সর্বশেষ আপডেট
পবিত্র কোরআনের হাফেজের মুখে লাথি মেরেছিল বুয়েট ছাত্রলীগ সভাপতি । মা’রতে মা’রতে ঘে’মে যায় অনিক, পা ধরে অ’নুনয় করেছিলো আবরার । যৌ’নপল্লীতে যাওয়া পুরুষদের গোপন তথ্য ফাঁ’স । গাছে ঝুলন্ত শিশুর পেটে বিদ্ধ দুটি ছুরিতে দুজনের নাম । দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো থাকলে বিনা মূল্যে হজ্জ পালনের সুযোগ দিতামঃ ইমরান খান । হাজারো ভক্তের হৃদয় ভেঙে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন সাবিলা নূর । বিসিএস সিলেবাস, যার শুরু আছে কিন্তু শেষ বলে কিছু নেই । লাক্স সুন্দরী এখন স্বামীসহ বিসিএস ক্যাডার । আবরার ফাহাদকে নিয়ে ভারতীয় তরুণীর যে হৃ*দয়*স্পর্শী স্ট্যাটাস ভা*ইরাল । চোখে নেই আলো, কুরআনের আলোয় আলোকিত ওরা তিন হাফেজ ।
অবিবাহিত নারীদের সুখবর দিলেন লন্ডনের এক অধ্যাপক ।

অবিবাহিত নারীদের সুখবর দিলেন লন্ডনের এক অধ্যাপক ।

জীবনে চলার জন্য মানুষের একজন সঙ্গী প্রয়োজন। কেউ একা বাঁচতে পারেনা। কারও বাবা-মা চিরদিন বেঁচে থাকেনা। আপন ভাই-বোনেরাও একসময় নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পরে। তাই নিজের একজন সঙ্গী পেতে ও উত্তরাধীকারী তৈরি করতে মানুষ বিপরীত লিঙ্গের কারো সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। যার বিয়ে হয়না বা যে বিয়ে করেনা তাকে মানুষের কাছ থেকে নানা কটু কথা শুনতে হয়। নারীদের ক্ষেত্রেত সেটা কয়েকগুণ বেশি। যে নারীর বিয়ে হয়নি বা বিয়ে হতে দেরি হচ্ছে তাকে নিয়ে তার নিজের ও পরিবারের চিন্তার শেষ নেই।

তবে এবার অবিবাহিত নারীদের জন্য বেশ বড়সড় সুখবর দিলেন ‘পল ডোলান লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিকসের’ আচরণ বিজ্ঞান বিভাগের একজন অধ্যাপক। তিনি জানিয়েছে, ‘পৃথিবীর মানুষদের মধ্যে যেসব নারীর স্বামী-সন্তান নেই তারাই সবচেয়ে বেশি সুখী। শুধু তা-ই নয়, সন্তান পালনকারী ও বিবাহিত নারীদের চেয়ে অবিবাহিত বা কুমারি নারীরা বাঁচেও বেশিদিন।’

‘হে ফেস্টিভ্যাল’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘মানুষের সফলতা সন্তান লালন-পালন ও বিয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। বিবাহিত মানুষরা শুধু তখনই সুখী যখন তাদের সঙ্গীরা ঘরে থাকে। কিন্তু যখন সঙ্গী কাছে না থাকে তখন তার জীবনটা দুর্বিসহ। বিবাহের দ্বারা শুধু পুরুষরাই উপকৃত হচ্ছে। কেননা, এর দ্বারা পুরুষ শান্ত ও স্থির থাকে। এতে তার ঝুঁকি কম। কর্মক্ষেত্রে তার আয়ও বেশি। এর ফলে তারা একটু বেশি দিন বাঁচে।’অন্যদিকে, বিবাহিত নারীকে তার সঙ্গীকে বিভিন্নভাবে সেবা বা সঙ্গ দিয়ে যেতে হয়। এ কারণে অবিবাহিত নারীর তুলনায় সে বাঁচেও কম দিন। সবচেয়ে সুখী এবং সুস্বাস্থ্যবান নারী হচ্ছে তারাই যারা বিয়ে করে না এবং সন্তান জন্ম দেয় না।

আরো পড়ুন… বিয়ের ক্ষেত্রে সৌদি নারীদের পছন্দ তালিকার শীর্ষে রয়েছেন বাংলাদেশি পুরুষরা। দেশটির নারীরা বিশ্বাস করেন, সৌদি পুরুষদের চেয়ে বিদেশী পুরুষ বিয়ে করলে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে অনেক বেশি স্বাধীনতা পাওয়া যায়।আর এ কারণেই সৌদি আরবে দিন দিন বিদেশী পুরুষ বিয়ের সংখ্যা বাড়ছে। সম্প্রতি সৌদি আরবের প্রভাবশালী গণমাধ্যম আরব নিউজ এক জরিপ রিপোর্টের উদ্ধৃতি দিয়ে এ খবর জানিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সৌদি পুরুষদের স্বামী হিসেবে কমই পছন্দ করেন সে দেশের নারীরা। দাম্পত্য জীবনে স্থিতি ও নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সৌদি নারীরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিদেশিদের স্বামী হিসেবে পেতে চান।

বেশির ভাগ সৌদি নারীই চান না তাদের বিয়ে ডিভোর্স কিংবা স্বামীর বহুবিবাহের কারণে ভেঙ্গে যাক।সৌদির হাদি মাক্কি নামের এক নার্স বলেন, সাংস্কৃতিক বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতা এড়াতে ও বিবাহবিচ্ছেদের হার বেশি হওয়ায় অগণিত তরুণী সৌদি পরিবারে বিয়ে করতে ভয় পান। অনেকে চান বিদেশে গিয়ে আরেকটু স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতে, যা তারা নিজেদের সমাজে পারেন না। তিনি বলেন, নানা কারণে সৌদি অনেক নারীই আরবের অন্য দেশের পুরুষদের বিয়ে করেছেন। আরবের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সত্ত্বার মধ্যে মিল থাকায় এটি সম্ভব হয়েছে।তবে এর ব্যতিক্রমও রয়েছে। দেশটিতে গভীর উপজাতীয় শেকড় যাদের মধ্যে রয়েছে, তারা খুব কমই নিজের সংস্কৃতির বাইরের মানুষকে বিয়ে করতে আগ্রহী হন।

আইন পরামর্শদাতা আবদুল আজিজ দাশমান বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলের মানুষের মধ্যে কুয়েতের বেশি নাগরিককে বিয়ে করেছেন সৌদি নারীরা। ২০১২ সালের এক জরিপে এ তথ্য উঠে আসে। তবে উপসাগরীয় নয়, এমন দেশগুলোর মধ্যে ইয়েমেনের পুরুষরাই বেশি বিয়ে করেছেন সৌদি নারীদের। এছাড়াও অন-আরব কাউকে বিয়ে করার ব্যাপারে সামাজিক বারণ থাকা সত্ত্বেও ১১৮ সৌদি নারী পাকিস্তানিদের বিয়ে করেছেন।আব্দুল আজিজ দাশমান আরো জানান, অনেক সৌদি নারীর কাছে সৌদি নন এমন পুরুষদের বিয়ে করাটা অনেকটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার মতো বিষয়। তবে এক্ষেত্রে আর্থিক অসচ্ছলতার বিষয়টিও মাথায় রাখতে হয়।তিনি নারীদের সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তাদের অর্থের ওপর আগ্রহ আছে এমন পুরুষের প্রতি যাতে তারা ঝুঁকে না পড়েন।

অন্যদিকে প্রতিবেদনে উঠে আসে, নোরা নামের এমন এক সৌদি নারী নিজ সংস্কৃতির কাউকে বিয়ে না করায় আক্ষেপ করেছেন। তিনি বলেন, আমি যদি আমার আত্মীয়দের কথা শুনতাম, তবেই ভাল হতো। এছাড়া এ ধরনের দম্পতির সন্তানের নাগরিকত্ব নিয়েও সমস্যা হয়। সৌদি শূরা পরিষদের সদস্য সাদাকাহ ফাদেল জানান, প্রায় ৭ লাখ সৌদি নারী বিদেশী বিয়ে করেছেন, যা মোট বিয়ে করা সৌদি নারীদের ১০ শতাংশ। শূরা পরিষদ সৌদি নারীদের বিদেশি স্বামী বা পুরুষদের বিদেশি স্ত্রী ও তাদের সন্তানদের নাগরিকত্ব সম্পর্কিত আইন পরিবর্তন করতে চাইছে।এদিকে অনেকে আশঙ্কা করছেন, এ আইনের অপব্যবহার হতে পারে।

সম্প্রতি সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রবাসীদের জন্য সৌদি নারীদের বিয়ে করার ক্ষেত্রে যে বিধি-নিষেধ ছিল সেটা তুলে নিয়েছে। তাই, এখন থেকে বাংলাদেশীরাও বিয়ে করতে পারবেন সৌদি নারীদের। সেক্ষেত্রে সৌদি নারীদের পছন্দ তালিকার শীর্ষে হতে পারেন বাংলাদেশি পুরুষেরা। সৌদি আরবে পুরুষদের তুলনায় নারীর সংখ্যা অনেক বেশি। সৌদি পুরুষরা একাধিক বিয়ে করলেও অবিবাহিত থেকে যাচ্ছে সেদেশের অনেক নারী। এমন এক পরিস্থিতিতে সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রবাসীদের জন্য সৌদি নারীদের বিয়ে করার বিধি-নিষেধ তুলে নিয়েছে।কিন্তু এজন্য তাদেরকে ‘স্পেশাল এক্সপ্যাক্ট’ সিস্টেমে পূর্ব হতেই নিবন্ধন করতে হবে। প্রবাসীরা শুধু সৌদি নারীদের বিয়ে করার সুযোগের সঙ্গে সঙ্গে তারা পেনশনসহ বেতন সুবিধাও ভোগ করতে পারবেন!

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]