সর্বশেষ আপডেট
পবিত্র কোরআনের হাফেজের মুখে লাথি মেরেছিল বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি । মা’রতে মা’রতে ঘে’মে যায় অনিক, পা ধরে অ’নুনয় করেছিলো আবরার । যৌ’নপল্লীতে যাওয়া পুরুষদের গোপন তথ্য ফাঁ’স । গাছে ঝুলন্ত শিশুর পেটে বিদ্ধ দুটি ছুরিতে দুজনের নাম । দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো থাকলে বিনা মূল্যে হজ্জ পালনের সুযোগ দিতামঃ ইমরান খান । হাজারো ভক্তের হৃদয় ভেঙে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সাবিলা নূর । বিসিএস সিলেবাস, যার শুরু আছে কিন্তু শেষ বলে কিছু নেই । লাক্স সুন্দরী এখন স্বামীসহ বিসিএস ক্যাডার । আবরার ফাহাদকে নিয়ে ভারতীয় তরুণীর যে হৃ*দয়*স্পর্শী স্ট্যাটাস ভা*ইরাল । চোখে নেই আলো, কুরআনের আলোয় আলোকিত ওরা তিন হাফেজ ।
আমি কোনদিন তার মতো সৎ-সত্যবাদী প্রধানমন্ত্রী দেখিনিঃ মাওলানা তারিক জামিল ।

আমি কোনদিন তার মতো সৎ-সত্যবাদী প্রধানমন্ত্রী দেখিনিঃ মাওলানা তারিক জামিল ।

ইমরানের খানের জন্য দোয়া চাইলেন দেশটির শীর্স্থানীয় আলেম ও পাক তাবলিগ জামাতের মুরুব্বি মাওলানা তারিক জামিল।গত ১ অক্টোবর (মঙ্গলবার) কানাডার ভ্যানকুভারে প্রবাসীদের আয়োজনে একটি সেমিনারে বক্তৃকালে তিনি বলেন, আল্লাহ আমাদের একজন ভালো নেতা উপহার দিয়েছেন।আপনারা ইমরান খানের জন্য দোয়া করুন। মাওলানা তারিক জামিল বলেন, তার সঙ্গে (ইমরান খান) আমার অনেক ভালো সম্পর্ক।

তার মতো সৎ-সত্যবাদী এবং অন্তরে দীনের দরদ রাখনেওয়ালা প্রধানমন্ত্রী আমি কোনদিন দেখিনি। প্রসঙ্গত, ভারত অধিকৃত কাশ্মীরে মানবিক সংকট ও সেখানকার নাগরিকদের অবরুদ্ধ জীবনযাপনের বিষয়টি জাতিসংঘে উপস্থাপন করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান।তার বক্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন পাকিস্তানের শীর্স্থস্থানীয় ওরামায়ে কেরাম। ধর্মীয় মহলেও তিনি ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছেন।

শুক্রবার জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে দেয়া ভাষণে পাক প্রধানমন্ত্রী কা’শ্মীর ইস্যুটি বিশ্ব নেতাদের সামনে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। প্রায় ৫০ মিনিটের দীর্ঘ ভাষণে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ফিলিস্তিন-ইসলায়েলে বৈ’রি সম্পর্ক, বিশ্বব্যাপী মুসলিম নি’র্যাতন ও ইসলাম ও মুসলিমদের বিরুদ্ধে চলমান প্রো’পাগান্ডা ও ইসলামফো’বিয়ার বি’রুদ্ধে সো’চ্চার আওয়াজ তুলেছেন। জাতিসংঘে ইমরান খানের ভাষণের পর ২৪ ঘন্টার মধ্যেই কা’শ্মীরের পরি’স্তিতি পাল্টে যায়। রাজপথে নেমে আসে মজলুম কা’শ্মিরীরা।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান ‘আপত্তিজনক’ মন্তব্য করেছেন। এর পাশাপাশি তিনি তার বক্তব্যে ভারতকে পরমাণু যুদ্ধের হুমকিও দিয়েছেন। এমন অভিযোগ এনে ইমরান খানের বিরুদ্ধে ভারতের বিহার রাজ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভারতের বিহারের মুজাফফরনগর আদালতে শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। আগামী ২১ অক্টোবর ওই মামলার শুনানি হবে।

ভারতীয় আইনজীবী সুধীর কুমার ওঝা মুজফ্ফরপুরের মুখ্য বিচার বিভাগীয় আদালতে ইমরানের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২৪(এ), ১২৫ ও ৫০৫ ধারা অনুযায়ী ওই মামলা দায়ের করেন। সূত্র: সময় টিভি।

অন্যরা যা পড়ছে… গত সপ্তাহে নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতীয় বাহিনীর হাতে দুই পাকিস্তানি সেনা নিহত হওয়ার পর ভারত সীমান্তে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করেছে পাকিস্তান। শনিবার সীমান্তে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে বালাকোট সেক্টরে শ কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থীরা আটকা পড়েছে।

ভারতীয় পত্রিকার ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মানকোট ক্ষেত্রের কাছে বালনোই থেকে তারকুন্ডি পর্যন্ত আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ রেখার ৫০ কিলোমিটার ধরে প্রায় ৫০-৬০ টি গ্রাম গোলাবর্ষণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার সকাল পৌনে ১০টা থেকে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে গোলাবর্ষণ শুরু করে পাক সেনারা।

খবরে আরো বলা হয়, ভারতীয় বাহিনীর দাবি, পাকিস্তানি সেনাদের আকস্মিক মর্টার শেল নিক্ষেপের কারণে পুঞ্চ জেলায় প্রায় ৬টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্কুলের ভেতরে আটকা পড়েছে। সানদিয়োটে সরকারি হাইস্কুলের এক শিক্ষক ঐ গণমাধ্যমকে জানান, আমরা শিক্ষার্থীদের একটি কক্ষে সরিয়ে নিয়েছি। তাদের একটি দেয়ালের পাশে লুকিয়ে থাকতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, ওই স্কুল ভবন থেকে ৫০ মিটার দূরত্বের মধ্যে কমপক্ষে ছয়বার গোলাবর্ষণ করা হয়েছে। পাকিস্তানি সেনাদের হামলার জবাবে ভারতীয় সেনারাও গুলি চালিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও থেমে থেমে দুই বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি চলছে।

আরো খবর… ভারতীয় ভূখণ্ডের ৬০-৭০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে চীনের সেনাবাহিনী। তৈরি করে ফেলেছে একটি ঝুলন্ত ব্রিজও। অরুণাচল প্রদেশের বিজেপি বিধায়কের এ দাবি ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে ভারত-চীন সীমান্তের চাগলাগাম এলাকায়। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় ভারতীয় ভূখণ্ডে চীনা সেনা বা নাগরিকের উপস্থিতির কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবু ওই এলাকায় টহলদারি জোরদার করা হয়েছে। এ খবর জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা। রাজ্যের বিজেপি সভাপতি অরুণাচল পূর্ব কেন্দ্রের সংসদ সদস্য টাপির গাও সম্প্রতি বিভিন্ন সাংবাদ মাধ্যমে দাবি করেছিলেন, চাগলাগামের ডিমারু নালার ওপর একটি ‘সাসপেনশন ব্রিজ’ নজরে

এসেছে আদিবাসীদের। ঘন জঙ্গলে ঘেরা ওই এলাকার গাছ কেটে কাঠ দিয়ে ওই ব্রিজটি তৈরি করেছে চীনা সেনাবাহিনী। দিল্লিতে সংশ্লিষ্ট সব দফতরে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন টাপির গাও। যেখানে ব্রিজ তৈরির কথা বলেছেন টাপির গাও, সেই ডিমারু নালা অন্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত। জনবসতি খুব কম। রয়েছে প্রচুর পাহাড়ি ঝর্ণা ও নালা। অসংখ্য ‘ফিশ টেল’ প্রজাতির লম্বা গাছ এবং নিচে ঘন জঙ্গলে ঘেরা বলে কার্যত দুর্গম ওই এলাকা। শিকার এবং ভেষজ উদ্ভিদ সংগ্রহ করতে জনজাতি শ্রেণির কিছু মানুষের আনাগোনা রয়েছে। তবে সেনা জওয়ানরাও রুটিন টহলদারি চালায় এসব এলাকায়। চীন-অরুণাচল সীমান্ত ম্যাকমোহন লাইন নামে পরিচিত।

লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল বা ম্যাকমোহন লাইন থেকে চাগলাগামের দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার। চাগলাগাম থেকে আবার ডোইমুর নালার দূরত্ব ২৫-৩০ কিলোমিটার। ফলে টাপির গাওয়ের দাবি সত্যি হলে ভারতীয় ভূখণ্ডের ৬০-৭০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছে চীনা বাহিনী। দিল্লিতে বিষয়টি জানানোর পরই এ নিয়ে কার্যত তোলপাড় পড়ে যায়। ভারতীয় সেনাসহ কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ। এমন ঘটনায় বুধবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিবৃতি দেয়া হয়। এতে বলা হয়, টাপির গাওয়ের দাবি ঠিক না। এ ধরনের কোনো অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে যেখানকার কথা বলা হয়েছে, সেটা ‘ফিশ টেল’ এলাকা। অন্যান্য কয়েকটি

এলাকার মতো ওই এলাকাতেও সীমান্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে মতপার্থক্য রয়েছে। ডিমারু নালার ওপরে যে জায়গার কথা বলা হয়েছে, সেখানে এই ধরনের কোনো ব্রিজ সেনাবাহিনীর নজরে আসেনি। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই এলাকা ঘন জঙ্গলে ঢাকা। নালা-ঝোরা ও পাহাড়ি চড়াই-উৎরাইয়ে ভরা। ওই এলাকায় হেঁটে ছাড়া অন্য কোনো যানবাহনে চলাফেরা করা সম্ভব নয়। যেহেতু সীমান্ত নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তাই ভারত এবং চীন দুদেশের সেনা জওয়ানরাই বর্ষাকালে টহলদারির জন্য নালাগুলির ওপর অস্থায়ী ব্রিজ তৈরি করে। তবে এটা নিশ্চিত যে চীনের সেনা বা কোনো নাগরিকের স্থায়ী উপস্থিতি ওই এলাকায় পাওয়া যায়নি। তবু কড়া নজরদারি রয়েছে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]