সর্বশেষ আপডেট
মেডিকেলে চান্স পেলো রাজমিস্ত্রির মেয়ে জাকিয়া সুলতানা কলেজে না গিয়েও এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় দ্বিতীয় নেহা । বাংলাদেশি কর্মীদের প্রশংসা করে যা বললেন মালয়েশিয়ার পুলিশপ্রধান । বাড়ির নিচতলায় গাড়ী চালকদের জন্য থাকা ও নামাজের ব্যবস্থা করতে হবেঃ প্রধানমন্ত্রী । প্রেমের টানে বাংলাদেশে ভারতীয় গৃহবধূ, সীমান্তে উত্তে’জনা । গোয়ালঘরে শিকলে বাঁধা বৃদ্ধা মা বললেন, মোর পোলারা ভালো । সাড়ে ৮ লাখ টাকা দিয়েও চাকরি হয়নি, কাঁদলেন প্রার্থী । গরু ছেড়ে নারীদের প্রতি বেশি যত্নবান হোনঃ মোদিকে এক নারী । যে কারণে তুহিনকে নি’র্মমভাবে হ’ত্যা করলেন বাবা । পিয়ন থেকে যেভাবে ১২০০ কোটি টাকার মালিক যুবলীগের আনিস ।
সীমা‌ন্তে ভারত-পা‌কিস্তানের ব্যাপক গোলাগু‌লি, আটকা প‌ড়ে‌ছে বহু শিক্ষার্থী ।

সীমা‌ন্তে ভারত-পা‌কিস্তানের ব্যাপক গোলাগু‌লি, আটকা প‌ড়ে‌ছে বহু শিক্ষার্থী ।

গত সপ্তাহে নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতীয় বাহিনীর হাতে দুই পাকিস্তানি সেনা নিহত হওয়ার পর ভারত সীমান্তে ব্যাপক গোলাবর্ষণ করেছে পাকিস্তান। শনিবার সীমান্তে এই গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে বালাকোট সেক্টরে শ কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থীরা আটকা পড়েছে।

ভারতীয় পত্রিকার ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, মানকোট ক্ষেত্রের কাছে বালনোই থেকে তারকুন্ডি পর্যন্ত আন্তর্জাতিক নিয়ন্ত্রণ রেখার ৫০ কিলোমিটার ধরে প্রায় ৫০-৬০ টি গ্রাম গোলাবর্ষণের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শনিবার সকাল পৌনে ১০টা থেকে নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে গোলাবর্ষণ শুরু করে পাক সেনারা।

খবরে আরো বলা হয়, ভারতীয় বাহিনীর দাবি, পাকিস্তানি সেনাদের আকস্মিক মর্টার শেল নিক্ষেপের কারণে পুঞ্চ জেলায় প্রায় ৬টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা স্কুলের ভেতরে আটকা পড়েছে। সানদিয়োটে সরকারি হাইস্কুলের এক শিক্ষক ঐ গণমাধ্যমকে জানান, আমরা শিক্ষার্থীদের একটি কক্ষে সরিয়ে নিয়েছি। তাদের একটি দেয়ালের পাশে লুকিয়ে থাকতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, ওই স্কুল ভবন থেকে ৫০ মিটার দূরত্বের মধ্যে কমপক্ষে ছয়বার গোলাবর্ষণ করা হয়েছে। পাকিস্তানি সেনাদের হামলার জবাবে ভারতীয় সেনারাও গুলি চালিয়েছে বলে জানানো হয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এখনও থেমে থেমে দুই বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি চলছে।

আরো খবর… ভারতীয় ভূখণ্ডের ৬০-৭০ কিলোমিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে চীনের সেনাবাহিনী। তৈরি করে ফেলেছে একটি ঝুলন্ত ব্রিজও। অরুণাচল প্রদেশের বিজেপি বিধায়কের এ দাবি ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে ভারত-চীন সীমান্তের চাগলাগাম এলাকায়। তবে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই এলাকায় ভারতীয় ভূখণ্ডে চীনা সেনা বা নাগরিকের উপস্থিতির কোনো প্রমাণ মেলেনি। তবু ওই এলাকায় টহলদারি জোরদার করা হয়েছে। এ খবর জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা। রাজ্যের বিজেপি সভাপতি অরুণাচল পূর্ব কেন্দ্রের সংসদ সদস্য টাপির গাও সম্প্রতি বিভিন্ন সাংবাদ মাধ্যমে দাবি করেছিলেন, চাগলাগামের ডিমারু নালার ওপর একটি ‘সাসপেনশন ব্রিজ’ নজরে

এসেছে আদিবাসীদের। ঘন জঙ্গলে ঘেরা ওই এলাকার গাছ কেটে কাঠ দিয়ে ওই ব্রিজটি তৈরি করেছে চীনা সেনাবাহিনী। দিল্লিতে সংশ্লিষ্ট সব দফতরে তিনি বিষয়টি জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন টাপির গাও। যেখানে ব্রিজ তৈরির কথা বলেছেন টাপির গাও, সেই ডিমারু নালা অন্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত। জনবসতি খুব কম। রয়েছে প্রচুর পাহাড়ি ঝর্ণা ও নালা। অসংখ্য ‘ফিশ টেল’ প্রজাতির লম্বা গাছ এবং নিচে ঘন জঙ্গলে ঘেরা বলে কার্যত দুর্গম ওই এলাকা। শিকার এবং ভেষজ উদ্ভিদ সংগ্রহ করতে জনজাতি শ্রেণির কিছু মানুষের আনাগোনা রয়েছে। তবে সেনা জওয়ানরাও রুটিন টহলদারি চালায় এসব এলাকায়। চীন-অরুণাচল সীমান্ত ম্যাকমোহন লাইন নামে পরিচিত।

লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল বা ম্যাকমোহন লাইন থেকে চাগলাগামের দূরত্ব প্রায় ১০০ কিলোমিটার। চাগলাগাম থেকে আবার ডোইমুর নালার দূরত্ব ২৫-৩০ কিলোমিটার। ফলে টাপির গাওয়ের দাবি সত্যি হলে ভারতীয় ভূখণ্ডের ৬০-৭০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে ঢুকে পড়েছে চীনা বাহিনী। দিল্লিতে বিষয়টি জানানোর পরই এ নিয়ে কার্যত তোলপাড় পড়ে যায়। ভারতীয় সেনাসহ কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে শুরু হয় দৌড়ঝাঁপ। এমন ঘটনায় বুধবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিবৃতি দেয়া হয়। এতে বলা হয়, টাপির গাওয়ের দাবি ঠিক না। এ ধরনের কোনো অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেনি। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে যেখানকার কথা বলা হয়েছে, সেটা ‘ফিশ টেল’ এলাকা। অন্যান্য কয়েকটি

এলাকার মতো ওই এলাকাতেও সীমান্ত নিয়ে চীনের সঙ্গে মতপার্থক্য রয়েছে। ডিমারু নালার ওপরে যে জায়গার কথা বলা হয়েছে, সেখানে এই ধরনের কোনো ব্রিজ সেনাবাহিনীর নজরে আসেনি। সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই এলাকা ঘন জঙ্গলে ঢাকা। নালা-ঝোরা ও পাহাড়ি চড়াই-উৎরাইয়ে ভরা। ওই এলাকায় হেঁটে ছাড়া অন্য কোনো যানবাহনে চলাফেরা করা সম্ভব নয়। যেহেতু সীমান্ত নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তাই ভারত এবং চীন দুদেশের সেনা জওয়ানরাই বর্ষাকালে টহলদারির জন্য নালাগুলির ওপর অস্থায়ী ব্রিজ তৈরি করে। তবে এটা নিশ্চিত যে চীনের সেনা বা কোনো নাগরিকের স্থায়ী উপস্থিতি ওই এলাকায় পাওয়া যায়নি। তবু কড়া নজরদারি রয়েছে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme
[X]