ’টনাস্থ’লেই গু’লিবি’দ্ধ হয়ে মৃ’ত্যু হয় বিজয় ভান নামে এক বিএসএফ জওয়ানের। মাথায় গু’লি লাগে তাঁর। আ’হত হন রাজবীর সিং নামে একজন হেড কনস্টেবল। বিএসএফ-এর ১১৭ নম্বর ব্যাটেলিয়নের হেড কনস্টেবল রাজবীর সিং। বর্তমানে তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বিজিবি-র এভাবে গু’লি চালনার ঘটনায় তীব্র ক্ষো’ভ প্রকাশ করেছে বিএসএফ।

শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, প্রণব মণ্ডল নামে একজন ভারতীয় এখনও বিজিবি-র হেফাজতে রয়েছেন। বাকি দুজনকে উ’দ্ধার করতে পেরেছে বিএসএফ। ঘ’টনাস্থ’লে পৌঁ’ছেছে’ন বিএসএফের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। সূত্র – হিন্দুস্তান টাইমস

আরো পড়ুন… পশ্চিম আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোতে মসজিদে ঢুকে নামাজ পড়া অবস্থায় ১৬ মুসল্লিকে গু’লি করে হ’ত্যা করেছে দু’র্বৃ’ত্তরা।এ ঘটনায় গুরুতর আ’হত হয়েছেন আরও দুই মুসল্লি। শুক্রবার সন্ধ্যায় দেশটির উত্তরাঞ্চলের সালমোসি গ্রামের মসজিদে এ ঘটনা ঘটে। খবর সিনহুয়ার ও এএফপির।

এখন পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এ হা’মলার দায়িত্ব স্বীকার করেনি। নৃ’শংস এ হ’ত্যাকা’ণ্ডের পর ভয় পেয়ে গ্রামটির অনেক বাসিন্দা সীমান্ত দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশ মালিতে পালিয়ে গেছেন।বিগত কয়েক বছর ধরে জ’ঙ্গিদের স’হিংসতায় বুরকিনা ফাসোতে শত শত মানুষ নি’হত হয়েছেন।

সেখানকার এক বাসিন্দা বলেন, শনিবার সকাল থেকে মানুষ পালাতে শুরু করেছে। ২০১২ সালে প্রতিবেশী দেশ মালির উত্তরাঞ্চল ইসলামী যোদ্ধারা দখল করে ফেললে বুরকিনা ফাসোতেও এর প্রভাব পড়ে। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা জানিয়েছে, গত তিন মাসে লাখ লাখ মানুষ সহিংসতার জেরে বুরকিনা ফাসো ছেড়ে পালিয়েছেন।

পশ্চিম আফ্রিকার একটি মসজিদে ভ’য়াবহ হা’মলায় ১৬ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। দেশটির স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় একদল সশ’স্ত্র দু’ষ্কৃতী এই হা’মলা চালিয়েছে বলে আরব নিউজ জানায়। বিস্তারিত আসছে … ভারতের কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে স’ন্ত্রা’সীদের গ্রে’নেড হা’মলায় ৩ জনের মৃ’ত্যু হয়েছে। আ’হত হয়েছে অন্তত ৭ জন।শনিবার বিকেলে শ্রীনগরের হরি সিং হাই স্ট্রিট বাজারের ভিড় লক্ষ্য করে গ্রে’নেড ছোঁ’ড়ে হা’ম’লাকারীরা।

ভারতের গণমাধ্যমগুলোর খবরে এ তথ্য জানানো হয়।খবরে বলা হয়, এসময় ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃ’ত্যু হয়। হা’ম’লায় আহত ৭ জনকে শ্রীনগরের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। এদের মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হা’ম’লার পরপরই বাজারসহ আশেপাশের এলাকা ঘিরে ফেলেছে পুলিশ। স’ন্ত্রা’সীদের ধরতে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

দুই মাসেরও বেশি সময় পর শনিবার সকালেই মোবাইল সেবা চালু করার ঘোষণা দেয় জম্মু কাশ্মীর প্রশাসন। বেশিরভাগ এলাকা থেকে নি’ষে’ধাজ্ঞা প্র’ত্যাহার করা হলেও এখনো থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে শহরগুলোতে।এরমধ্যে স’ন্ত্রা’সী হামলা নতুন করে উ’ত্তে’জনা সৃষ্টি করতে পারে বলে মনে করছেন সেখানের বাসিন্দারা। এর আগে গত ৫ অক্টোবর স’ন্ত্রা’সী হা’মলায় জম্মু কাশ্মীরের অনন্তনাগে ১৪ জন আ’হত হয়েছিলেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]