সর্বশেষ আপডেট
লাইভ শোতে ২ সৌদি সমকামি তরুণীর ভালোবাসা প্রকাশ! ঝুড়িতে পাওয়া গেল কন্যা শি’শু, নাম দেওয়া হল ‘একুশে’ জরুরী আবহাওয়া বিজ্ঞপ্তিঃ সোমবার থেকে বৃষ্টি, চলবে তিনদিন! সুন্দরীর বিয়ের ফাঁদ, অপহরণ করে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি, এরপর বেরিয়ে আসল চাঞ্চল্যকর তথ্য… বাসে বাবার বয়সী ব্যক্তির যৌ’ন হয়’রানি, কেঁদে বিচার চাইলেন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী আরব আমিরাতে করোনাভাইরাসে বাংলাদেশি প্রবাসী আ’ক্রা’ন্ত যুক্তরাষ্ট্রে কোরআন ছুঁয়ে শপথ নিলেন পুলিশ কর্মকর্তা গর্ভবতী হওয়া নিয়ে এবার মুখ খুললেন নায়িকা বুবলী, জেনে নিন নায়িকার স্বীকারুক্তি… কুমিল্লায় কয়েক হাজার কোটি টাকা নিয়ে শতাধিক কোম্পানি উধাও এবার নোবেলকে বিয়ে করছেন পূর্ণিমা!
আরব আমিরাতের শারজায় নতুন প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পেল, অর্থনীতি আরো শক্তিশালী

আরব আমিরাতের শারজায় নতুন প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান পেল, অর্থনীতি আরো শক্তিশালী

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ ন্যাশনাল অয়েল কর্পোরেশন এবং এর ইতালীয় অংশীদার এ এন আই শারজাহের মাহানী মাঠে এবং কনডেনসেট উপকূলে নতুন একটি সফল প্রাকৃতিক গ্যাস খনি আবিষ্কারের ঘোষণা দিয়েছে। ১ এক্সপ্লোরেশনে আবিষ্কারটি অংশীদারিত্বের প্রথম বছরের মধ্যেই দৈনিক ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত প্রবাহের হার আসে এবং ১৯৮০ এর দশকের প্রথম থেকেই আমিরাতে গ্যাসের প্রথম আবিষ্কারের সন্ধান করছে ।

মহানী -১ কূপটি মোট 14,597 ফুট গভীরতায় ড্রিল করা হয়েছিল, যার ফলে থুমামা গঠনের সাথে সম্পর্কিত ক্যাপাসিটরগুলির সাথে গ্যাস আবিষ্কার হয়েছিল। আরও মূল্যায়ন এবং বিকাশের প্রত্যাশার আলোকে আবিষ্কারের আকারটি অনুমান করা হবে।জাতীয় শক্তি সংস্থা এক বিবৃতিতে জানায়, এরিয়া বি ছাড়ের মধ্যে অবস্থিত মহানি -১ এক্সপ্লোরেশন কূপটি এসএনওসি কর্তৃক প্রথম তদন্তে ভালভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল,

এই অঞ্চলটিকে আচ্ছাদন করে নতুন থ্রিডি সিসমিক জরিপ অর্জনের পরে জানা যাবে , জাতীয় শক্তি সংস্থা এক বিবৃতিতে বলেছে। এসএনওসি, যা অঞ্চল বি এর অপারেটর, এবং এএনআই উভয়ই 2019 সালের শুরুর দিকে স্বাক্ষরিত চুক্তির অংশ হিসাবে আবিষ্কারে 50 শতাংশ ইতালির সাথে অংশীদার রয়েছে। দুটি সংস্থাও ছাড়ের অঞ্চল এ এবং সি-তে অংশীদারও রয়েছে শারজাহ তীরে অবস্থিত। এই নতুন গ্যাসের উত্তোলন শুরু করলে আরব আমিরাতের অর্থনীতি আরো শক্তিশালী হবে।

আজকের আলোচিত খবর… সাপ নাকি বাদুরের স্যুপ কি থেকে এবং কিভাবে ছড়িয়েছে করোনা ভাইরাস! বাদুড়ের স্যুপ উহানে খুবই জনপ্রিয় খাবার। এই শহরেরই একটি মাছ বাজার থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে.. সময়ের আ‘‘তঙ্ক মহা‘‘মারী আকার ধারণ করা করোনাভাইরাস। এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত ৮১ জন মা”রা গেছেন। হাসপাতালে ভর্তি আছেন হাজার হাজার মানুষ। দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসটি ঠেকানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে চীন। বাদুড়ের স্যুপ থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়েছে বলে দাবি করেছেন চীনা বিজ্ঞানীরা।

তারা বলছেন, কেবল ফ্রুট ব্যাট বা মেগাব্যাটের মধ্যে পাওয়া ভাইরাসের সঙ্গে চীনের উহানে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের মিল রয়েছে। বাদুড়ের স্যুপ উহানে খুবই জনপ্রিয় খাবার। এই শহরেরই একটি মাছ বাজার থেকে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়ে। আরেকটি গবেষণায় বলা হচ্ছে, সাপ থেকেই এ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটতে পারে।

করোনাভাইরাসের কোন প্রতিষেধক নেই। প্রতিষেধক আবিষ্কারে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের বিজ্ঞানীরা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। মার্কিন বিজ্ঞানীরা আশা করছেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে তারা আক্রান্তদের শরীরে ভ্যাকসিনের পরীক্ষামূলক প্রয়োগে সক্ষম হবেন। যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের (এনআইএইচ) বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। এদিকে,

প্রতিশেধক আবিস্কারের প্রাথমিক পদক্ষেপ করোনাভাইরাসের জেনেটিক ক্রমবিন্যাস শনাক্তে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন চীনা বিজ্ঞানীরা।
সম্প্রতি চায়না সায়েন্স বুলেটে প্রকাশিত এক গবেষণায় বলা হয়, বাদুড়ের শরীরে পাওয়া যায় এমন একটি ভাইরাসের সঙ্গে নতুন করোনাভাইরাসের সম্পর্ক রয়েছে। এর আগে প্রাণঘাতী সার্স ও ইবোলা ভাইরাসের বিস্তারও উড়ন্ত কোনও স্তন্যপায়ী থেকে হয়েছিল বলে মনে করা হয়।

বিশেষজ্ঞরা ভেবেছিলেন, নতুন ভাইরাস মহামারী আকার নেবে না, কারণ আগে যেসব ভাইরাসের প্রকোপ দেখা গেছে, সেসব ভাইরাসের জিন ভিন্ন ছিল। চায়নিজ একাডেমি অব সায়েন্সেস, পিপলস লিবারেশন আর্মি ও ইন্সটিটিউট পাস্টোর অব সাংহাই যৌথভাবে নতুন গবেষণা পরিচালনা করেছে। সেখানে দেখা গেছে, মানবদেহে থাকা এসিই২ নামের একটি প্রোটিনের সঙ্গে এই ভাইরাসের একটি ‘দৃঢ় সম্পর্ক’ রয়েছে।

গবেষকরা বলছেন, এই বান্ডিং প্রোটিনের সঙ্গে সার্স ভাইরাসের উচ্চমাত্রা মিল হয়েছে। ২০০২-২০০৩ সালে ছড়িয়ে পড়া ওই ভাইরাসে প্রায় ৮০০ জনের মৃত্যু হয় এবং বিশ্বজুড়ে আট হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়। সরকারি একটি ডাটাবেজে করোনাভাইরাসে নতুন স্ট্রেইনের বিবর্তন শনাক্ত করেছেন এবং বিবর্তন ট্রি থেকে জানতে পেরেছেন এটা বেটাকরোনাভাইরাসভুক্ত। তাদের দুটির মধ্যে ৭০ থেকে ৮০ ভাগ জিনগত মিল রয়েছে,

যা শূকর ও মানুষের সাদৃশ্যের চেয়ে কম। গবেষকরা জানিয়েছেন, উহান করোনাভাইরাসের প্রাকৃতিক হোস্ট বাদুড় হতে পারে। কিন্তু বাদুড় ও মানুষের মাঝখানে একটি অজ্ঞাত মাধ্যম থেকে থাকতে পারে। এদিকে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, নতুন এই ভাইরাসটি একটি আরএনএ ভাইরাস। অর্থাৎ স্পলপক্স বা গুটি বসন্তের মতো ডিএনএ ভাইরাসের ১০০ গুণ দ্রুত রূপান্তর ঘটে এই আরএনএ ভাইরাসের। পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা দাবি করেছেন,

বাদুড় থেকে ভাইরাসটি মানবদেহে প্রবেশ করেছে সাপের মাধ্যমে। উহানের হুয়ানান সিফুড মার্কেটে অন্যান্য বণ্যপ্রাণীর সঙ্গে সা”পও বিক্রি করা হয়। আর সেখান থেকেই এই ভাইরাস মানবদেহে ছড়িয়ে পড়ার আগে অন্য কোনও প্রাণীর শরীরে প্রবেশ করে থাকতে পারে। গবেষকরা বলছেন, নতুন ২০১৯-এনসিওভি ভাইরাসটি বাদুড়কে আক্রান্ত করে এমন একটি করোনাভাইরাস এবং আরেকটি অজানা করোনাভাইরাসের সমন্বয়। জার্নাল অব মেডিকেল ভিরোলজিতে এক আর্টিকেলে গবেষকরা জানিয়েছে, আমাদের বিবর্তন বিশ্লেষণ থেকে এই প্রথমবার দেখা গেছে, ২০১৯-এনসিওভি ভাইরাসের আধার হিসেবে সম্ভবত কাজ করে সা”প।

সংবাদটি শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2019 newstodaybd.com
Design BY NewsTheme